1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
বাগেরহাটে জমির দলিল করতে গিয়ে ধরা পড়ল ৯ জাল দাখিলা, স্থগিত রেজিস্ট্রি - bdtelegraph24.com
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:২৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
অভয়নগরে সন্তানসহ নিখোঁজ গৃহবধূর সন্ধান মেলেনি ভাতাভোগী ও সঞ্জীবন প্রকল্পের আনসার ও ভিডিপি সদস্য-সদস্যাদের মাঝে ফলজ ও ঔষধি গাছের চাঁরা বিতরণ শ্যামনগরে বেল গাছ থেকে পড়ে এক ব্যবসায়ীর মৃত্যু গৌরীপুরে সকল প্রাচীন নিদর্শন তালিকাভুক্ত করার দাবিতে বিশ্ব পর্যটন দিবস পালিত বাঘারপাড়ায় এলজিইডির কর্মশালা অনুষ্ঠিত রাজশাহীতে বিএসটিআইয়ের অভিযান: রাজ বেকস লাইভ বেকারিকে জরিমানা বাগেরহাটে শিশু হত্যা: পানের বরজে মিলল বস্তাবন্দি মরদেহ, আটক ৩ পটুয়াখালীতে বঙ্গোপসাগরে ট্রলারডুবি: ১৫ জেলে উদ্ধার টানা ৫ দিন বৃষ্টির আভাস, কোথাও কোথাও ভারি বর্ষণের সম্ভাবনা জাতিসংঘ সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী

বাগেরহাটে জমির দলিল করতে গিয়ে ধরা পড়ল ৯ জাল দাখিলা, স্থগিত রেজিস্ট্রি

  • সর্বশেষ আপডেট : শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ১১ জন খবরটি পড়েছেন

প্রিন্স মন্ডল অলিফ, বাগেরহাট প্রতিনিধি
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) ২০২৬

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

বাগেরহাটের চিতলমারীতে জমির দলিল নিবন্ধনের সময় অনলাইন দাখিলা যাচাই করতে গিয়ে নয়টি দাখিলা জাল হিসেবে শনাক্ত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) চিতলমারী সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে দাখিলাগুলো শনাক্ত করেন সাব-রেজিস্ট্রার সমীর কর্মকার। পরে সংশ্লিষ্ট ১৫ শতক জমির দলিল নিবন্ধন স্থগিত করে নথির সব কাগজপত্র জব্দ করা হয়।

সাব-রেজিস্ট্রার সমীর কর্মকার জানান, দলিল লেখক মুন্সি দেলোয়ার হোসেন বোয়ালিয়া মৌজার ১৫ শতক জমির দলিল নিবন্ধনের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেন। কাগজপত্র যাচাইয়ের সময় অনলাইন দাখিলাগুলো বারকোডের মাধ্যমে পরীক্ষা করা হয়। এ সময় বারকোড দিয়ে সার্ভারে প্রবেশ করা না যাওয়ায় সন্দেহ হয়। পরে একে একে সব দাখিলা পরীক্ষা করলে জালিয়াতির বিষয়টি ধরা পড়ে।

সাব-রেজিস্ট্রার সমীর কর্মকার বলেন, “জাল দাখিলাগুলোতে অনলাইন দাখিলার তথ্য হুবহু নকল করা হয়েছে। তবে বারকোড তৈরির ক্ষেত্রে ‘মড়া’র পরিবর্তে ‘য়ড়া’ লেখা হয়েছে।”

তিনি জানান, খতিয়ান ৮৫৫, ৬৫৯, ৪৮৩, ৪২৩, ৩৭৫, ৫১, ৩৭১, ১৩১ ও ৬৫৮-এর দাখিলাগুলো যাচাই করা হয়। এর মধ্যে আটটি অনলাইন দাখিলা জাল হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে। এ ঘটনায় আগামী বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দলিল লেখক মুন্সি দেলোয়ার হোসেনের কাছে লিখিত জবাব চাওয়া হবে। তাঁর বক্তব্যের ভিত্তিতে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

দলিল লেখক মুন্সি দেলোয়ার হোসেন দাবি করেন, তাঁর সহকারী দলিল লেখক সুব্রত রায় দাখিলাগুলোসহ নথিটি তাঁকে দেন। সুব্রত রায় জানান, জমির দাতা শাকিরুল বেগম ও গ্রহীতা মো. মাসুম কাজী দলিল নিবন্ধনের জন্য কাগজপত্র তাঁদের দেন। গ্রহীতা মো. মাসুম কাজী জানান, জসিম নামের এক ব্যক্তির কাছ থেকে ১৬ হাজার টাকার বিনিময়ে তিনি ওই আটটি দাখিলা সংগ্রহ করেছিলেন।

সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য

দলিল লেখক সমিতির সভাপতি খান মনিরুজ্জামান বলেন, দাখিলা জালের ঘটনায় তাঁরা নিন্দা জানান এবং ঘটনায় জড়িতদের শাস্তির দাবি করেন। হিজলা ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা মো. আব্দুল ওহাব জানান, প্রায় ছয় মাস ধরে বোয়ালিয়া মৌজার খাজনা আদায় ও দাখিলা দেওয়া বন্ধ রয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) খাদিজা আক্তার বলেন, এ বিষয়ে তাঁকে কেউ কিছু জানাননি। তবে রেজিস্ট্রি অফিসে জাল দাখিলা দাখিলকারী ব্যক্তির বিরুদ্ধে সাব-রেজিস্ট্রার আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে পারেন।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar