1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
টেকনাফ উপকূলে ৩১৪ কাছিমের বাচ্চা সাগরে অবমুক্ত - bdtelegraph24.com
মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:১০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
টাকার অভাবে ভর্তি অনিশ্চিত মেধাবী বিথীর পাশে ছাত্রদল নেতা পাবনার ফরিদপুরে দেশীয় অস্ত্র ও ১৫ রাউন্ড তাজা গুলি উদ্ধার বাঘাইছড়িতে ২ পিস্তল, গুলি ও বিপুল ভারতীয় সিগারেট উদ্ধার শেখ হাসিনার জন্মদিনে শুভেচ্ছা জানিয়ে মন্তব্য, জাবি ছাত্রশক্তি নেতাকে পুলিশে সোপর্দ চুনা ম্যানগ্রোভকে (ওইসিএম) হিসেবে স্বীকৃতির উদ্যোগে স্থানীয় জনগণের সম্মতি যশোরে ভেজাল শিশুখাদ্য বিক্রি: ইত্যাদি স্টোরকে ২ লাখ টাকা জরিমানা শিক্ষকরাই পারেন আলোকিত মানুষ গড়তে: এ্যাডভোকেট এ.কে.এম সেলিম রেজা এমপি রাষ্ট্রপতির পুলিশ পদক পেলেন এসআই অসিত কুমার বসাক সরকারি দেবেন্দ্র কলেজে দিনব্যাপী প্রাথমিক চিকিৎসা কর্মশালা অনুষ্ঠিত বাজেট সংকটে ৪ বছরেও শুরু হয়নি জবির প্রধান ফটক সংস্কার কাজ

টেকনাফ উপকূলে ৩১৪ কাছিমের বাচ্চা সাগরে অবমুক্ত

  • সর্বশেষ আপডেট : সোমবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১৩৭ জন খবরটি পড়েছেন

কক্সবাজার প্রতিনিধি।

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

কক্সবাজারের টেকনাফ উপকূলে ৩১৪টি সামুদ্রিক কাছিমের বাচ্চা সাগরে অবমুক্ত করা হয়েছে। শনিবার ও রোববার সকালে পর্যায়ক্রমে এসব বাচ্চা কাছিম সমুদ্রে ছাড়া হয় বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

কোডেক সংস্থার টেকনাফ-উখিয়া অঞ্চলের রিসার্চ ফ্যাসিলিটেটর কর্মকর্তা মো. লিয়াকত আলী জানান, ‘কমিউনিটি লেড টার্টল কনজারভেশন’ প্রকল্পের আওতায় এই কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। উপকূলের মাদারবুনিয়া ও ছেফটখালী হ্যাচারি থেকে বাচ্চাগুলো সংগ্রহ করে সাগরে অবমুক্ত করা হয়।

তিনি বলেন, স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণে পরিচালিত এই উদ্যোগ সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। প্রকল্পের আওতায় মা কাছিমের ডিম সংগ্রহ করে নিরাপদ পরিবেশে সংরক্ষণ করা হয় এবং নির্দিষ্ট সময় পর সেখান থেকে বাচ্চা ফুটিয়ে সাগরে ছেড়ে দেওয়া হয়।

প্রকল্পের তথ্য অনুযায়ী, এ পর্যন্ত মোট ১৫ হাজার ৩০৮টি কাছিমের ডিম সংগ্রহ করা হয়েছে। এর মধ্যে সফলভাবে ৪ হাজার ৪৬৯টি বাচ্চা সাগরে অবমুক্ত করা হয়েছে।

শামলাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এমএ মঞ্জুর বলেন, সামুদ্রিক কাছিম একটি বিপন্ন প্রজাতি এবং এদের সংরক্ষণে এ ধরনের উদ্যোগ উপকূলীয় পরিবেশ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

সচেতন মহল মনে করছে, সরকারি-বেসরকারি সমন্বিত উদ্যোগ এবং স্থানীয় জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে সামুদ্রিক কাছিমের সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে এবং উপকূলীয় জীববৈচিত্র্য আরও সমৃদ্ধ হবে।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar