উপজেলা প্রতিনিধি
রবিবার (৩০ আগস্ট), রাত ৯টা ০২ মিনিট
দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।
যশোরের মণিরামপুর উপজেলার শিরালি মদনপুর গ্রামে পুষ্পা দাস (৪৫) নামের এক গৃহবধূকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার পুত্রবধূ ও বেয়াইনের বিরুদ্ধে। শনিবার (২৯ আগস্ট) রাতে এ ঘটনার পর নিহতের ছেলে হৃদয় দাসের অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্ত মিতা দাস ও সুনীতা দাসকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ।
নিহতের ছেলে হৃদয় দাস জানান, শনিবার বিকেলে তিনি ভ্যান চালাতে বাইরে যান। রাতে খবর পান তার মা বেঁচে নেই। বাড়িতে ফিরে তিনি মায়ের থুতনির নিচে কাটা দাগ ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন দেখতে পান। তিনি অভিযোগ করেন, তার স্ত্রী মিতা দাস ও শাশুড়ি সুনীতা দাস মিলে তার মাকে পিটিয়ে হত্যা করেছেন।
হৃদয় দাস বলেন, “শাশুড়ি এর আগেও একাধিকবার আমাদের বাড়িতে এসে মার সাথে ঝগড়া করেছে এবং তাকে মারপিট করেছে। শনিবার রাতে বউ ও শাশুড়ি মিলে আমার মাকে পিটিয়ে মেরেছে। আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই।”
ঘটনার পর অভিযুক্ত সুনীতা দাস দাবি করেন, শনিবার সন্ধ্যায় তিনি ও তার মেয়ে দোকানে গিয়েছিলেন। ফিরে এসে দেখেন পুষ্পা দাস বারান্দায় মৃত অবস্থায় পড়ে আছেন।
মণিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু সাঈদ জানান, নিহতের শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করা হয়েছে।
ওসি আরও বলেন, “অভিযুক্ত মিতা দাস ও সুনীতা দাস পুলিশি হেফাজতে রয়েছে। নিহতের ছেলের দাবির মুখে আমরা এজাহার গ্রহণ করছি।”