1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
রামিসা হত্যা মামলায় দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১৬ দিনেই শেষ বিচার - bdtelegraph24.com
মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:০৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
টাকার অভাবে ভর্তি অনিশ্চিত মেধাবী বিথীর পাশে ছাত্রদল নেতা পাবনার ফরিদপুরে দেশীয় অস্ত্র ও ১৫ রাউন্ড তাজা গুলি উদ্ধার বাঘাইছড়িতে ২ পিস্তল, গুলি ও বিপুল ভারতীয় সিগারেট উদ্ধার শেখ হাসিনার জন্মদিনে শুভেচ্ছা জানিয়ে মন্তব্য, জাবি ছাত্রশক্তি নেতাকে পুলিশে সোপর্দ চুনা ম্যানগ্রোভকে (ওইসিএম) হিসেবে স্বীকৃতির উদ্যোগে স্থানীয় জনগণের সম্মতি যশোরে ভেজাল শিশুখাদ্য বিক্রি: ইত্যাদি স্টোরকে ২ লাখ টাকা জরিমানা শিক্ষকরাই পারেন আলোকিত মানুষ গড়তে: এ্যাডভোকেট এ.কে.এম সেলিম রেজা এমপি রাষ্ট্রপতির পুলিশ পদক পেলেন এসআই অসিত কুমার বসাক সরকারি দেবেন্দ্র কলেজে দিনব্যাপী প্রাথমিক চিকিৎসা কর্মশালা অনুষ্ঠিত বাজেট সংকটে ৪ বছরেও শুরু হয়নি জবির প্রধান ফটক সংস্কার কাজ

রামিসা হত্যা মামলায় দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১৬ দিনেই শেষ বিচার

  • সর্বশেষ আপডেট : রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬
  • ৪৩২ জন খবরটি পড়েছেন

নিজস্ব প্রতিবেদক।

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

রাজধানীর পল্লবীতে আট বছর বয়সী শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণ ও নৃশংস হত্যার আলোচিত মামলায় দুই আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। রোববার ঢাকার মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন এই রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার। রায় ঘোষণার সময় তাদের আদালতে উপস্থিত রাখা হয়। এর আগে সকালে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে কারাগার থেকে তাদের আদালতে আনা হয়।

মামলার নথি অনুযায়ী, গত ১৯ মে পল্লবীতে প্রতিবেশীর ফ্ল্যাটে শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যার শিকার হয়। পরে তার বাবা পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় শিশুটিকে ধর্ষণ, হত্যা এবং মরদেহ গুমের উদ্দেশ্যে খণ্ড-বিখণ্ড করার অভিযোগ আনা হয়।

রাষ্ট্রপক্ষ আদালতে ফরেনসিক তথ্য, আলামত ও আসামিদের বক্তব্য উপস্থাপন করে সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করে। আদালত মাত্র ১৬ দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন, সাক্ষ্যগ্রহণ, যুক্তিতর্ক ও বিচারিক কার্যক্রম শেষ করে রায় ঘোষণা করে।

মামলায় চার্জশিটভুক্ত ১৮ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জন আদালতে সাক্ষ্য দেন। তাদের মধ্যে ছিলেন নিহত শিশুর পরিবারের সদস্য, তদন্ত কর্মকর্তা, সুরতহাল প্রস্তুতকারী পুলিশ কর্মকর্তা এবং ফরেনসিক চিকিৎসক।

ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে শিশুটির শরীরে নির্যাতনের চিহ্ন এবং ধারালো অস্ত্রের আঘাতে মৃত্যুর তথ্য উঠে আসে। একইসঙ্গে ফরেনসিক পরীক্ষায় ধর্ষণের আলামত পাওয়া যায় বলে আদালতে জানানো হয়।

তদন্ত কর্মকর্তা আদালতকে জানান, ঘটনার পর আসামিরা আলামত নষ্টেরও চেষ্টা করেছিল।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar