1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
নিরাপদ পানির অভাবে ভোগান্তিতে পটুয়াখালী পৌরবাসী: প্রয়োজন পরিকল্পিত ও দীর্ঘমেয়াদি সমাধান - bdtelegraph24.com
শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ১২:২৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মাটির ৪০০ ফুট গভীরে রোমানিয়ার প্রাচীন খনিতে গড়ে উঠেছে থিম পার্ক দেশের সীমানা পেরিয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে সাতক্ষীরার ঐতিহ্যবাহী মিষ্টি শ্রমিকদের আপত্তির মধ্যেই চট্টগ্রাম বন্দরের টার্মিনাল পরিচালনার দায়িত্ব পেল ডিপি ওয়ার্ল্ড রাঙামাটিতে সেনাবাহিনীর উদ্যোগে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও ওষুধ বিতরণ চুরি যাওয়া ম্যাকবুক-ক্যামেরার খোঁজে রাজশাহীতে জার্মান পর্যটক বাঘারপাড়া মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসে অর্থ ছাড়া ফাইল নড়ে না! কুষ্টিয়ায় মাদ্রাসাছাত্রকে বলাৎকার চেষ্টার অভিযোগ: পুলিশ-জনতা সংঘর্ষে ওসিসহ আহত ৩ রাঙামাটিতে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে শারদ উপহার ও শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ প্রিয় শিক্ষকের অশ্রুসজল ও বর্ণিল বিদায় শরণখোলায় নারিকেল পাড়তে গিয়ে গাছ থেকে পড়ে কিশোরের মৃত্যু

নিরাপদ পানির অভাবে ভোগান্তিতে পটুয়াখালী পৌরবাসী: প্রয়োজন পরিকল্পিত ও দীর্ঘমেয়াদি সমাধান

  • সর্বশেষ আপডেট : রবিবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২৫
  • ২৪১ জন খবরটি পড়েছেন

নদীবেষ্টিত পটুয়াখালী পৌরসভায় বসবাসরত লক্ষাধিক মানুষ দীর্ঘদিন ধরে বিশুদ্ধ পানির সংকটে ভোগছেন। পৌর কর্তৃপক্ষের সঞ্চালন লাইনের মাধ্যমে সরবরাহকৃত পানির ওপরই নির্ভর করেন অধিকাংশ পৌরবাসী। তবে জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব, ভূগর্ভস্থ পানির অতিরিক্ত ব্যবহার এবং অপর্যাপ্ত অবকাঠামোর কারণে এ অঞ্চলে প্রতিনিয়ত পানি সংকট বাড়ছে।

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

বর্তমানে পৌরসভার চারটি ওভারহেড ট্যাংক থেকে সঞ্চালন লাইনের মাধ্যমে পানি সরবরাহ করা হলেও তা চাহিদার তুলনায় অপ্রতুল। বিভিন্ন এলাকায় সাপ্লাইয়ের পানিতে দুর্গন্ধ, শ্যাওলা ও লবণাক্ততার অভিযোগ পাওয়া গেছে। অনেকেই বলেন, এই পানি খাবার উপযোগী নয়; ফুটিয়ে বা ফিল্টার ব্যবহার করে পান করতে হয়।

পৌর এলাকার স্বনির্ভর রোডের বাসিন্দা আনু বেগম বলেন, “আমাদের এখানে সাবমারসিবল বসানো, তারপরও প্রথমে লবণ পানি ওঠে। চার-পাঁচ মিনিট পর খাবার উপযোগী পানি আসে। পৌরসভার সাপ্লাই পানি দিয়ে খাওয়া যায় না, কারণ তাতে অনেক সময় ময়লা ও দুর্গন্ধ থাকে।”

এদিকে রিকশাচালক ইব্রাহিম মিয়া বলেন, “পানি ঠিকমতো পাওয়া যায় না, বিশুদ্ধ পানি তো দূরের কথা। সাপ্লাইয়ের পানি খেলে অনেক সময় অসুস্থ হয়ে পড়ি। হোটেলগুলোও এই পানি ব্যবহার করে, কিন্তু তা নিরাপদ নয়।”

শুকনো মৌসুমে এ সংকট আরও তীব্র হয়। অনেক জায়গায় পাম্প থেকে প্রথম ৫- ১০ মিনিট পর্যন্ত অতিরিক্ত নোনতা পানি আসে, যা ব্যবহার অনুপযোগী। পানি সংগ্রহের স্থানগুলোও অধিকাংশ সময় অপরিচ্ছন্ন থাকে।অর্থবান পরিবারগুলো নিজস্ব সাবমারসিবল স্থাপন করে পানির ব্যবস্থা করলেও নিম্নআয়ের মানুষরা মারাত্মক ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। বিদ্যুৎ বিভ্রাট, ঘূর্ণিঝড় বা জলাবদ্ধতার সময় পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে—তখন পানি সরবরাহ সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়।

পটুয়াখালীর সমাজ সেবক মোজাম্মেল নাসরিন এমা বলেন , এখনই পরিকল্পিত ও টেকসই সমাধান না হলে ভবিষ্যতে পটুয়াখালী পৌর এলাকায় জনস্বাস্থ্য সংকট দেখা দিতে পারে। আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর পানিশোধন ব্যবস্থা, বিকল্প উৎস অনুসন্ধান এবং দীর্ঘমেয়াদি পানি ব্যবস্থাপনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে এ সংকট নিরসনে সরকার ও স্থানীয় প্রশাসনের সমন্বিত উদ্যোগ এখন সময়ের দাবি।

পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক ও শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ ওয়াহিদ শামিম বলেন, যে কোন জায়গার দীর্ঘদিন ধরে যদি দূষিত ও লবণাক্ত পানি ব্যবহারে শিশুদের চর্মরোগ ও ডায়রিয়া বাড়ছে। পটুয়াখালীতে যে সকল শিশুরা অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে আসে তার মধ্যে অনেকেই দূষিত পানি ব্যবহারের কারণে তারা অসুস্থ হচ্ছে‌।

পটুয়াখালী পৌরসভার পৌর প্রশাসক জুয়েল রানা বলেন, “গ্রাহকের তুলনায় পাম্পের সংখ্যা কম হওয়ায় সবাই পর্যাপ্ত পানি পাচ্ছেন না। আমরা প্রতি মাসে ওভারহেড ট্যাংক ও সঞ্চালন লাইনগুলো পরিষ্কার করি। তারপরও কিছু এলাকায় সমস্যা থেকে যাচ্ছে। পানিকে পানযোগ্য করতে পৌরবাসীকে ফুটিয়ে বা ফিল্টার করে পানের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।”

অন্যদিকে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আশরাফুজ্জামান বলেন, “জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে জেলার একুইফারগুলোতে লবণাক্ত পানির অনুপ্রবেশ হচ্ছে, ফলে ভূগর্ভস্থ পানি দূষিত হচ্ছে। এখানকার পানিতে লিগনিন ও ট্যানিন নামক উপাদান থাকায় তা কিছু সময় পর লালচে হয়ে যায়। এতে স্বাদ নষ্ট হয় এবং দীর্ঘমেয়াদে স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হতে পারে।”

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar