লালমনিরহাট প্রতিনিধি।।
দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।
টানা পাঁচ বছর ধরে ভেঙ্গে পড়ে আছে জনসাধারনের চলাচলের একমাত্র সেতুটি। কিন্তু কর্তৃপক্ষ এব্যাপারে নেয়নি পদক্ষেপ। ফলে জনসাধারনের চলাচলে ভোগান্তি চরমে পৌছেছে। ২০১৭ সালে ভেঙ্গে পড়া সেতুটি পানির নীচে ডুবে থাকায় যানবাহন চলাতো দুরের কথা মানুষও হেঁটে পার হতে পারেনা।
লালমনিরহাটের কালীগঞ্জের তুষভান্ডার এলাকায় অবস্থিত এই ব্রীজটি বন্যার পানিতে ধ্বসে পড়ে। এতে কোমরপানি ডিঙিয়ে চলাচল করতে হয় স্থানীয়দের। দুইপাশের পাকা সড়ক থাকা সত্ত্বেও যান চলাচলের সুবিধা থেকে বঞ্চিত এলাকাবাসী। অসুস্থ রোগীদের হাসপাতালে নিতে ৬ থেকে ৭ কিলোমিটার ঘুরে বিকল্প সড়ক ব্যবহার করতে হয়। এতে প্রায়ই ঘটে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা।
মঙ্গলবার (০৯ আগস্ট) এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, নির্মাণের এক বছরেই মাটি ধসে পানির নিচে ডুবে আছে ওই সেতুটি। ক্ষতিগ্রস্ত ব্রিজের সংস্কার না হওয়ায় ৫ বছর ধরে চলাচলের ভোগান্তি পোহাচ্ছেন এলাকাবাসী। যানবাহন চলাচলের জন্য ব্যবহার করতে হয় ৬ কিলোমিটার দূরের বিকল্প সড়ক।
এলাকাবাসী আরও জানান, ২০১৭ সাল থেকে তারা খুবই কষ্টে আছেন। অনেক দূর থেকে ঘুরে গন্তব্যে পৌঁছাতে হয় ফলে তাদের ভাড়াও দ্বিগুণ হয়ে যায়। আর স্কুলগামী শিশুরা জানায়, ব্রিজ ভেঙে যাওয়ায় তাদের স্কুলে যেতে খুবই কষ্ট হয়।
এদিকে সমস্যা সমাধানে দ্রুত নতুন একটি ব্রিজ নির্মাণের কথা জানান কালীগঞ্জ উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. ফেরদৌস আহমেদ। তিনি বলেন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদফতরে আমরা এই ক্ষতিগ্রস্ত ব্রিজটির তালিকা সরেজমিনে পরিদর্শন করে পাঠিয়েছি।
কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আব্দুল মান্নান বলেন, মন্ত্রীর সুপারিশসহ আমরা মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছি, এমনকি সেখান থেকে পরিদর্শনও করে গেছে। ব্রিজের বরাদ্দ আমরা এখনও পাইনি, বরাদ্দ পেলে আমরা ব্রিজের কাজ শুরু করব।
দুর্যোগ, ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রণালয়ের আওতায় ২০১৬ সালে ৩০ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হয় পানিতে ডুবে থাকা এই ব্রিজটি।