নিউজ ডেস্ক
রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) ২০২৬, সন্ধ্যা ৭:৪২ মিনিট
দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।
ঢাকা ও নয়াদিল্লির মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে বরফ গলানোর কূটনৈতিক উদ্যোগ ভেস্তে যাওয়ার পেছনে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের (এমইএ) ভেতরে গড়ে ওঠা একটি শক্তিশালী লবির হাত রয়েছে বলে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। প্রভাবশালী ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, পেশাদার পররাষ্ট্র সেবা (আইএফএস) ক্যাডারের বাইরে গিয়ে দিনেশ ত্রিবেদীকে বাংলাদেশে ভারতের হাইকমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেওয়ায় মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের একাংশ ক্ষুব্ধ।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ঢাকা ও দিল্লির মধ্যকার দূরত্ব কমাতে দিনেশ ত্রিবেদী উদ্যোগ নেন এবং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারত সফরের বিষয়ে সম্মত করান। তবে সফরের সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ্যে আসার পরপরই ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তা ভেস্তে দিতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে।
কূটনৈতিক প্রটোকল লঙ্ঘন করে দিল্লির ‘ফরেন করেসপন্ডেন্টস ক্লাব’ (এফসিসি)-এ শেখ হাসিনাকে ভার্চ্যুয়াল সংবাদ সম্মেলন করার সুযোগ দেওয়া হয়, যেখানে তিনি বর্তমান সরকারের কঠোর সমালোচনা করেন। অথচ এক বছর আগে একই মন্ত্রণালয় দিল্লি প্রেস ক্লাবে শেখ হাসিনার নির্ধারিত সংবাদ সম্মেলন বাতিল করেছিল।
সম্পর্কের এই টানাপোড়েনের জেরে দিল্লিতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অংশগ্রহণের সম্ভাবনা এখন ক্ষীণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
প্রতিবেদনে ভারতের অভ্যন্তরীণ রাজনীতির বেশ কিছু ইস্যুও উঠে এসেছে। এর মধ্যে রয়েছে দিল্লি পুলিশের অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ নিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সমালোচনা এবং দিল্লির ঐতিহ্যবাহী ‘জিখানা ক্লাব’ খালি করার নোটিশ ঘিরে ক্ষমতাসীন বিজেপির আমলা ও সংসদ সদস্যদের মধ্যে বিভক্তি। এছাড়া টাটা ট্রাস্টের ক্ষমতার টানা পোড়েন ও পার্সি ঐতিহ্য রক্ষার বিষয়টিও আলোচনায় উঠে এসেছে।