প্রিন্স মন্ডল অলিফ, বাগেরহাট জেলা প্রতিনিধি
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর), রাত ১০টা ২০ মিনিট
দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।
সুন্দরবন ও উপকূলীয় এলাকায় অপরাধ দমন এবং নৌপথের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী ও সরকারি সংস্থার মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। দস্যুতা, চোরাচালান, অবৈধ অস্ত্রের অনুপ্রবেশ, বন্যপ্রাণী শিকার ও বনজ সম্পদ পাচার ঠেকাতে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো যৌথভাবে কাজ করবে। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) মোংলায় বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড পশ্চিম জোনের উদ্যোগে আয়োজিত এক সমন্বয় সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সভায় নৌবাহিনী, র্যাব, পুলিশ, জেলা প্রশাসন, মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ, বন বিভাগ এবং মৎস্য বিভাগের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। সভায় উপকূলীয় নৌপথের নিরাপত্তা পরিস্থিতি, সুন্দরবনে চলাচলকারী নৌযানের নিরাপত্তা এবং মৎস্য ও বনজ সম্পদ রক্ষার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
বিশেষ করে সুন্দরবনে যাতায়াতকারী পর্যটকবাহী জাহাজ এবং অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক রুটে চলাচল করা লাইটার ও কোস্টার জাহাজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। সভায় নোঙর করা অবস্থায় নৌযানে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়। সংশ্লিষ্টদের মতে, পর্যাপ্ত আলোকসজ্জা থাকলে নৌযানের আশপাশে অপরাধীদের সন্দেহজনক তৎপরতা শনাক্ত করা সহজ হবে।
যৌথ টহল ও নজরদারি বৃদ্ধি
সভায় সমুদ্রে মাছ ধরার ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞা কার্যকর রাখতে নজরদারি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। একই সঙ্গে সুন্দরবনে বন্যপ্রাণী শিকার ও বনজ সম্পদ পাচার বন্ধে বন বিভাগ ও কোস্ট গার্ডের যৌথ টহল আরও কার্যকর করার কথা বলা হয়। উপকূলীয় এলাকায় অপরাধ নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন সংস্থার গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সমন্বিত অভিযান পরিচালনার বিষয়েও একমত হন কর্মকর্তারা।
সভায় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলেন, সুন্দরবন ও উপকূলীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা রক্ষায় আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রশাসন ও বন্দর কর্তৃপক্ষ নৌপথের নিরাপত্তায় নজরদারি অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দেয়।