1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
কুড়িগ্রামে  দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে দৃষ্টিনন্দন ঢোল কলমি - bdtelegraph24.com
বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:১৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নতুন পে-স্কেলেই বেতন পাবেন এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা: শিক্ষা সচিব ঢাবির শেখ মুজিবুর রহমান হলের গেট থেকে ‘শহীদ ওসমান হাদি’ নাম অপসারণ উজ্জয়িনীর শাহী মসজিদ: ৬৩৬ বছরের পুরনো স্থাপনা ও রাস্তা সম্প্রসারণ নিয়ে বিতর্ক শৈলকুপায় ভেজাল সয়াবিন তেল বিক্রির দায়ে ব্যবসায়ীকে জরিমানা রংপুরে বাড়িতে নকল সয়াবিন তেল তৈরির কারখানা, ব্যবসায়ীকে কারাদণ্ড শরীয়তপুরে ৩ আইনজীবীকে মারধর ও চেম্বার ভাঙচুর, অভিযুক্ত বিএনপি ইরাক থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার হলেও তেল আয়ের নিয়ন্ত্রণে ওয়াশিংটন ফেনী সফর: দেড় হাজার কোটি টাকার প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী ডিজিটাল খিচুড়ি চ্যালেঞ্জের আয়োজনে জবি শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ আনসার ও ভিডিপি সদস্য-সদস্যাদের মাঝে ফলজ ও ঔষধি গাছের চাঁরা বিতরণ

কুড়িগ্রামে  দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে দৃষ্টিনন্দন ঢোল কলমি

  • সর্বশেষ আপডেট : বৃহস্পতিবার, ৭ এপ্রিল, ২০২২
  • ২৮৪ জন খবরটি পড়েছেন

এ আর রাকিবুল হাসান, কুড়িগ্রাম।।

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

কুড়িগ্রামে  দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে দৃষ্টিনন্দন ঢোলকলমি গাছ। ঢোল কলমি, বেড়াগাছ ও বেড়ালতা নামেও বেশ পরিচিত। দেশের প্রায় সকল এলাকার রাস্তার ধারে, বাড়ির পাশে, জলাশয়ের ধারে, মাঠে-ঘাটে, খাল-বিলের ধারে সর্বত্রই চোখে পড়ে। গ্রামে অবহেলায় বেড়ে ওঠা আগাছা হিসেবে পরিচিত বেড়ালতা বা ঢোল কলমি।

ঢোল কলমি গুল্ম প্রজাতির উদ্ভিদ। এর কান্ড দিয়ে কাগজ তৈরি করা যায়। সবুজ পাতার গাছটি ছয় থেকে দশ ইঞ্চি লম্বা হয়ে থাকে।

অযত্ন আর অবহেলায় জন্ম নেয়া ঢোলকলমি গাছের ফুল যেকোন বয়সি মানুষের নজর কাড়বে তাতে কোন সন্দেহ নেই। পাঁচটি হালকা বেগুনি পাপড়ির ফুল দেখতে খুবই আকর্ষণীয়। সারা বছরই ঢোল কলমির ফুল ফুঁটে থাকে। তবে বর্ষার শেষে শরৎ থেকে শীতে ঢোলকলমি ফুল বেশি দেখা যায়। একটি মঞ্জরিতে চার থেকে আটটি ফুল থাকে। ফুলে মধুর জন্য কালো ভোমরাও আসে।

এ গাছ অল্পদিনের মধ্যেই ঘন ঝাড়ে পরিণত হতে সক্ষম। কলমি গাছ জমির ক্ষয় রোধ করে থাকে ও সুন্দর ফুল দেয়। দেশের গ্রামাঞ্চলে এই গাছ জমির বেড়া হিসেবে ব্যবহার করা হয়। জ্বালানী হিসেবেও ব্যবহার করা যায় ঢোল কলমির ডাটা। নদীর তীরে কিংবা বিশাল ফসলের মাঠে ঢোল কলমি জন্মে পাখির বসার জায়গা করে দেয়। এ গাছে বসে বিভিন্ন প্রকারের পাখি পোকামাকড় খায়। ফুলের মধু সংগ্রহ করতে কালো ভোমরার আনাগোনাও লক্ষ করা যায়। গ্রামের শিশুরা ঢোলকলমির ফুল দিয়ে খেলাও করে থাকে।

এক সময় কুড়িগ্রামে  বিভিন্ন উপজেলার গ্রাম অঞ্চলগুলোতে অধিকাংশ পরিবার ফসলের ক্ষেত, পুকুর ও বসতবাড়ীর চারপাশে বেড়ার প্রধান উপকরণ হিসেবে এই ঢোল কলমি ব্যবহার করতেন। কেউ কেউ আবার কলমি গাছের সাথে নেট ও বাঁশের চটা ব্যবহার করে বেড়াকে শক্তিশালী করতেন।

অনেকেই অতিরিক্ত অংশ রান্নার কাজে জ্বালানী হিসেবে ব্যবহার করেছে। ঢোল কলমির বীজ ও পাতায় বিষাক্ত উপাদান থাকে এবং তেতো স্বাদের সাদা কষ থাকায় এর পাতা গরু, ছাগল ও মহিষ খায় না। তাই বেড়া হিসেবে এটা ব্যবহারের চাহিদা অনেক বেশি। ঢোল কলমি খরা ও বন্যায় সহনীয় বলে প্রতিকূল পরিবেশেও টিকে থাকতে সক্ষম।

গত ৯০ দশকে পোকার ভয়ে এ গাছ ধ্বংস করার একটা হিড়িক পড়ে গিয়েছিল। দেশ জুড়ে ভয়ংকর আতঙ্ক ছড়িয়েছিল ঢোল কলমি গাছে থাকা এক ধরনের পোকা। গুজব রটে যায়, এই পোকা এতটাই ভয়ংকর যে, কামড় দিলে মৃত্যু অবধারিত, এমন কি স্পর্শ লাগলেও জীবন বিপন্ন হতে পারে। এইসব খবর রেডিও, টিভি, পত্রিকায় মহামারীর মৃত্যুর খবরের মত কবে ক’জন মরলো ক’জন হাসপাতালে গেল সে রকম ভাবে প্রচারিত হয়েছিল মাসজুড়ে।

সারাদেশে সাধারণ মানুষ গণহারে, এমনকি স্থানীয় অনেক সংগঠন ঢোল কলমি গাছ কেটে সাবার করেছিলো। এই বিদঘুটে নামের পোকাটি যে ত্রাস সৃষ্টি করেছিলো আমাদের এই দেশে, তার জুড়ি মেলা ভার! শুধু গ্রামে না, ঢোল কলমি পোকার আতঙ্ক ছড়িয়ে গিয়েছিলো খোদ রাজধানী ঢাকা শহরেও। এটা নাকি খুব বিষাক্ত এক পোকা, যার সংস্পর্শে আসলেই নির্ঘাত মৃত্যু। আতঙ্ক এই পর্যায়ে পৌঁছেছিলো যে, ছোট বড় সবাই তটস্ত থাকতো কখন যেনো কি হয়।

আতংক যখন চরম পর্যায়ে তখন টিভিতে একজন বিশেষজ্ঞ পোকাটি ধরে এনে নিজের হাতের ওপর ছেড়ে দিয়ে হাটিয়ে, তারপর হাত দিয়ে পিষে মেরে দেখিয়ে প্রমাণ করেছিলেন যে এটি আসলে খুবই নিরীহ একটি কীট, মোটেও প্রাণ সংহারি নয়। এরপর থেকেই আতঙ্ক কেটে যায়।

নদী তীর, খালপাড়ের মাটিকে শক্ত করে ধরে রাখা, ভূমি ক্ষয় রোধ, ভাঙনরোধে ঢোলকলমি গাছের গুরুত্বপূর্ণ অনেক ভূমিকা রয়েছে। ঢোলকলমি ফুল সারা বছরই ফুটে থাকে। তবে বর্ষার শেষ ভাগ থেকে শরৎ-শীতে প্রস্ফুটনের জোয়ার থাকে বেশি। একটি মঞ্জরিতে ৪-৮টি ফুল থাকে। ফানেলাকার আকৃতির ফুল। পাঁচটি হালকা বেগুনি বা হালকা গোলাপি পাপড়ি। ফুলে মধুর জন্য কালো ভোমরা আসে।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar