1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  4. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  5. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
চার লাখ মানুষের স্বাস্থ্যসেবায় মাত্র পাঁচ চিকিৎসক - বিডিটেলিগ্রাফ | Bangla News Portal, Latest Bangla News, Breaking, Stories and Videos
শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫, ০৭:০২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় লন্ডনে নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে পরিবার টসে জিতে ফিল্ডিং নিল আয়ারল্যান্ড এসএসসি পাসে সেনাবাহিনীতে সৈনিক নিয়োগ: বেতন ও সুযোগ-সুবিধা কেমন, জেনে নিন আবেদন প্রক্রিয়া ঢাবিতে ৩০ নভেম্বর থেকে অনলাইন ক্লাস, ক্ষতিগ্রস্ত ভবনের সংস্কার কাজ চলবে খালেদা জিয়ার জন্য প্রস্তুত এয়ার অ্যাম্বুলেন্স Rockstar–এর নিষেধাজ্ঞায় ক্ষুব্ধ Teuf: ‘১৩ মাসের পরিশ্রমে তৈরি জাদুর দুনিয়া এক ঝটকায় উধাও’ “খালেদা জিয়া যেন হাসিনার ফাঁসি কার্যকর দেখে যেতে পারেন”: হাসনাত আব্দুল্লাহ গোবিপ্রবি শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে “ফ্রি র‍্যাবিস ভ্যাকসিনেশন ক্যাম্পেইন ২০২৫” অনুষ্ঠিত মায়ের অবস্থা ‘সংকটজনক’: তারেক রহমান সিসিইউতে খালেদা জিয়া; গভীর রাতে হাসপাতালে আইন উপদেষ্টা

চার লাখ মানুষের স্বাস্থ্যসেবায় মাত্র পাঁচ চিকিৎসক

  • সর্বশেষ আপডেট : শনিবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৪
  • ১২৫ জন খবরটি পড়েছেন

যশোরের শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি যন্ত্রপাতি, চিকিৎসক সহ নানা সংকটে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলছে । এ হাসপাতালে ২২ জন চিকিৎসক থাকার কথা থাকলেও রয়েছেন মাত্র ৭ জন। এরমধ্যে আবার একজন বেনাপোল ইমিগ্রেশন চেকপোস্টে এবং আরেকজন যশোর জেলা সিভিল সার্জন অফিসে দায়িত্বে রয়েছেন।

এছাড়াও সার্জারি যন্ত্রপাতির অপ্রতুলতা, অপরিচ্ছন্নতা, ওয়ার্ডে পানি ও বিদ্যুতের সমস্যা, ময়লা ও দুর্গন্ধযুক্ত বাথরুমসহ নানা সমস্যা রয়েছে হাসপাতালটিতে। দীর্ঘদিন বন্ধ রয়েছে প্রায় দু’কোটি টাকা মূল্যের দুটি অপারেশন থিয়েটার।

জানা যায়, ১৯৬২ সালে নির্মিত হয় এ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি। উপজেলার ১১ ইউনিয়ন, একটি পৌরসভা ও বেনাপোল স্থলবন্দরের অন্তত চার লাখ মানুষের স্বাস্থ্যসেবার একমাত্র সরকারি হাসপাতাল এটি। ২০১৫ সালের ৩ মার্চ ৩১ শয্যার হাসপাতালটি ৫০ শয্যায় উন্নীত হলেও সেবার মান বাড়েনি। দেওয়া হয়নি চাহিদামতো জনবল।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, হাসপাতালে ২২টি মেডিকেল কর্মকর্তার পদ থাকলেও খাতা-কলমে রয়েছেন ৭ জন। হাসপাতালে কর্মরত রয়েছেন ৫ জন। বাকি ২ জন অন্যত্র ডিউটিতে থাকেন। তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী থাকার কথা ৭৭ জন। সেখানে মাত্র ৩৫ জন কাজ করছেন। ২২ জন চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী থাকার কথা থাকলেও আছেন ১০ জন।

হাসপাতালটিতে প্রতিদিন তিন শতাধিক রোগী চিকিৎসা সেবা নিতে আসেন। ভর্তি হন ৩৫-৪০ জন। চিকিৎসা দিতে না পারায় বেশিরভাগ রোগীকে উন্নত চিকিৎসার কথা বলে জেলা হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়।

এদিকে হাসপাতালের একমাত্র এক্স-রে মেশিনটি মাঝেমধ্যে ঠিক হলেও ফিল্ম থাকে না। দুটি অপারেশন থিয়েটার থাকলেও চিকিৎসকের অভাবে অব্যবহৃত পড়ে থাকে বছরের পর বছর। প্যাথলজি বিভাগ থাকার পরও পরীক্ষা-নীরিক্ষার জন্য রোগীদের বাইরের ক্লিনিকে পাঠানো হয়।

হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা উপজেলার লক্ষণপুর গ্রামের জাহানারা খাতুন জানান, জরুরি বিভাগ থেকে ডাক্তার কয়েকটি পরীক্ষা দিয়েছেন। সেগুলো বাইরে থেকে করিয়ে আনতে বলেন। আমরা গরিব মানুষ। টাকা দিয়ে বাইরে থেকে টেস্ট করানোর অবস্থা নেই। হাসপাতালে যন্ত্রপাতি ও ডাক্তার থাকলে আমাদের খুবই উপকার হতো।

এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার মাহফুজা খাতুন জানান, হাসপাতালটি ৫০ শয্যায় উন্নীত করা হলেও প্রয়োজনীয় জনবল বাড়ানো হয়নি। হাসপাতালে চিকিৎসক, তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির জনবল সংকট রয়েছে। জরুরি ভিত্তিতে শূন্য পদে জনবল পূরণ হলে চিকিৎসা সেবা দেওয়া সম্ভব।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews