আবু কাওসার মাখন ,রাজশাহী ব্যুরো।
দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।
রাজশাহী মহানগরীর সিএন্ডবি থেকে সিমলা পর্যন্ত সড়কে গত এক মাসে অন্তত চার দফা কিশোর গ্যাংয়ের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। ধারাবাহিক এসব সহিংসতায় সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম উদ্বেগ ও আতঙ্ক বিরাজ করছে। একই স্থানে বারবার এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তিতে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এলাকায় সক্রিয় কয়েকটি কিশোর গ্যাং দীর্ঘদিন ধরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়ছে। সামান্য বিষয়কে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া এসব বিরোধ মুহূর্তেই সংঘর্ষে রূপ নিচ্ছে। প্রতিটি ঘটনায় দেশীয় অস্ত্রের ব্যবহার, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া এবং ভাঙচুরের মতো পরিস্থিতি সৃষ্টি হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, প্রথম কয়েকটি ঘটনার পরই যদি কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হতো, তাহলে পরবর্তীতে এমন পরিস্থিতি তৈরি হতো না। তারা বলেন, “একই জায়গায় বারবার মারামারি হচ্ছে, কিন্তু স্থায়ী কোনো পদক্ষেপ চোখে পড়ছে না। এতে করে কিশোর গ্যাংগুলো আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে।”
তবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখা হচ্ছে। অভিযুক্তদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে এবং ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে টহল জোরদার করা হয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, কিশোর গ্যাং নিয়ন্ত্রণে শুধু আইন প্রয়োগই যথেষ্ট নয়; এর পাশাপাশি পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সমাজের সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন। তারা কিশোরদের ইতিবাচক কার্যক্রমে সম্পৃক্ত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।
এদিকে, স্থানীয়দের দাবি—দ্রুত দৃশ্যমান ব্যবস্থা গ্রহণ, নিয়মিত পুলিশ টহল এবং সিসিটিভি নজরদারি নিশ্চিত করা না হলে পরিস্থিতি আরও অবনতি ঘটতে পারে