নিউজ ডেস্ক
২৯ আগস্ট ২০২৬, সন্ধ্যা ৭টা ৪৫ মিনিট
দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।
আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস সামনে রেখে গুমের প্রতিটি ঘটনার ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। আজ বৃহস্পতিবার (২৯ আগস্ট) বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।
চিফ প্রসিকিউটর বলেন, বিগত ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে অসংখ্য মানুষ গুম ও খুনের শিকার হয়েছেন। যারা এখন পর্যন্ত নিখোঁজ স্বজনদের সন্ধান পাননি, তাদের প্রতি তিনি সমবেদনা জানান।
মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, “আমরা এই প্রতিশ্রুতি দিতে চাই যে, প্রত্যেকটি গুমের ঘটনার ন্যায়বিচার আমরা নিশ্চিত করবো। গুমের মতো অপরাধের সঙ্গে যারা সম্পৃক্ত, তাদের আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে আর কেউ গুমের শিকার না হন। গুমের মতো মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় যারা দোষী সাব্যস্ত হবেন, আমরা তাদের মৃত্যুদণ্ড প্রার্থনা করবো।”
তিনি আরও বলেন, সমাজের যত প্রভাবশালী ব্যক্তিই হোক না কেন, কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। গুমের অভিযোগে যাদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়া যাবে, তাদেরই বিচারের সম্মুখীন করা হবে।
বিচার কার্যক্রম ও তদন্তের অগ্রগতি
চিফ প্রসিকিউটর জানান, গুমের অভিযোগে প্রায় ২৫০টি পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ এসেছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, এ বছরের মধ্যেই এসব অভিযোগের তদন্ত শেষ করে অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনা সম্ভব হবে।
তিনি আরও বলেন, “স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদকে গুমের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় বরখাস্ত মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসানকে গ্রেফতার দেখিয়ে ট্রাইব্যুনাল কারাগারে পাঠিয়েছে। এছাড়া ব্রিগেডিয়ার আযমী, ব্যারিস্টার আরমান ও বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলীকে গুমের বিচার কার্যক্রম চলছে।”
উল্লেখ্য, জাতিসংঘের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী গুমের শিকার ব্যক্তিদের স্মরণ ও তাদের পরিবারের প্রতি সংহতি জানাতে ২০১১ সাল থেকে প্রতি বছর ৩০ আগস্ট আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস পালিত হয়ে আসছে।