1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
মাইক্রোবাসের মধ্যে পড়ে ছিলো চালকের নিথর দেহ - bdtelegraph24.com
শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:১২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
লোহাগাড়ায় বনাঞ্চলের পাশে শতাধিক অবৈধ করাতকল, মানা হচ্ছে না বিধিমালা পীরগঞ্জে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প; চিকিৎসাসেবায় মানুষের পাশে দুই চিকিৎসক দৌলতপুরে দু’দল মাদক ব্যবসায়ীর মধ্যে সংঘর্ষ ও গুলি, নিহত ১ আহত ৭ অভয়নগরে ভৈরব নদে নিখোঁজের ২১ ঘণ্টা পর শিশুর মরদেহ উদ্ধার বাবাকে খাওয়ানোর সেই তুবা ফিরল স্কুলে, পাশে উপজেলা প্রশাসন ধর্ষক আর কখনো মুক্তি পাবে না: ভুক্তভোগী শিশুকে বিচারকের আবেগঘন চিঠি মহেশপুরে ট্রাক্টরের ধাক্কায় ভ্যানচালক নিহত, আহত ২ সর্বশক্তি দিয়ে আইনের সমান প্রয়োগ নিশ্চিত করবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী বাঘারপাড়ায় নাশকতা মামলায় আওয়ামী লীগের ৭ নেতা-কর্মী আটক দৌলতপুরে কৃষক কার্ডের দ্বিতীয় ধাপের পাইলটিং উদ্বোধন: ১,৭৬৯ কৃষক পেলেন সহায়তা

মাইক্রোবাসের মধ্যে পড়ে ছিলো চালকের নিথর দেহ

  • সর্বশেষ আপডেট : শুক্রবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২২
  • ২০৫ জন খবরটি পড়েছেন

মনিরামপুর প্রতিনিধি।।

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

পুলিশ মণিরামপুর থেকে  ইয়াসিন আরাফাত (৩৫) নামে এক মাইক্রোবাস চালকের মরদেহ উদ্ধার করেছে। ঘটনাটি ঘটে মণিরামপুরের গালদা মানিকতলায় নিহতের নিজ বাড়িতে।   

শুক্রবার (০২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নিজ বাড়ি থেকে পুলিশ তার মৃতদেহ উদ্ধার করে।

স্থানীয়রা জানান, ইয়াসিন আরাফাত সাতক্ষীরার মতলেব সরদারের ছেলে। ১৭ বছর ধরে তিনি মণিরামপুরের গালদা মানিকতলায় স্ত্রী ও এক শিশু ছেলেকে নিয়ে নিজ বাড়িতে থাকতেন।

ইয়াসিনের স্ত্রী জোসনা খাতুন বলেন, আমার নানার অসুস্থতার কথা শুনে ছেলেকে নিয়ে বৃহস্পতিবার (০১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে পাশের দিঘীরপাড় গ্রামে নানা বাড়িতে যায়। রাতে আমার স্বামী বাড়িতে একা ছিলেন। বৃহস্পতিবার দিবাগত ভোর রাতে নানার মৃত্যু হলে স্বামীকে বহুবার মোবাইলে কল করে পাইনি। পরে শুক্রবার সকাল ৮টার দিকে বাড়ি এসে দেখি নলকূপের পাড়ে আমার স্বামীর উলঙ্গ মরদেহ পড়ে আছে। তবে স্বামীর মৃত্যুর ব্যাপারে কোনো মন্তব্য করেননি জোসনা খাতুন।

স্থানীয়রা জানান, রাত সাড়ে ৮টার দিকে মাইক্রোবাস নিয়ে বাড়ি আসেন ইয়াসিন। তার বাড়ি প্রাচীর ঘেরা। ভিতর দিয়ে বাড়ির মূল ফটকে তালা দেয়া ছিল। সকালে ইয়াসিনের স্ত্রী এসে গেট খুলে কলপাড়ে স্বামীকে পড়ে থাকতে দেখে চিৎকার দেন। তখন সবাই এগিয়ে আসেন। ইয়াসিনের গলায় দাগ রয়েছে। পিঠের একপাশে ক্ষত স্থানে রক্ত লেগে আছে। ধারণা করা হচ্ছে, রাতে কেউ বাড়িতে ঢুকে তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করেছেন।

খেদাপাড়া পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ উপ পরিদর্শক (এসআই) সমেন বিশ্বাস বলেন, রাতে ইয়াসিনের স্ত্রী বাড়িতে ছিলো না। লাশের গলায় ও পিঠে দাগ রয়েছে। মরদেহের পাশে একটি ইনজেকশনের সিরিঞ্জ পাওয়া গেছে। দেহে সুচ ফুটানোর স্থান পাওয়া যায়নি।

মণিরামপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) গাজী মাহবুবুর রহমান বলেন, প্রাথমিকভাবে এ ঘটনায় থানায় অপমৃত্যু মামলা হবে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar