1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
ভোটের আগে আসন ভাগাভাগি নিয়ে জোর তৎপরতা বিএনপিতে - bdtelegraph24.com
বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:১২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
লোহাগাড়ায় রাতের আঁধারে পাহাড় কেটে মাটি পাচার, অতিষ্ঠ এলাকাবাসী চট্টগ্রামের মানুষ আগে জান্নাতে যাবে: ওয়াজে আতাউল বারীর বক্তব্য নিয়ে বিতর্ক মাগুরায় ২৩৫ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারে বিদ্যুৎ বিল ৫০৬ কোটি ৮৩ লাখ ১১ হাজার ৫৯৩ টাকা রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ, আলোচনা করলেন সাম্প্রতিক সফর নিয়ে বাঘারপাড়ায় ইউসিবির ‘কিউআর’ বিষয়ক মতবিনিময় সভা খুঁটির সঙ্গে বাঁধা বাবাকে খাওয়ানো সেই শিশুর দায়িত্ব নিল উজিরপুর প্রশাসন সন্ত্রাস-নৈরাজ্যের প্রতিবাদে গাজীপুর মহানগর বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল ইসরায়েলকে সমর্থন করে যুক্তরাষ্ট্র নিজের আধিপত্যই ক্ষয় করছে: গেগরি জে সিমনস টঙ্গীতে গাঁজাসহ নারী মাদক কারবারি গ্রেপ্তার বিশ্ব নদী দিবস উপলক্ষ্যে শ্যামনগরে র‍্যালি, নদী, খাল পরিচ্ছন্নতা অভিযান

ভোটের আগে আসন ভাগাভাগি নিয়ে জোর তৎপরতা বিএনপিতে

  • সর্বশেষ আপডেট : রবিবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৫
  • ১৬৪ জন খবরটি পড়েছেন

বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক।

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

জাতীয় নির্বাচনের আগে আসন ভাগাভাগি নিয়ে সমমনাদের সঙ্গে আলোচনা জোরদার করেছে বিএনপি। শরিক দলগুলো শতাধিক আসনের দাবি তুলেছে, ফলে চলছে কূটনৈতিক দরকষাকষি। রমজান শুরুর আগে ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি নির্বাচনের ঘোষণা দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। সে হিসাবে নভেম্বরের মাঝামাঝি থেকে শেষের দিকে তফসিল ঘোষণা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এ অবস্থায় প্রার্থী যাচাই-বাছাই ও আসন নির্ধারণে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছে বিএনপি। দলটির সূত্রে জানা গেছে, চলতি মাসেই আসনভিত্তিক একক প্রার্থী তালিকা প্রকাশের পরিকল্পনা রয়েছে। একইসঙ্গে যুগপৎ আন্দোলনের শরিকদের সঙ্গে নিয়ে নির্বাচনেও অংশ নিতে চায় দলটি।

মিত্রদের শতাধিক আসন দাবি, চলছে তালিকা যাচাই

বিএনপির ঘনিষ্ঠ সূত্র বলছে, মিত্র দলগুলো এখন পর্যন্ত শতাধিক আসন দাবি করেছে। এরই মধ্যে বেশ কিছু দল সম্ভাব্য প্রার্থীর তালিকা বিএনপির হাতে দিয়েছে, বাকিরা দু’এক দিনের মধ্যেই দেবে। কয়েকজন মিত্র দলের নেতা তালিকা নিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে আলোচনার জন্য লন্ডনও গেছেন।

লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) মহাসচিব রেদোয়ান আহমেদ লন্ডনে গিয়ে তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন বলে জানা গেছে। এলডিপি অন্তত ১৫টি আসন চাচ্ছে। অন্যদিকে, গণতন্ত্র মঞ্চের দাবি ৫০টি আসন, ১২ দলীয় জোটের দাবি ২০টি এবং জাতীয়তাবাদী সমমনা জোট চাইছে ৯টি আসন।

বিএনপির অবস্থান ও কৌশল

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, “আমরা সেই আসনগুলো ভাগ করব যেখানে জয়ের সম্ভাবনা আছে। শরিকদের সঙ্গেও সে বিষয়েই আলোচনা চলছে।”

জামায়াতের বড় প্রস্তুতি, ছাড় দিতে পারে ১০০ আসন পর্যন্ত

অন্যদিকে, জামায়াতে ইসলামী ৩০০ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছে, তবে দলটি সর্বোচ্চ ১০০ আসনে সমঝোতা করে ছাড় দিতে পারে বলে জানিয়েছেন সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। খুলনায় এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, “আমিরে জামায়াত বলেছেন, প্রয়োজনে ১০০ আসনও ছাড় দিতে হতে পারে।”

তবে জামায়াতের সমমনা দল ইসলামী আন্দোলনের প্রেসিডিয়াম সদস্য আশরাফ আলী আকন বলেছেন, এখনো কোনো আসন নিয়ে আনুষ্ঠানিক আলোচনা হয়নি।

এনসিপি, বিএনপি ও জামায়াতের প্রাথমিক যোগাযোগ

নির্বাচনী জোট গঠনের আলোচনায় রয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। বিএনপি ও জামায়াত উভয়েই দলটিকে সঙ্গে নিতে চায়। গত দুই সপ্তাহে এনসিপি আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম জামায়াত ও বিএনপির শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে পৃথক বৈঠক করেছেন। তবে এখনো কোনো চূড়ান্ত সমঝোতা হয়নি।

এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার বলেন, “৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার সক্ষমতা গড়ে তুলছি। জোট হলে সে অনুযায়ী ছাড় দেওয়া হবে।”

বামপন্থীদের ঐক্যের উদ্যোগ

বাম গণতান্ত্রিক জোট, ফ্যাসিবাদবিরোধী বাম মোর্চা, বাংলাদেশ জাসদ ও ঐক্য ন্যাপসহ বিভিন্ন বাম দল বৃহত্তর ঐক্যের উদ্যোগ নিচ্ছে। বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ ক্বাফী রতন বলেন, “আমরা রাজনৈতিক দল ছাড়াও প্রগতিশীল সংগঠনের সঙ্গে ঐক্য তৈরির চেষ্টা করছি।”

বিভক্ত জাতীয় পার্টিও আলোচনায়

বহু বিভাজনের পর জাতীয় পার্টির দুই অংশও নির্বাচনী জোট নিয়ে তৎপর। জি এম কাদের ও আনিসুল ইসলাম মাহমুদের নেতৃত্বাধীন দুই অংশ আলাদাভাবে আলোচনায় রয়েছে। আনিসুল ইসলাম মাহমুদ বলেন, “জোট ছাড়া এখন নির্বাচন সম্ভব নয়।” তবে জি এম কাদের অভিযোগ করেছেন, “আমাদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডই করতে দেওয়া হচ্ছে না।”

উপসংহার

ভোটের আগে রাজনৈতিক দলগুলোর এ আসন-সমঝোতা ও জোট-আলোচনা প্রমাণ করছে—নির্বাচনী সমীকরণ এবার জটিল ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হতে যাচ্ছে। বিএনপি ও তার শরিকরা যে কোনো সমঝোতা চূড়ান্ত করুক না কেন, তা আগামী নির্বাচনের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar