নিউজ ডেস্ক।
দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।
বুধবার মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল ভিক্টোরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ কর্মসূচির তৃতীয় পর্যায়ের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, অতীতে জনগণের অর্থ বিদেশে পাচার হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের অর্থপাচার ঠেকাতে সরকার কঠোর অবস্থান নেবে। তিনি বলেন, জনগণের অর্থ জনগণের জন্য এবং দেশের উন্নয়নের জন্য ব্যয় করা হবে।
অনুষ্ঠানে তিনি ১০ জন নারীর হাতে সরাসরি ফ্যামিলি কার্ড তুলে দেন এবং কম্পিউটারে বাটন চেপে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। একই সঙ্গে চা শ্রমিকদের আবাসন সহায়তায় দুই লাখ টাকা করে অনুদান, শ্রমিকদের সন্তানদের জন্য বৃত্তি এবং প্রতিবন্ধীদের আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ করা হয়।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনী প্রচারণার সময় চা-বাগানের নারী শ্রমিকদের ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, সরকার তা বাস্তবায়ন শুরু করেছে। আগামী এক বছরের মধ্যে অধিকাংশ চা শ্রমিক পরিবারের কাছে এ সুবিধা পৌঁছে দেওয়ার আশাবাদও ব্যক্ত করেন তিনি।
দেশের উন্নয়নে নারী-পুরুষের যৌথ অংশগ্রহণের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, নারীদের স্বাবলম্বী করে তুলতে পারলেই দেশের অগ্রযাত্রা আরও গতিশীল হবে। এ লক্ষ্যেই ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি চালু করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে সমাজকল্যাণ ও মহিলা-শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক এজেডএম জাহিদ হোসেনের সভাপতিত্বে বিভিন্ন মন্ত্রী, জনপ্রতিনিধি, সরকারি কর্মকর্তা এবং উপকারভোগীরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের শেষে প্রধানমন্ত্রী একটি জাম ও একটি কৃষ্ণচূড়া গাছের চারা রোপণ করেন।