1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
বুটেক্সে দুই দিনের পৃথক ঘটনায় তিনজনের সাময়িক বহিষ্কার ও ছয়জনের অর্থদণ্ড - bdtelegraph24.com
রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৪৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কালিয়াকৈরে ওষুধ কারখানায় অগ্নিকাণ্ড, আহত ১ দুর্গাপুরে নির্মম হত্যার শিকার সাংবাদিক আলিফ ফকিরের পরিবারের পাশে ডেপুটি স্পিকার বন্ধুত্বের পুঁজিতে গড়ে উঠল ‘শেষ বিকেলের চায়ের আড্ডা’, স্বপ্ন অসহায় শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানো কালিয়াকৈরে প্রিমিয়াম লীগ ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত কক্সবাজারে রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: নিহত ১০, অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল না ঝিনাইদহে সুপারি পাড়া নিয়ে দ্বন্দ্বে ছোট ভাইয়ের লাঠির আঘাতে বড় ভাই নিহত ঝিনাইদহে অনলাইন জুয়া পরিচালনার অভিযোগে বাবা-ছেলে গ্রেপ্তার শাহজালাল বিমানবন্দরে সাড়ে ৩ লাখ টাকার ডায়মন্ডের রিং উদ্ধার, মালিককে হস্তান্তর প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের ভাতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী উত্তরা রাজলক্ষ্মীতে পোশাক শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ, আহত অর্ধশত

বুটেক্সে দুই দিনের পৃথক ঘটনায় তিনজনের সাময়িক বহিষ্কার ও ছয়জনের অর্থদণ্ড

  • সর্বশেষ আপডেট : সোমবার, ১০ নভেম্বর, ২০২৫
  • ১১৮ জন খবরটি পড়েছেন

আলভী আহমেদ, বুটেক্স প্রতিনিধি

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুটেক্স) সম্প্রতি সংঘটিত দুটি পৃথক সংঘর্ষের ঘটনায় তিনজনকে সাময়িক বহিষ্কার, দুইজনকে ১০ হাজার এবং চারজনকে ৫ হাজার টাকা করে জরিমানা করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। ৯ নভেম্বর অনুষ্ঠিত শৃঙ্খলা বোর্ডের ১৬তম সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

গত ৪ নভেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে বুটেক্স স্পোর্টস ক্লাব আয়োজিত আন্তঃবিভাগ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনালে ফেব্রিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ ও টেক্সটাইল ফ্যাশন অ্যান্ড ডিজাইন বিভাগের মধ্যকার খেলায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ম্যাচ চলাকালীন ফ্যাশন ডিজাইন বিভাগের এক খেলোয়াড়কে মারধরের অভিযোগে ফেব্রিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ৫ শিক্ষার্থী ও এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স বিভাগের এক শিক্ষার্থীকে অভিযুক্ত করা হয়। অভিযুক্তরা হলেন ফেব্রিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ৪৮তম ব্যাচের শিক্ষার্থী মো. সাইফুল ইসলাম, বর্ষণ বনিক, মো. আল হাজ হোসেন, ৪৯তম ব্যাচের শিক্ষার্থী আসির সাদিক, আল-ফাহিম এবং এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী মো. মুশফিকুর রহমান।

এ ঘটনার রেশ ধরে পরের দিন ৫ নভেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের পকেট গেটের সামনে ৪৯তম ব্যাচের এপারেল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী অভিষেকের সঙ্গে শারীরিক সংঘর্ষ ঘটে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত করা হয় এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী আল মাহমুদ বিন কবির নির্ঝর, টেক্সটাইল মেশিনারি ডিজাইন অ্যান্ড মেইনটেন্যান্স বিভাগের শিক্ষার্থী সাইদুর রহমান এবং টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং ম্যানেজমেন্ট বিভাগের শিক্ষার্থী আব্দুল কাদের মৃদুলকে।

তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ও সার্বিক বিষয় পর্যালোচনার পর বুটেক্স শৃঙ্খলা বোর্ড প্রবিধান ২০১৫-এর ধারা ৩(ঘ) অনুযায়ী অভিযুক্ত শিক্ষার্থীদের শৃঙ্খলাভঙ্গজনিত অপরাধ ও অসদাচরণের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় শাস্তি প্রদান করা হয়। প্রথম দিনের ঘটনায় মো. সাইফুল ইসলাম ও আসির সাদিককে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। বর্ষণ বনিক, আল-ফাহিম, আল হাজ হোসেন ও মুশফিকুর রহমানকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা ও সতর্ক করা হয়েছে। দ্বিতীয় দিনের ঘটনায় আল মাহমুদ বিন কবির নির্ঝরকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে, আর সাইদুর রহমান ও আব্দুল কাদের মৃদুলকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা ও সতর্ক করা হয়েছে।

সাময়িক বহিষ্কৃত শিক্ষার্থীরা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত কোনো একাডেমিক কার্যক্রমে অংশ নিতে পারবেন না। তারা ক্লাস বা পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে না।

তবে প্রশাসনের এ রায়কে পক্ষপাতদুষ্ট ও ভুল সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখছেন কিছু শিক্ষার্থী। অন্যদিকে অনেকেই প্রশাসনের দ্রুত সিদ্ধান্তে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

শাস্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থী মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, আমি ঘটনার সময় সেখানে ছিলামই না। আমাকে শুধু বলা হচ্ছে, স্যার আমাকে দৌড়ে আসতে দেখেছেন। এই দেখার ওপর ভিত্তি করেই শাস্তি দেওয়া হয়েছে। আমি এমন একাধিক সাক্ষী পেশ করতে পারব যারা বলতে পারবেন আমি কারও গায়ে হাত তুলি নি। মাঠের অন্য প্রান্ত থেকে দৌড়ে আসার সময় মারামারি প্রায় শেষের দিকে ছিল। কিন্তু আমাকে বলা হয়েছে আমি খেলোয়াড় রাফিদকে ঘুষি মেরেছি।

তিনি আরো বলেন, প্রশাসন আশা করি দ্রুত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবেন এবং আমাদের আত্মপক্ষ সমর্থনের বিষয়টি বিবেচনা করবেন। খুব শিগগিরই আমাদের সেমিস্টার ফাইনাল, অথচ চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত আমি পরীক্ষায় বসতে পারছি না। তাই প্রশাসনের কাছে অনুরোধ, দ্রুত পরবর্তী প্রক্রিয়াগুলো এগিয়ে নেওয়া হোক।

অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত শিক্ষার্থী মো. মুশফিকুর রহমান বলেন, আমিতো ভুক্তভোগী, আমাকে মারা হয়েছে, কিন্তু আমাকেই জরিমানা করা হয়েছে। কারণ দর্শানোর নোটিশ এলে আমি নিজেকে ডিফেন্ড করব, স্যারদের বিস্তারিত জানাব। তবে কোনো অন্যায় আমি মেনে নেব না।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. মো. মাহবুবুর রহমান বলেন, আমরা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সিদ্ধান্ত জানিয়েছি। যাদের শাস্তি দেওয়া হয়েছে, তাদের শোকজ করা হবে এবং আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়া হবে। তাদের আবেদনের ভিত্তিতে পরবর্তী সময়ে আরেকটি কমিটি গঠন করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

শাস্তি নিয়ে ক্যাম্পাসে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। অনেক শিক্ষার্থী প্রশাসনের দ্রুত সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাদের মতে, বিচারহীনতার সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসার পথে এটি একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ, যা ভবিষ্যতে সাদৃশ্যপূর্ণ ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে সহায়ক হবে।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar