1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
জুলাই অভ্যুত্থানকারীদের দায়মুক্তির অধ্যাদেশ জারি - bdtelegraph24.com
বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৪১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
লোহাগাড়ায় রাতের আঁধারে পাহাড় কেটে মাটি পাচার, অতিষ্ঠ এলাকাবাসী চট্টগ্রামের মানুষ আগে জান্নাতে যাবে: ওয়াজে আতাউল বারীর বক্তব্য নিয়ে বিতর্ক মাগুরায় ২৩৫ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারে বিদ্যুৎ বিল ৫০৬ কোটি ৮৩ লাখ ১১ হাজার ৫৯৩ টাকা রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ, আলোচনা করলেন সাম্প্রতিক সফর নিয়ে বাঘারপাড়ায় ইউসিবির ‘কিউআর’ বিষয়ক মতবিনিময় সভা খুঁটির সঙ্গে বাঁধা বাবাকে খাওয়ানো সেই শিশুর দায়িত্ব নিল উজিরপুর প্রশাসন সন্ত্রাস-নৈরাজ্যের প্রতিবাদে গাজীপুর মহানগর বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল ইসরায়েলকে সমর্থন করে যুক্তরাষ্ট্র নিজের আধিপত্যই ক্ষয় করছে: গেগরি জে সিমনস টঙ্গীতে গাঁজাসহ নারী মাদক কারবারি গ্রেপ্তার বিশ্ব নদী দিবস উপলক্ষ্যে শ্যামনগরে র‍্যালি, নদী, খাল পরিচ্ছন্নতা অভিযান

জুলাই অভ্যুত্থানকারীদের দায়মুক্তির অধ্যাদেশ জারি

  • সর্বশেষ আপডেট : সোমবার, ২৬ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ১১৯ জন খবরটি পড়েছেন

টেলিগ্রাফ ডেস্ক | ২০২৪ সালের জুলাই–আগস্টে সংঘটিত গণ-অভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া ব্যক্তি ও গোষ্ঠীর জন্য আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এবং তাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাগুলো প্রত্যাহারের লক্ষ্যে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান (সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ) অধ্যাদেশ, ২০২৬’ জারি করেছে সরকার।

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

সোমবার (২৬ জানুয়ারি) আইন মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা জানান, আগের দিন রোববার আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের লেজিস্লেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ থেকে এ অধ্যাদেশের গেজেট প্রকাশ করা হয়।

অধ্যাদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, এটি ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান (সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ) অধ্যাদেশ, ২০২৬’ নামে পরিচিত হবে। এতে ২০২৪ সালের ১ জুলাই থেকে শুরু হওয়া আন্দোলনের পক্ষে অংশ নেওয়া ছাত্র ও সাধারণ জনগণকে ‘গণঅভ্যুত্থানকারী’ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং ফ্যাসিস্ট শাসনের অবসান ঘটানোর লক্ষ্যে পরিচালিত এ আন্দোলনে অংশগ্রহণকারীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা সব দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলা প্রত্যাহারের বিধান রাখা হয়েছে বলে সেখানে উল্লেখ করা হয়।

অধ্যাদেশ অনুযায়ী, সরকার কর্তৃক প্রত্যয়ন পাওয়া গেলে গণঅভ্যুত্থানকারীদের বিরুদ্ধে চলমান যেকোনো মামলা বা আইনি কার্যক্রম পাবলিক প্রসিকিউটরের আবেদনের পর আদালত তাৎক্ষণিকভাবে প্রত্যাহার করবে এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে অব্যাহতি বা খালাস দেবে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের নতুন মামলা দায়েরের সুযোগও বন্ধ রাখা হয়েছে।

এতে ‘রাজনৈতিক প্রতিরোধ’ এবং ‘বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির অপরাধমূলক অপব্যবহার’-এর মধ্যে স্পষ্ট বিভাজন করা হয়েছে। কোনো হত্যাকাণ্ডের অভিযোগ উঠলে তা জাতীয় মানবাধিকার কমিশনে দাখিল করতে হবে। কমিশনের তদন্তে প্রমাণিত হওয়ার পর ঘটনাটি রাজনৈতিক প্রতিরোধের অংশ হলে মামলা চলবে না; তবে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ সরকারকে দেওয়া যেতে পারে।

বিপরীতে, ব্যক্তিগত স্বার্থে সংঘটিত অপরাধ প্রমাণিত হলে আদালতে প্রতিবেদন পাঠিয়ে আইনগত প্রক্রিয়া চালুর ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

সংবিধানের ৯৩(১) অনুচ্ছেদের ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি এই অধ্যাদেশ জারি করেন। সংসদ ভেঙে থাকায় এবং জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত পদক্ষেপের প্রয়োজন বিবেচনায় এ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

অধ্যাদেশটি ২০২৪ সালের ১ জুলাই থেকে কার্যকর বলে গণ্য হবে এবং অন্যান্য আইনের ওপর এর প্রাধান্য থাকবে।

#আরএ

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar