1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
মির্জাগঞ্জে এগারো বছরের শিশুকে পিটিয়ে হাত ভেঙে দিল শিক্ষক - bdtelegraph24.com
বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৩৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
লোহাগাড়ায় রাতের আঁধারে পাহাড় কেটে মাটি পাচার, অতিষ্ঠ এলাকাবাসী চট্টগ্রামের মানুষ আগে জান্নাতে যাবে: ওয়াজে আতাউল বারীর বক্তব্য নিয়ে বিতর্ক মাগুরায় ২৩৫ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারে বিদ্যুৎ বিল ৫০৬ কোটি ৮৩ লাখ ১১ হাজার ৫৯৩ টাকা রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ, আলোচনা করলেন সাম্প্রতিক সফর নিয়ে বাঘারপাড়ায় ইউসিবির ‘কিউআর’ বিষয়ক মতবিনিময় সভা খুঁটির সঙ্গে বাঁধা বাবাকে খাওয়ানো সেই শিশুর দায়িত্ব নিল উজিরপুর প্রশাসন সন্ত্রাস-নৈরাজ্যের প্রতিবাদে গাজীপুর মহানগর বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল ইসরায়েলকে সমর্থন করে যুক্তরাষ্ট্র নিজের আধিপত্যই ক্ষয় করছে: গেগরি জে সিমনস টঙ্গীতে গাঁজাসহ নারী মাদক কারবারি গ্রেপ্তার বিশ্ব নদী দিবস উপলক্ষ্যে শ্যামনগরে র‍্যালি, নদী, খাল পরিচ্ছন্নতা অভিযান

মির্জাগঞ্জে এগারো বছরের শিশুকে পিটিয়ে হাত ভেঙে দিল শিক্ষক

  • সর্বশেষ আপডেট : বুধবার, ৫ জানুয়ারী, ২০২২
  • ৩৭৪ জন খবরটি পড়েছেন

ইলিয়াস হোসাইন

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

না বলে বাড়িতে যাওয়া নিয়ে এগারো বছরের এক ছাত্রকে পিটিয়ে জখম করার অভিযোগ পাওয়া গেছে একই মাদ্রাসার শিক্ষকের বিরুদ্ধে।

মঙ্গলবার (৪ জানুয়ারি) বিকেলে মির্জাগঞ্জ আহমাদাবাদ ইয়ারিয়া ইসলামিয়া কমপেক্স হাফিজি মাদ্রাসায় এ নির্যাতনের ঘটনা ঘটে। ওই ছাত্রকে হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

নির্যাতনের শিকার শিশু মো. বাইজিদ (১১) মির্জাগঞ্জ ইউনিয়ন এর মোঃ বারেক রাড়ীর ছেলে এবং ওই মাদ্রাসার হাফিজি বিভাগের শিক্ষার্থী। অভিযুক্ত শিক্ষকের নাম মো. আহসান উল্লাহ।

শিশু বাইজিদ জানায়, মাদ্রাসা পালানো নিয়ে আমাকে কাঁচা লাঠি দিয়ে পিটিয়ে হাড়ভাঙ্গা জখম করেন শিক্ষক মো. আহসান উল্লাহ। পরে মো. আহসান উল্লাহ একটি কক্ষে আটকে রেখে ঔষধ খেতে দেন । কিছুক্ষণ পর হাত ফুলে উঠলে শিক্ষক মো. আহসান উল্লাহ আমাকে হাসপাতালে নিয়ে আসেন।

অভিযুক্ত শিক্ষক আহসান উল্লাহ বলেন আমার ছাত্র আমি পিটিয়েছি তাতে আপনাদের কি ও আমার সম্পর্কে ভাতিজা হয়। আমি শিক্ষক হিসেবে শাসন করতেই পারি।

মির্জাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. শামসুল ইসলাম সোহেল জানান, রাতেই ওই মাদ্রাসার শিক্ষক আহত অবস্থায় শিশুটিকে হাসপাতালে নিয়ে আসনে। এক্সরে করার পরে হাড় ভেঙ্গে গেছে দেখে সাময়িক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে । আগামীকাল তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য পটুয়াখালী জেলা শহরে অর্থোপেডিক বিভাগের ডাক্তারের কাছে পাঠানো হবে। তবে সেরে উঠতে সময় লাগবে।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar