জহুরুল হক, কুষ্টিয়া প্রতিনিধি
বৃহস্পতিবার (০১ অক্টোবর), ২০২৬
দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।
কুষ্টিয়া-মেহেরপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের মিরপুর উপজেলার সদরপুর এলাকায় শ্যামলী পরিবহনের একটি বাসের চাপায় ভানু খাতুন (৫৫) নামের এক নারী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় পাখিভ্যানের চালকসহ আরও দুইজন গুরুতর আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (০১ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে সদরপুর সিদ্দিকীয়া দাখিল মাদ্রাসার সামনে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত ভানু খাতুন কুষ্টিয়া সদর উপজেলার ভাদালিয়ার স্বস্তিপুর এলাকার হাসেম আলীর স্ত্রী। তিনি মিরপুরের নওদাআজমপুর এলাকায় মেয়ের শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে এসেছিলেন। সকালে মেয়ে ও জামাতার সঙ্গে পাখিভ্যানে করে খলিসাকুন্ডি বাজারে যাওয়ার পথে এই দুর্ঘটনার শিকার হন তিনি।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মাদ্রাসার সামনে পৌঁছালে পাখিভ্যানটির এক্সেল রড ভেঙে রাস্তায় পড়ে যায়। এসময় পেছন দিক থেকে আসা শ্যামলী পরিবহনের দ্রুতগামী বাসটি ভ্যানটিকে ধাক্কা দিলে ঘটনাস্থলেই ভানু খাতুনের মৃত্যু হয়।
সদরপুর সিদ্দিকীয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার শেখ মহিউদ্দিন আহম্মেদ বলেন, “সকাল সাড়ে ৯টার দিকে মাদ্রাসার সামনে পাখিভ্যানের এক্সেল ভেঙে গেলে পেছন থেকে আসা বাসটি ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই এক নারীর মৃত্যু হয়। মাদ্রাসার সামনে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার জন্য এখানে দ্রুত স্পিড ব্রেকার স্থাপন করা প্রয়োজন।”
মিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম বলেন, “সড়ক দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই এক নারী নিহত হয়েছেন। আহত দুজনকে উদ্ধার করে মিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। এর মধ্যে ভ্যানচালকের অবস্থার অবনতি হলে তাকে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।”
তিনি আরও জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।