1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
ঝিকরগাছায় প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ের গাছ বিক্রির অভিযোগ - bdtelegraph24.com
সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৫৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কালিয়াকৈরে কলোনিতে অগ্নিকাণ্ড: ৮ কক্ষের মালামাল পুড়ে ছাই কুষ্টিয়ায় লালন মাজার এলাকায় হামলার শিকার নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ভূমিহীনদের চাকরি না দেওয়ার বিধান কোথায়, প্রশ্ন শিক্ষামন্ত্রীর চাকরিপ্রার্থীর ভেরিফিকেশনে বাধা: জমিহীন তরুণকে জমি দিলেন হিন্দু প্রতিবেশী ডিমের কুসুম খেলে কি হার্টের ঝুঁকি বাড়ে? যা বলছেন বিশেষজ্ঞ পাকিস্তানি নারী এজেন্টের সঙ্গে তথ্য পাচার: ভারতীয় নৌবাহিনীর নাবিক গ্রেপ্তার ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বাড়ল ২৫২ টাকা যানজট নিরসনে বৃত্তাকার সড়ক নির্মাণকাজের গতি বাড়ানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর অক্টোবরের বেতনের সঙ্গে ৩ মাসের বকেয়া পাবেন সরকারি চাকরিজীবীরা ঢাকা জেলায় সাব-রেজিস্ট্রার বদলি হবে লটারির মাধ্যমে

ঝিকরগাছায় প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ের গাছ বিক্রির অভিযোগ

  • সর্বশেষ আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১১ মে, ২০২৩
  • ২২৭ জন খবরটি পড়েছেন

তরিকুল ইসলাম,ঝিকরগাছা (যশোর)॥

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার শংকরপুর ইউনিয়নের জগদানন্দকাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হামিদা খাতুনের বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ের গাছ বিক্রির অভিযোগ উঠেছে।

বুধবার সকালে গাছ কর্তনের পর উঠিয়ে নিয়ে যাওয়ারপূর্ব মুহুর্তে স্থানীয় এলাকাবাসির তোপের মূখে একই গ্রামের কাঠ ব্যবসায়ী সিরাজুল ইসলাম কর্তনকৃত গাছ নিয়ে যেতে পারেননি।

জানাগেছে, এলাকাবাসির অভিযোগ, বিদ্যালয়ের প্র্রধান শিক্ষক হামিদা খাতুন শিক্ষা অধিদপ্তরের কোন অনুমতি ছাড়াই বিদ্যালয়ের ২টি মেহগনি গাছ জগদানন্দকাটি গ্রামের কাঠব্যাপারি সিরাজুল ইসলামের কাছে ৪০ হাজার টাকায় বিক্রি করে। বুধবার সকালে কয়েকজন কাঠুরিয়া এসে বিক্রিত গাছ কর্তন শুরু করে। এসময় এলাকাবাসী টেরপেয়ে গাছ কর্তনে বাধা প্রদান করে। এসময় এলাকাবাসীর তোপের মূখে পড়ে ওই প্রধান শিক্ষক। ফলে গাছ কর্তন বন্ধ করে দেয়। সংশ্লিষ্ট বিভাগের অনুমতি ছাড়াই গাছ কর্তনের ঘটনায় স্থানীয়দের মাঝে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে।

বিষয়টি জানতে চাইলে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হামিদা খাতুন গাছ বিক্রির ব্যাপারে যা কিছু করার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাহেব করেছেন। এ ব্যাপারে তার কিছুই জানানেই।

বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি আরশাদ আলী বলেন, গাছ বিক্রির ব্যাপারে তিনি কিছুই জানেননা। তবে গাছ কাটার সময় স্থানীয়রা ঝামেলা করলে প্রধান শিক্ষক তার কাছে ফোন দিয়ে বিষয়টি জানিয়েছেন। তখন গাছ কর্তনের লিখিত অনুমতি না থাকলে কাটা বন্ধ করে দেয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন।

ইউপি চেয়ারম্যান গোবিন্দ্য চ্যাটার্জী বলেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মৌখিক অনুমতিতে মাঠে পড়ে থাকা গাছগুলি অপসারন করা হচ্ছিল। বিক্রি করা হয়নি।

এ ব্যাপারে জানতে কাঠ ব্যাপারী সিরাজুল ইসলাম বলেন, গাছগুলি তিনি প্রথমে ক্রয় করেছিলেন। কিন্তু কাটারপর একটু ঝামেলা হওয়ায় বিক্রির সিদ্ধান্ত পরিবর্তন হয়েছে। বর্তমানে গাছগুলি কেটে ইউনিয়ন পরিষদে রেখে দিতে বলেছেন ইউপি চেয়ারম্যান গোবিন্দ্য চ্যাটার্জী বলে তিনি জানিয়েছেন।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar