1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
মাদারীপুরে চাঁদাবাজ সাইফুল খুন, বাঁচাতে গিয়ে দুই ভাই নিহত - bdtelegraph24.com
বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৫৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
আল-আযহার বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম বাংলাদেশী নারী হিসেবে এমফিল ডিগ্রী অর্জন করলেন দুর্গাপুরের মুনিরা তাহের যশোরে পানি মোটরের সুইচ দিতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে শিশুর মৃত্যু নির্বাচন কমিশনের সামনে রাহুল গান্ধীসহ বিরোধী এমপিদের বিক্ষোভ, আটক ও মুক্তি নওগাঁর ধামইরহাটে একই পরিবারের ৫ সদস্যের ইসলাম ধর্ম গ্রহণ সৌদি আরবে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত শ্রীলঙ্কান তরুণকে ক্ষমার আকুতি পরিবারের গোপালগঞ্জে মোটরসাইকেলের যন্ত্রাংশ চুরির জেরে সংঘর্ষ, আহত ১৫ ৮ মাস পর যমুনা সার কারখানায় ইউরিয়া উৎপাদন শুরু মিয়ানমারে পাচারকালে পতেঙ্গায় ৮০০ বস্তা সিমেন্ট জব্দ শিশুদের প্রতিভা বিকাশে খেলাধুলা ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডের সুযোগ তৈরির আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর কালিয়াকৈরে ১৪৫ মন্ডপে দুর্গাপূজার প্রস্তুতি: নিরাপত্তা নিশ্চিতে কঠোর প্রশাসন

মাদারীপুরে চাঁদাবাজ সাইফুল খুন, বাঁচাতে গিয়ে দুই ভাই নিহত

  • সর্বশেষ আপডেট : রবিবার, ৯ মার্চ, ২০২৫
  • ১০৫ জন খবরটি পড়েছেন

মাদারীপুর প্রতিনিধি।

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

মাদারীপুর সদর উপজেলার খোয়াজপুরসহ আশপাশের কয়েকটি ইউনিয়নের বাসিন্দারা সাইফুল ইসলামকে একজন সন্ত্রাসী হিসেবে চিনতেন। এলাকাবাসীর ভাষ্য, আওয়ামী লীগ নেতাদের আশ্রয়-প্রশ্রয়ে মানুষকে মারধর, নির্যাতন, চাঁদাবাজি ও হাতুড়ি দিয়ে পেটানোর জন্য এলাকায় তিনি ‘হিটার সাইফুল’ হিসেবে পরিচিত ছিলেন।

সম্প্রতি অবৈধ বালু উত্তোলন নিয়ে প্রতিবেশী জেলা কৃষক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক শাহজাহান খানের সঙ্গে দ্বন্দ্বে জড়ান সাইফুল। এর জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় সাইফুলকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। তাঁকে বাঁচাতে গিয়ে খুন হন তাঁর দুই ভাইও।

সাইফুল খোয়াজপুর ইউনিয়নের সরদার বাড়ির মৃত আজিবর সরদারের ছোট ছেলে। ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন তিনি। হামলায় সাইফুলের মেজ ভাই আতাউর রহমান সরদার (৩৫) ও চাচাতো ভাই পলাশ সরদার (১৭) নিহত হন। গুরুতর আহত বড় ভাই অলিল সরদার (৪০) আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, পূর্ববিরোধ থেকেই সাইফুলকে টার্গেট করে মোল্লা, আকন ও খান বংশের লোকজন হামলা চালায়। যখন তাঁর দুই ভাই ও চাচাতো ভাই সাইফুলকে বাঁচাতে এগিয়ে যান, তখন তাঁদের ওপরও হামলা হয়। মূলত সাইফুলকে হত্যার উদ্দেশ্যেই পরিকল্পিত হামলা চালানো হয়েছিল।

সন্ত্রাসের রাজত্ব, পরিণতি মৃত্যু

আট মাস আগে খোয়াজপুর এলাকার বালু ব্যবসায়ী হোসেন সরদারকে চাঁদার টাকা না দেওয়ায় হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে হাত-পা ভেঙে দিয়েছিলেন সাইফুল ও তাঁর সহযোগীরা। গ্রেপ্তার হলেও জামিনে মুক্তি পেয়ে আবারও এলাকায় সন্ত্রাস চালান তিনি।

ভুক্তভোগী হোসেন সরদার বলেন, ‘নিকটাত্মীয় হয়েও তার হাত থেকে রেহাই পাইনি। আওয়ামী লীগের ছত্রচ্ছায়ায় এমন কোনো অপকর্ম নেই, যা সে করেনি। কেউ তার কথা না শুনলেই মারধর করত। আমাকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে দুই পা ও হাত ভেঙে দেয়। আমি এখনো শয্যাশায়ী। বহু মানুষকে সে পঙ্গু বানিয়েছে। যে তার পথে বাধা হয়েছে, তাকে খুন করেছে।’

হত্যার ঘটনায় মামলা, ফাঁসির দাবি

নিহত সাইফুলের মা সুফিয়া বেগম বাদী হয়ে ৪৯ জনের নাম উল্লেখ করে হত্যা মামলা করেছেন। এতে সরদার বংশের হোসেন সরদারকে প্রধান আসামি, মতিউর রহমান সরদারকে ২ নম্বর আসামি ও কৃষক দলের নেতা খান বংশের শাহজাহান খানকে ৯ নম্বর আসামি করা হয়েছে।

সুফিয়া বেগম বলেন, ‘আমার তিন ছেলেকেই ওরা খুন করতে চেয়েছিল। খুনি শাহজাহান খান, মতিউর সরদার ও হোসেন সরদার লোকজন নিয়ে এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। ওরা মসজিদে ঢুকেও রক্ষা পায়নি। যারা আমার বুক খালি করেছে, ওদের ফাঁসি চাই।’

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar