এ আর রাকিবুল হাসান, কুড়িগ্রাম।
দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।
ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন নিয়ন্ত্রণ আইনে জিগজ্যাগ ইটভাটার ছাড়পত্র ও লাইসেন্স প্রাপ্তি এবং বর্তমানে কয়লা সংকট সমাধানের দাবিতে রোববার(২৭নভেম্বর) কুড়িগ্রামে মানব বন্ধন ও প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেছে ইট প্রস্তুতকারী মালিক সমিতি। রোববার দুপুরে কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন শেষে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।
মানব বন্ধনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ইট প্রস্তুতকারী মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোঃ লুৎফর রহমান বকসী। এ সময় আরো বক্তব্য রাখেন, ইট প্রস্তুতকারী মালিক সমিতি কুড়িগ্রাম জেলা শাখার সভাপতি মোঃ গোলাম মোস্তফা, ইট ভাটা মালিক আব্দুল হাই রঞ্জু, মো: শাহজাহান মিয়া, আহসানুল ইসলাম রিটু প্রমুখ।
সাধারণ সম্পাদক মো: লুৎফর রহমান বকসী বলেন, ২০১৩ সলে ইট ভাটা নিয়ন্ত্রণ আইনের জিগজ্যাগভাটা বৈধ পদ্ধতির উল্লেখ্য থাকলেও উক্ত আইনের ৮(৩) (ঙ) এবং ৮(৩) (খ) উপ-ধারায় “দুরত্ব নির্দিষ্ট” করণে দেশের অধিকাংশ জিগজ্যাগ ইটভাটা অবৈধ হয়ে পড়ে ফলে মালিকগণ ছাড়পত্র ও লাইসেন্স পাচ্ছেন না। উক্ত আইনের উপ-ধারায় বাংলাদেশের কোথাও ইটভাটা স্থাপনের স্থান পাওয়া যাবে না।
পরিবেশ অধিদপ্তরে বহুবার আবেদন করলেও উক্ত ধারাটি অদ্যাবধি কোন পরিবর্তন হয়নি। পরিবেশ অধিদপ্তর ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন ২০১৩ আইনটি পরিবেশ মন্ত্রণালয় প্রজ্ঞাপন জারি করে ২০১৯ সনে কিছু ধারায় সংশোধন আনলেও উক্ত আইনের উপ ধারায় কোন পরিবর্তন করা হয়নি। দেশের উন্নয়নের চাকা সচল রাখতে উল্লিখিত বিষয়গুলো গুরুত্ব দিয়ে পরিবেশ আইন সংশোধন করে আগামী ২০৩০ইং সাল পর্যন্ত ইটভাটা লাইসেন্স ও ছাড়পত্র প্রদান করে বৈধ জিগজ্যাগ ইটভাটাগুলোকে পরিচালনা করার সুযোগ প্রদান ও ইট ভাটার ভরা মৌসুমে চলমান কয়লা সংকট সমাধানে প্রধানমন্ত্রীর সদয় দৃষ্টি কামনা করেন ভাটা মালিকরা। মানববন্ধন শেষে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রেজাউল করিম এর মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেন ইট মালিকরা।