1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
৩৫ বছরের মমতায় গড়া ভুটান সরকারের পাখিবাড়ি - bdtelegraph24.com
বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:২৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বাঘারপাড়ায় ইডিএফ এর ১৫তম প্রতিষ্ঠাবর্ষিকীতে কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা যশোরে সার ডিলার নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ, জামায়াতের ৫ এমপির প্রতিবাদ নাসিরনগরে নদীতে নিখোঁজের দুই দিন পর মেঘনা নদীতে ভেসে উঠে মরদেহ নাসিরনগরে চোখের জলে দেবী বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে দুর্গোৎসব গাজীপুরে গভীর রাতে অগ্নিকাণ্ড: মসজিদসহ পুড়ল বেশ কয়েকটি দোকান ও গুদাম খুলনায় যুবকের গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার, মোটরসাইকেল জব্দ সাজেকে ফের অবরোধ: পুলিশ ও সেনা পাহারায় ফিরলেন ৩ হাজার পর্যটক সাইবার সুরক্ষা আইনসহ গণমাধ্যম সংশ্লিষ্ট আইন সংশোধনের কাজ চলছে: তথ্যমন্ত্রী ভাষাসৈনিক অলি আহাদের ১৪তম মৃত্যুবার্ষিকী ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত রাঙামাটিতে সড়ক ও নৌপথ দুর্ঘটনা রোধে নিরাপদ যাত্রা ফাউন্ডেশনের সচেতনতামূলক প্রচারণা

৩৫ বছরের মমতায় গড়া ভুটান সরকারের পাখিবাড়ি

  • সর্বশেষ আপডেট : রবিবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৫
  • ২০০ জন খবরটি পড়েছেন

বগুড়া প্রতিনিধি।

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

বগুড়ার ধুনট উপজেলার মাধবডাঙ্গা গ্রামের চার একরজুড়ে বিস্তৃত রবিউল হাসান ওরফে ভুটান সরকারের বাড়িটি এখন পরিচিত “পাখিবাড়ি” নামে। প্রতিদিন এখানে ভোর শুরু হয় পাখির কিচিরমিচির আর পালকের ফড়ফড়ে শব্দে, যা আকর্ষণ করে স্থানীয় ও দূরদূরান্তের প্রকৃতিপ্রেমীদের।

৩৫ বছর আগে প্রথম একঝাঁক পাখি এসে বসেছিল ভুটান সরকারের বাড়ির তেঁতুলগাছে। সেই থেকেই শুরু হয় তাদের স্থায়ী বসবাস। প্রতি বছর গ্রীষ্মে পাখিরা আসে, বাসা বাঁধে, ছানা ফোটায় এবং শীত এলে দলবেঁধে চলে যায়।

পাখিবাড়ির সামনে দুটি বড় পুকুর, চারপাশে মেহগনি, কড়ই, জাম, আম, কাঁঠাল ও বাঁশঝাড়ে ঘেরা সবুজ পরিবেশ। এখানে পানকৌড়ি, বক, ঘুঘু, শালিক, টিয়া, চড়ুইসহ নানা প্রজাতির পাখি প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ওড়ে বেড়ায়। আশ্চর্যের বিষয়, পুকুরে মাছ চাষ হলেও কোনো পাখি সেখানে মাছ ধরে না।

ভুটান সরকার বলেন, “প্রকৃতির সঙ্গে আমাদের এক নীরব চুক্তি আছে—ওরা এখানে নিরাপদ, আমরাও ওদের সঙ্গে শান্তিতে আছি।”

স্থানীয়রা জানান, পাখিবাড়ি এখন শুধুই এক পরিবারের বসতভিটা নয়, বরং পরিবেশ সচেতনতার প্রতীক। স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, কবি ও আলোকচিত্রীরা প্রতিনিয়ত এখানে আসেন প্রকৃতির সঙ্গে সময় কাটাতে।

সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আতিকুর করিম আপেল বলেন, “এটি ধুনট উপজেলার সবচেয়ে সুন্দর জায়গা। সরকারিভাবে অভয়ারণ্য ঘোষণা করা হলে পরিবেশ সংরক্ষণ আরও জোরদার হবে।”

স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘তীর’-এর সভাপতি আশামনি বলেন, “পাখি বাঁচলে প্রকৃতি বাঁচবে, আর প্রকৃতি বাঁচলেই মানুষ টিকবে।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar