1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
সন্তানের ঘর নয়, শেষ বয়সে ঠাঁই গোয়ালঘরে - bdtelegraph24.com
বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:১৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
লোহাগাড়ায় রাতের আঁধারে পাহাড় কেটে মাটি পাচার, অতিষ্ঠ এলাকাবাসী চট্টগ্রামের মানুষ আগে জান্নাতে যাবে: ওয়াজে আতাউল বারীর বক্তব্য নিয়ে বিতর্ক মাগুরায় ২৩৫ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারে বিদ্যুৎ বিল ৫০৬ কোটি ৮৩ লাখ ১১ হাজার ৫৯৩ টাকা রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ, আলোচনা করলেন সাম্প্রতিক সফর নিয়ে বাঘারপাড়ায় ইউসিবির ‘কিউআর’ বিষয়ক মতবিনিময় সভা খুঁটির সঙ্গে বাঁধা বাবাকে খাওয়ানো সেই শিশুর দায়িত্ব নিল উজিরপুর প্রশাসন সন্ত্রাস-নৈরাজ্যের প্রতিবাদে গাজীপুর মহানগর বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল ইসরায়েলকে সমর্থন করে যুক্তরাষ্ট্র নিজের আধিপত্যই ক্ষয় করছে: গেগরি জে সিমনস টঙ্গীতে গাঁজাসহ নারী মাদক কারবারি গ্রেপ্তার বিশ্ব নদী দিবস উপলক্ষ্যে শ্যামনগরে র‍্যালি, নদী, খাল পরিচ্ছন্নতা অভিযান

সন্তানের ঘর নয়, শেষ বয়সে ঠাঁই গোয়ালঘরে

  • সর্বশেষ আপডেট : মঙ্গলবার, ৮ জুলাই, ২০২৫
  • ১২৭ জন খবরটি পড়েছেন
ছবি-সংগৃহীত

নাটোর প্রতিনিধি।

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

একসময় প্রভাবশালী কৃষক ছিলেন নাটোরের ময়দান আলী। জমিজমা ছিল, সন্তান-সন্ততি নিয়ে গড়ে তুলেছিলেন সুখের সংসার। কিন্তু আজ বয়সের ভারে নুয়ে পড়া এই মানুষটির শেষ আশ্রয় হয়ে উঠেছে একটি অপরিচ্ছন্ন গোয়ালঘর। পাশেই স্ত্রী জাহেদা বেগম। পাকা ঘর থাকা সত্ত্বেও সন্তানদের ঘরে ঠাঁই হয়নি তাদের।

সোমবার (৭ জুলাই) নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার দুর্গাপুর গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, দুর্গন্ধে ভরা একটি গোয়ালঘরের এক কোণে চৌকির ওপর শুয়ে আছেন ৮০ বছর বয়সী ময়দান আলী। পাশে ছড়ানো-ছিটানো খাবারের থালা, খড় ও গবাদিপশুর খাবার।

দুই ছেলে ও চার মেয়ের পিতা ময়দান আলী জমিজমা সন্তানদের লিখে দিয়েছেন বহু আগেই। কিন্তু বিনিময়ে জুটেছে অবহেলা ও অবজ্ঞা। বড় ছেলে জাহাঙ্গীর আলম বর্তমানে উপজেলা ভূমি জরিপ কর্মকর্তা; ছোট ছেলে রবিউল করিম রবি মাছচাষ করেন। দুজনেরই রয়েছে পাকা বাড়ি, কিন্তু বৃদ্ধ বাবা-মা সেখানে আশ্রয় পাননি।

স্ত্রী জাহেদা বেগম বলেন, “ছেলেরা জমি লিখে নিয়েছে। এখন মেয়েরাও আমাদের খোঁজ নেয় না। রবি পাঁচ শতাংশ জমি বেশি নিয়েছে, সেটা আমি ফেরত চাই।”

সংবাদকর্মীদের সঙ্গে কথা বলার সময় ছোট ছেলে রবি ‘দা’ হাতে তেড়ে আসেন, অভিযোগ করেন জাহেদার ভাই মতিউর রহমান।

ফোনে বড় ছেলে জাহাঙ্গীর আলম জানান, “চাকরির কারণে দূরে থাকি, তবে সাধ্যমতো দায়িত্ব পালন করি। বাবা-মা এখন ছোট ভাইয়ের কাছেই থাকেন, কারণ জমির বড় অংশ সেখানেই।”

এ ঘটনায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফাহমিদা আফরোজ বলেন, “অভিভাবক রক্ষণাবেক্ষণ আইনে প্রত্যেক সন্তান বাবা-মায়ের দায়িত্ব নিতে বাধ্য। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar