চিকিৎসকের গাফিলতির অভিযোগ
বিশেষ প্রতিনিধি।
ফেনীতে বাচ্চা প্রসবের অস্ত্রোপচারের (সিজার) ৬ মাস পর এক নারীর পেট থেকে গজ (ব্যান্ডেজ) বের করা হয়েছে। ভুক্তভোগী নারীর নাম ফরিদা ইয়াসমিন। তিনি ফেনীর ছাগলনাইয়া উপজেলা প্রবাসীর স্ত্রী।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের ৩ ফেব্রুয়ারি ফেনীর আল-কেমী হাসপাতালে ফরিদা ইয়াসমিনের সিজার করানো হয়। হাসপাতালটির চিকিৎসক ডা. তাসলিমা আক্তারের তত্ত্বাবধানে অপরেশনটি সম্পন্ন হয়। কিন্তু বাড়ি ফেরার পর থেকেই তিনি পেটে ব্যথা অনুভব করছিলেন। পরে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে চিকিৎসকরা নিশ্চিত করেন, ওই নারীর পেটে রক্ত পরিষ্কার করার গজ কাপড়ের টুকরা রয়েছে, দ্রুতই অস্ত্রোপচার করতে হবে।
একপর্যায়ে বৃহস্পতিবার (২৮ অগাস্ট) রাতে ফেনী আল বারাকা হাসপাতালের এক চিকিৎসক দ্বিতীয় দফায় ওই প্রসূতির অস্ত্রোপচার করেন। এ সময় নারীর পেট থেকে গজ কাপড়ের টুকরা বের করা হয়। বর্তমানে ভুক্তভোগী একই হাসপাতালে চিকিৎসকের পর্যবেক্ষণে রয়েছেন।
অভিযোগের বিষয়ে ডা. তাসলিমা আক্তার জানান, প্রসূতির ব্যাপারে ফেনী আল বারাকা হাসপাতালের মালিকের সঙ্গে কথা বলে সমাধান করা হবে। এ বিষয়ে ভুক্তভোগীর ছোট ভাই ফয়সাল জানিয়েছেন, আমার বোন মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে এসেছে। এ দায়ভার ডা. তাসলিমাকে নিতে হবে। এ ব্যাপারে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।
ফেনী সিভিল সার্জন ডাক্তার রুবায়েদ করিম জানিয়েছেন, সিজারের রোগীর গজ কাপড় পেটের ভেতর রেখে সেলাই করে দেওয়ায় ডা. তাসলিমার বিরুদ্ধে মৌখিকভাবে ভুক্তভোগীর ভাই অভিযোগ জানিয়েছেন। অভিয়োগের ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।