1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘরে বদলে যাচ্ছে আশ্রয়হীনদের জীবন - bdtelegraph24.com
বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:২৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
লোহাগাড়ায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ: ইনসাফ রেস্টুরেন্টকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা জকসুর উদ্যোগে চালু হলো রক্তদাতা খোঁজার অ্যাপ ‘JnURedDrop’ নতুন পে-স্কেলেই বেতন পাবেন এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা: শিক্ষা সচিব ঢাবির শেখ মুজিবুর রহমান হলের গেট থেকে ‘শহীদ ওসমান হাদি’ নাম অপসারণ উজ্জয়িনীর শাহী মসজিদ: ৬৩৬ বছরের পুরনো স্থাপনা ও রাস্তা সম্প্রসারণ নিয়ে বিতর্ক শৈলকুপায় ভেজাল সয়াবিন তেল বিক্রির দায়ে ব্যবসায়ীকে জরিমানা রংপুরে বাড়িতে নকল সয়াবিন তেল তৈরির কারখানা, ব্যবসায়ীকে কারাদণ্ড শরীয়তপুরে ৩ আইনজীবীকে মারধর ও চেম্বার ভাঙচুর, অভিযুক্ত বিএনপি ইরাক থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার হলেও তেল আয়ের নিয়ন্ত্রণে ওয়াশিংটন ফেনী সফর: দেড় হাজার কোটি টাকার প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘরে বদলে যাচ্ছে আশ্রয়হীনদের জীবন

  • সর্বশেষ আপডেট : শুক্রবার, ১৫ জুলাই, ২০২২
  • ২২৯ জন খবরটি পড়েছেন

মোঃ নাজমুল ইসলাম সবুজ বাগেরহাট প্রতিনিধি।।

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

পল্লী কবি জসীম উদদীনের সেই বিখ্যাত উক্তি ‘আসমানীরে দেখতে যদি তোমরা সবে চাও, রহিমুদ্দীর ছোট্ট বাড়ি রসুলপুরে যাও। বাড়ি তো নয় পাখির বাসা-ভেন্না পাতার ছানি,একটুখানি বৃষ্টি হলেই গড়িয়ে পড়ে পানি’।

কবির সেই আসমানীরা এখন নিজের ঠিকানা পেয়ে স্বাবলম্বী হতে শুরু করেছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দাদের জীবন-মানের এই পরিবর্তন শুরু হয়েছে মোংলায়।

সরেজমিনে মোংলা উপজেলার মাকোরঢোন ও নারিকেলতলা আশ্রয়ণ প্রকল্পে দেখা গেছে, সময়ের সাথে এখন বদলেছে ছিন্নমূল মানুষের যাপিত জীবন। কবির ওই ভেন্না পাতার ছাউনি থেকে তারা এখন বসবাস করছে রঙিন টিন আর পাকা দেয়ালের আধাপাকা বাড়িতে। সেই বাড়িতেই করছেন শাক-সবজির আবাদ। কেউবা করছে হাঁস মুরগি-ছাগল-গরু পালন। সন্তানদের পাঠাচ্ছে স্কুলে। বসতির দুশ্চিন্তা ছেড়ে নিশ্চিন্ত মনে কাজ করে এগিয়ে নিচ্ছে সংসার। সংসারে এসেছে অর্থনৈতিক স্বচ্ছলতা। বসবাসের জন্য সরকারের দেওয়া এই সুবিধাটি পেয়ে খুশি আশ্রয়হীন মানুষগুলো।

আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দারা গঠন করেছে সমবায় সমিতি। জেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসনের নিয়মিত তদারকিতে ক্রমেই সময়ের সঙ্গে সঙ্গে উন্নয়নের নানা দিকে এগিয়ে যাচ্ছে আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দারা।

প্রকল্পে প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর পাওয়া আকলিমা, জাফর হাওলাদার, শুকুরসহ আরো অনেকেই জানান, কিছু দিন আগেও ভাবিনি নিজের ভালো একটা ঠিকানা হবে। এখন সেটি হয়েছে, বাচ্চাদের স্কুলে পাঠাতে পারছি। নিজের হাঁস-মুরগি পালনসহ নানা কাজ করার সুযোগ পেয়েছি- সত্যিই এটা স্বপ্নের। এমনটি হবে ভাবিনি, সৃষ্টিকর্তার কাছে হাসিনার জন্য দোয়া করি।

আশ্রয়ন প্রকল্পের বাসিন্দা মিলন জানান,  প্রশাসন এতো বার আমাদের খবর নিবে আমরা ভাবতেও পারেনি। আমরা প্রধানমন্ত্রীর কাছে চিরকৃতজ্ঞ।  

চাঁদপাই ইউপি চেয়ারম্যান মোল্লা তারিকুল ইসলাম বলেন, হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি স্বাধীনতার মহানায়ক জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মুজিববর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে হতদরিদ্র যাদের বসবাসের কোন ঠিকানা ছিল না, তাদের স্থায়ী আশ্রয়ের ব্যবস্থা করেছেন। এটা সত্যিই বিস্ময়কর। ওই মানুষগুলো তাদের ভাগ্যে চাকা নতুনভাবে ঘুরাতে শুরু করেছে।

মোংলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কমলেশ মজুমদার জানান, আশ্রয়ন প্রকল্পের বাসিন্দারা তাদের জীবন মান উন্নয়নে নিজেরাই এগিয়ে এসেছে, আমরা সরকারের পক্ষ থেকে তাদের সহযোগিতা করছি। এই প্রকল্প পৃথিবীতে একটি রোল মডেল। কারণ এভাবে কোন দেশে আশ্রয়হীনদের জন্য সরকারিভাবে নিরাপত ছাদ তৈরি করা হয়নি।

ভুমিহীনদের পূর্নবাসন করা প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন। সেই স্বপ্ন বাস্তবায়ন করা আমাদের সবার পবিত্র দায়িত্ব আশ্রয়ণে বসবাসরত ভূমিহীনরা প্রধানমন্ত্রীর মেহমান। এই মেহমানদের পাশে আছে সংসদ সদস্যসহ আমরা।

তিনি আরো বলেন, স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের সমন্বয়ে যোগ্যদের চিহ্নিত করে ঘর দেওয়া হয়েছে।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar