1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
রাজশাহীতে কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য - bdtelegraph24.com
মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৫৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
টাকার অভাবে ভর্তি অনিশ্চিত মেধাবী বিথীর পাশে ছাত্রদল নেতা পাবনার ফরিদপুরে দেশীয় অস্ত্র ও ১৫ রাউন্ড তাজা গুলি উদ্ধার বাঘাইছড়িতে ২ পিস্তল, গুলি ও বিপুল ভারতীয় সিগারেট উদ্ধার শেখ হাসিনার জন্মদিনে শুভেচ্ছা জানিয়ে মন্তব্য, জাবি ছাত্রশক্তি নেতাকে পুলিশে সোপর্দ চুনা ম্যানগ্রোভকে (ওইসিএম) হিসেবে স্বীকৃতির উদ্যোগে স্থানীয় জনগণের সম্মতি যশোরে ভেজাল শিশুখাদ্য বিক্রি: ইত্যাদি স্টোরকে ২ লাখ টাকা জরিমানা শিক্ষকরাই পারেন আলোকিত মানুষ গড়তে: এ্যাডভোকেট এ.কে.এম সেলিম রেজা এমপি রাষ্ট্রপতির পুলিশ পদক পেলেন এসআই অসিত কুমার বসাক সরকারি দেবেন্দ্র কলেজে দিনব্যাপী প্রাথমিক চিকিৎসা কর্মশালা অনুষ্ঠিত বাজেট সংকটে ৪ বছরেও শুরু হয়নি জবির প্রধান ফটক সংস্কার কাজ

রাজশাহীতে কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য

  • সর্বশেষ আপডেট : রবিবার, ৩ মে, ২০২৬
  • ৭৫ জন খবরটি পড়েছেন

আবু কাওসার মাখন ,রাজশাহী ব্যুরো।

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

রাজশাহী মহানগরীর সিএন্ডবি থেকে সিমলা পর্যন্ত সড়কে গত এক মাসে অন্তত চার দফা কিশোর গ্যাংয়ের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। ধারাবাহিক এসব সহিংসতায় সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম উদ্বেগ ও আতঙ্ক বিরাজ করছে। একই স্থানে বারবার এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তিতে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন স্থানীয়রা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এলাকায় সক্রিয় কয়েকটি কিশোর গ্যাং দীর্ঘদিন ধরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়ছে। সামান্য বিষয়কে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া এসব বিরোধ মুহূর্তেই সংঘর্ষে রূপ নিচ্ছে। প্রতিটি ঘটনায় দেশীয় অস্ত্রের ব্যবহার, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া এবং ভাঙচুরের মতো পরিস্থিতি সৃষ্টি হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, প্রথম কয়েকটি ঘটনার পরই যদি কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হতো, তাহলে পরবর্তীতে এমন পরিস্থিতি তৈরি হতো না। তারা বলেন, “একই জায়গায় বারবার মারামারি হচ্ছে, কিন্তু স্থায়ী কোনো পদক্ষেপ চোখে পড়ছে না। এতে করে কিশোর গ্যাংগুলো আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে।”

তবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখা হচ্ছে। অভিযুক্তদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে এবং ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে টহল জোরদার করা হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, কিশোর গ্যাং নিয়ন্ত্রণে শুধু আইন প্রয়োগই যথেষ্ট নয়; এর পাশাপাশি পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সমাজের সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন। তারা কিশোরদের ইতিবাচক কার্যক্রমে সম্পৃক্ত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।

এদিকে, স্থানীয়দের দাবি—দ্রুত দৃশ্যমান ব্যবস্থা গ্রহণ, নিয়মিত পুলিশ টহল এবং সিসিটিভি নজরদারি নিশ্চিত করা না হলে পরিস্থিতি আরও অবনতি ঘটতে পারে

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar