1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
আকাশ ও সামিরাকে হারিয়ে বাঘারপাড়ার ভদ্রডাঙ্গা এখন শোকের গ্রাম - bdtelegraph24.com
বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৩৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
অভয়নগরে ভৈরব নদে নিখোঁজের ২১ ঘণ্টা পর শিশুর মরদেহ উদ্ধার বাবাকে খাওয়ানোর সেই তুবা ফিরল স্কুলে, পাশে উপজেলা প্রশাসন ধর্ষক আর কখনো মুক্তি পাবে না: ভুক্তভোগী শিশুকে বিচারকের আবেগঘন চিঠি মহেশপুরে ট্রাক্টরের ধাক্কায় ভ্যানচালক নিহত, আহত ২ সর্বশক্তি দিয়ে আইনের সমান প্রয়োগ নিশ্চিত করবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী বাঘারপাড়ায় নাশকতা মামলায় আওয়ামী লীগের ৭ নেতা-কর্মী আটক দৌলতপুরে কৃষক কার্ডের দ্বিতীয় ধাপের পাইলটিং উদ্বোধন: ১,৭৬৯ কৃষক পেলেন সহায়তা কুষ্টিয়ায় বাস চাপায় নারী নিহত, আহত ২ মোংলায় র‍্যালি ও আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস পালিত লোহাগাড়ায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ: ইনসাফ রেস্টুরেন্টকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা

আকাশ ও সামিরাকে হারিয়ে বাঘারপাড়ার ভদ্রডাঙ্গা এখন শোকের গ্রাম

  • সর্বশেষ আপডেট : শুক্রবার, ১৯ আগস্ট, ২০২২
  • ২৬৮ জন খবরটি পড়েছেন

বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক।।

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

‘আমার সোনা আর স্কুলে যাবে না রে…। স্কুল থেকে ফিরে এসে মা বলে আর ডাকবে না রে…। ওরে আল্লা রে…তুমি আমার সন্তানরে আমার বুকে ফিরিয়ে দেও রে…। আল্লা আমি কি পাপ করছিলাম! আমার বাচ্চা দুটো মরে (বিদ্যুৎস্পৃষ্টে) গেল। আমি কি নিয়ে বাঁচবো, আমার সব শেষ হয়ে গেল রে…। ওদের জায়গায় আমারে নিতে পারলে না কেন রে…!’ 

বারবার মুর্ছা যেতে যেতে এভাবেই কথাগুলো বলছিলেন যশোরের খাজুরায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে নিহত আকাশ ও সামিরার মা সেফালি খাতুন। 

শুক্রবার (১৯ আগস্ট) স্থানীয় রায়পুর ইউনিয়নের ভদ্রডাঙ্গা গ্রামে ছব্বারের মোড়ে তাদের নির্মাণাধীন বাড়ির ছাদে এ ঘটনা ঘটে। 

নিহতের স্বজনরা জানান, কবির হোসেন গ্রামে ছব্বারের মোড়ে একটি বাড়ি নির্মাণ করছেন। গত বুধবার সপরিবারে গ্রামের বাড়িতে আসেন তিনি। শুক্রবার সকাল ১০টায় আকাশ ও সামিরা দুই ভাইবোন নির্মাণাধীন ওই বাড়ির ছাদে উঠে খেলা করছিল। ছাদে বাড়ির নিচের একটি দোকানের সাইনেবোর্ডে বিদ্যুতের লাইন দেয়া ছিল। বিদ্যুতের সেই তারে আকাশ হাত দিলে তাকে বাঁচাতে গেলে সামিরাও বিদ্যুতায়িত হয়। পরে তাদেরকে উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতালে আনলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উভয়কেই মৃত ঘোষণা করেন। 

নিহত আবু হুসাইন আকাশ (১২) ও জান্নাতুল নাঈম সামিরা (০৫)-এর পিতা ওই গ্রামের কবির হোসেন। তিনি যশোর সেনানিবাসে চাকরি করেন। আকাশ যশোর জেলা স্কুলের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র। 

এদিকে, শিশু দুটির মৃত্যুতে ভদ্রডাঙ্গা এখন শোকের গ্রামে পরিণত হয়েছে। এমন মৃত্যু মেনে নিতে পারছেন না গ্রামের মানুষ। সন্তানহারা পিতা-মাতাসহ স্বজনদের গগণবিদারী আর্তনাতে এলাকার আকাশ-বাতাস ভারী হয়ে ওঠে। এদিন বিকেল ৪টার দিকে হাসপাতাল থেকে লাশবাহী এ্যাম্বুলেন্সটি ভদ্রডাঙ্গায় পৌঁছায়। এর আগে দুপুর থেকেই প্রতিবেশী ও গ্রামের লোকজন আকাশ ও সামিরার মরদেহ এক নজর দেখার জন্য বাড়িতে ভিড় জমায়।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar