1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
বাঘারপাড়ায় হঠাৎ পটাশ সারের কৃত্রিম সঙ্কট, বিপাকে চাষিরা - bdtelegraph24.com
বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:০৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নতুন পে-স্কেলেই বেতন পাবেন এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা: শিক্ষা সচিব ঢাবির শেখ মুজিবুর রহমান হলের গেট থেকে ‘শহীদ ওসমান হাদি’ নাম অপসারণ উজ্জয়িনীর শাহী মসজিদ: ৬৩৬ বছরের পুরনো স্থাপনা ও রাস্তা সম্প্রসারণ নিয়ে বিতর্ক শৈলকুপায় ভেজাল সয়াবিন তেল বিক্রির দায়ে ব্যবসায়ীকে জরিমানা রংপুরে বাড়িতে নকল সয়াবিন তেল তৈরির কারখানা, ব্যবসায়ীকে কারাদণ্ড শরীয়তপুরে ৩ আইনজীবীকে মারধর ও চেম্বার ভাঙচুর, অভিযুক্ত বিএনপি ইরাক থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার হলেও তেল আয়ের নিয়ন্ত্রণে ওয়াশিংটন ফেনী সফর: দেড় হাজার কোটি টাকার প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী ডিজিটাল খিচুড়ি চ্যালেঞ্জের আয়োজনে জবি শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ আনসার ও ভিডিপি সদস্য-সদস্যাদের মাঝে ফলজ ও ঔষধি গাছের চাঁরা বিতরণ

বাঘারপাড়ায় হঠাৎ পটাশ সারের কৃত্রিম সঙ্কট, বিপাকে চাষিরা

  • সর্বশেষ আপডেট : মঙ্গলবার, ২৯ মার্চ, ২০২২
  • ৫৪১ জন খবরটি পড়েছেন

কৃষি বিভাগের দেখভালের অভাব

বাঘারপাড়া প্রতিনিধি।।

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

বাঘারপাড়ায় হঠাৎ মিউরেট অব পটাশ (এমওপি)সারের সঙ্কট সৃষ্টি হওয়ায় চাষীরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন । উপজেলা কৃষি বিভাগের তদারকি না থাকায় মূল ডিলাররা কারসাজি করে এ সঙ্কট তৈরি করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। আর এ সুযোগ কাজে লাগিয়েছে খুচরা বিক্রেতারা।

কৌশলে ডিলারদের কাছ থেকে সার কিনে অতিরিক্ত মুনাফা লোভের আশায় মজুদ করে রেখে দিয়েছেন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে। তবে বিসিআইসির মূল ডিলার সাব ডিলারদের চাহিদা অনুযায়ী সার দিচ্ছে না বলে অভিযোগ রয়েছে। এমনকি গত ২ মাসে অনেক সাব ডিলারদের বরাদ্দ দেওয়া হয়নি। তবে কিছু সাব ডিলার বরাদ্দ পেলেও বাজারে এমওপি সারের সঙ্কট রয়েছে বলে দাবি করেছেন ব্যবসায়ীরা।

এদিকে বাজারে এমওপি সারের সঙ্কট নেই বলে দায় এড়িয়ে গেছেন উপজেলা কৃষি বিভাগ। তাঁরা বলছেন, বাজারে পর্যাপ্ত এমওপি সার রয়েছে। এছাড়াও বর্তমান সারের চাহিদা কমে গেছে।

তথ্য অনুসন্ধানে দেখা গেছে, উপজেলার আলাদিপুর বাজারের বিসিআইসির সাব ডিলার সজিব ট্রেডার্সে গত জানুয়ারিতে ১৭৬ বস্তা এমওপি বরাদ্দ দেয়া হয়। পরে চাহিদা থাকা সত্বেও ফেব্রুয়ারি ও চলতি মার্চে কোনো বরাদ্দ দেননি তাঁর মূল ডিলার সুগন্ধা ট্রেডার্সের মালিক সবুর হোসেন। একই বাজারের আরেক সাব ডিলার মেসার্স মামুন ট্রেডার্সে গত জানুয়ারিতে ৫০ বস্তা ও ফেব্রুয়ারিতে ২০ বস্তা এমওপি সার বরাদ্দ পান। যা কয়েকদিনের মধ্যে চাষীদের মাঝে বিক্রি করেছেন।

চলতি মার্চে তাঁর মূল ডিলার কুন্ডু ট্রেডার্সের মালিক পিযুষ কুন্ডু বরাদ্দ না দেয়ার সার সঙ্কটে পড়েছেন তিনি। অথচ ওই বাজারের লিতু ট্রেডার্সে (খুচরা ব্যবসায়ী) সাখাওয়াত হোসেনের দোকানে ৫০ বস্তা এমওপি সার মজুদ আছে। তিনি সুগন্ধা ট্রেডার্সের মালিক সবুর হোসেনের কাছ থেকে কিনে এনেছেন। ধলগাঁ রাস্তার মোড়ে মোল্যা ট্রেডার্সের মালিক শাহাজাহান আলীকে গত কয়েক মাস ধরে কোনো বরাদ্দ দেননা তার ডিলার সবুর হোসেন। তিনি বিভিন্ন জায়গা থেকে সার কিনে বিক্রি করছেন।

বাঘারপাড়া বাজারের বড় ব্যবসায়ী মেসার্স ব্রাদার্স ট্রেডার্সের মালিক হারুন অর রশিদ বাবলু চলতি মাসে মাত্র ২০ বস্তা সার পেয়েছেন। চাহিদা বেশি থাকা সত্বেও অজ্ঞাত কারণ দেখিয়ে তাকে সার দিচ্ছেন না ডিলার রুপা কনস্ট্রাকশন মালিক দীপক কুমার সাহা। একই বাজারের আরেক ব্যবসায়ী জামাল ট্রেডার্সের মালিক জামাল হোসেন সর্বশেষ জানুয়ারিতে ১৬০ বস্তা বরাদ্দ পান। পরে আর কোনো বরাদ্দ দেননি তাঁর ডিলার রুপা কনস্ট্রাকশন মালিক দীপক কুমার সাহা। নিরুপায় হয়ে বিভিন্ন স্থান থেকে সার ক্রয় করে বিক্রি করছেন জামাল হোসেন।
খলশী এলাকার চাষী রঘু বিশ্বাস জানান, ধানে বিএলবি রোগে আক্রমণ করলে পটাশ সার লাগতে পারে। তাছাড়াও সবজি চাষে পটাশ সারের প্রয়োজন আছে। বাজারে বর্তমান পটাশ সারের সঙ্কট রয়েছে।

ধুপখালী এলাকার কৃষক জুলফিক্কার আলী জানিয়েছেন, বাজারে পটাশ সারের সঙ্কট দেখাচ্ছে ব্যবসায়ীরা। স্থানীয় বাজারে কিনতে গেলে ১১০০ টাকা দাম নিচ্ছে।
দোহাকুলা এলাকার আরেক চাষী গোলাম মোস্তফা চাকলাদার বলেন, বাজারের পটাশ সারের সঙ্কট রয়েছে। দামও বেশি। কড়াইতলা রোডের এক সার ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ১০৫০ টাকা দরে বিএডিসির এমওপি সার কিনেছি। সামনে আরো সার দরকার।

বিসিআইসির সাব ডিলার সজিব ট্রেডার্সের মালিক রবিউল ইসলাম জানান, তাঁর ডিলার সুগন্ধা ট্রেডার্সের মালিক সবুর হোসেন সীমিত আকারে বরাদ্দ দেন তাকে। চলতি মাসে কোনো বরাদ্দ দেননি তাকে। বর্তমান দোকানে ১৫ বস্তা এমওপি মজুদ আছে। তবে এলাকায় প্রচুর চাহিদা রয়েছে এমওপি সারের।
বিসিআইসির আরেক সাব ডিলার ধলগাঁ রাস্তার মোড়ের মোল্যা ট্রেডার্সের মালিক শাহাজাহান আলী জানিয়েছেন, টাকা বেশি দিলে পটাশের সঙ্কট থাকে না। তাঁর ডিলার সুগন্ধা ট্রেডার্সের মালিক সবুর হোসেন কোনো বরাদ্দ দেন না তাকে। এ কারণে বাইরে থেকে চাড়াভিটাসহ বিভিন্ন বাজার থেকে খুচরা সার কিনে বিক্রি করেন। বর্তমান তাঁর দোকানে এমওপি সারের সঙ্কট রয়েছে।

একই কথা বলেন চাড়াভিটা বাজারের লিপি ট্রেডার্সের মালিক বাপ্পী হোসেন। তিনি বলেন, চাহিদা অনুযায়ী তাঁর ডিলার কুন্ডু ট্রেডার্সের মালিক পিযুষ কুন্ডু বরাদ্দ দেন না। বর্তমান এমওপি সঙ্কট রয়েছে। দোকানে মাত্র কয়েক বস্তা চায়না এমওপি সার মজুদ আছে।
বাঘারপাড়া বাজারের মেসার্স ব্রাদার্স ট্রেডার্সের মালিক হারুন অর রশিদ বাবলু জানান, নওয়াপাড়াতে একটু সমস্যা থাকায় এমওপি সারের সঙ্কট হয়েছে। ডিলাররা চাহিদা অনুযায়ী বরাদ্দ ঠিকমত দিচ্ছেন না। এতে কিছুটা সমস্যা হচ্ছে। একই বাজারের আরেক ব্যবসায়ী জামাল ট্রেডার্সের মালিক জামাল হোসেন বলেন, গত ২ মাস কোনো বরাদ্দ দেননি তাঁর ডিলার। বর্তমান তাঁর দোকানে কোনো এমওপি সার নেই। চাষীরা এসে ফিরে যাচ্ছেন।

অভিযোগের বিষয়ে বিসিআইসির ডিলার সুগন্ধা ট্রেডার্সের মালিক সবুর হোসেন বলেন, বাজারে এমওপি সারের সঙ্কট রয়েছে। চাহিদা অনুযায়ী সার পাওয়া যাচ্ছে না। যার টাকা আছে সেই ব্যক্তি সার পাবে, সে যদি মজুদ করে রাখে সেইটা আমার বিষয় নাই। অভিযোগ দিলে কৃষি অফিস ব্যবস্থা নেবেন।
বিসিআইসির আরেক ডিলার রুপা কনস্ট্রাকশনের মালিক দীপক কুমার সাহা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, বাজারে এমওপি সারের ডিমান্ড নাই। সব সাব ডিলারকে বরাদ্দ দেয়া হচ্ছে। যদি কেউ না পেয়ে থাকে, তারা বললে পরে দেয়া হবে।

বিসিআইসির ডিলার কুন্ডু ট্রেডার্সের মালিক পিযুষ কুন্ডু বলেন, চাহিদা অনুযায়ী বরাদ্দ পাওয়া যাচ্ছে না। এজন্য এমওপি সারের সঙ্কট রয়েছে। তাছাড়া অল্প বরাদ্দ পাওয়ায় সাব ডিলাদের চাহিদা অনুযায়ী সার বন্টন করা সম্ভব হচ্ছে না। তিনি আরো বলেন, সাব ডিলার ছাড়া কোনো খুচরা ব্যবসায়ীর কাছে সার বিক্রি করা হয় না।

জানতে চাইলে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রুহুল আমীন বলেন, ডিলারদের সাথে সাব ডিলারদের মধ্যে একটু সমস্যা আছে। যার কারণে একটু ত্রুটি হয়। বাজারে এমওপি সারের কোনো সঙ্কট নেই। মৌসুম শেষ হওয়ায় চাহিদাও কমে গেছে। ধানে বিএলবি রোগে আক্রমণ করলে পটাশের প্রয়োজন আছে। এই মাসে বরাদ্দ ছিলো ১৪১ মেট্রিক টন। ২৮ মার্চ পর্যন্ত উত্তোলন করা হয়েছে ১০৮ মেট্রিক টন। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরো বলেন, সাব ডিলাররা ঠিকমত বরাদ্দ পাচ্ছে না, এধরণের কোনো অভিযোগ আমরা পায়নি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar