নিউজ ডেস্ক
রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬), দুপুর ১২টা ১ মিনিট
দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।
২০২৭ সালের হজে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কিছু শারীরিক অসুস্থতায় আক্রান্ত ব্যক্তি ও শিশুদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী, ১৫ বছরের কম বয়সী শিশু এবং জটিল রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিরা এবার হজে যাওয়ার সুযোগ পাবেন না। সৌদি সরকারের নিয়ম মেনে হজযাত্রীদের চূড়ান্ত তালিকা তৈরির লক্ষ্যে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের গত ২৭ জুলাইয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দীর্ঘমেয়াদি হৃদ্রোগ, ফুসফুস, লিভার ও কিডনি রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিরা হজে যেতে পারবেন না। এছাড়া স্নায়বিক রোগ, গুরুতর মানসিক অসুস্থতা ও ডিমেনশিয়ায় আক্রান্ত ব্যক্তিদেরও অযোগ্য হিসেবে বিবেচনা করা হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, কেমোথেরাপি, বায়োলজিক্যাল থেরাপি বা রেডিওথেরাপি নিচ্ছেন এমন ক্যান্সার রোগীদের হজে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে না। পাশাপাশি যক্ষ্মা (টিবি) ও হেমোরেজিক ফিভারের মতো জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ সংক্রামক রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিরাও এই তালিকায় রয়েছেন।
গর্ভবতী নারীদের ক্ষেত্রে নির্দেশনা
গর্ভাবস্থার শেষ দুই মাসে থাকা নারী এবং উচ্চঝুঁকিপূর্ণ গর্ভাবস্থায় থাকা নারীদের হজ পালনের জন্য ফিটনেস সার্টিফিকেট দেওয়া হবে না। ফলে তারাও ২০২৭ সালের হজে অংশ নিতে পারবেন না।
মন্ত্রণালয় জানায়, হজের প্রাথমিক নিবন্ধনের সময় হজযাত্রীদের প্রশিক্ষণ ও টিকাদানের জন্য জেলা নির্বাচন করতে হবে। একই সঙ্গে হজের ধরন ও প্যাকেজ নির্বাচন করা বাধ্যতামূলক। এছাড়া হজযাত্রীর পাসপোর্টের মেয়াদ ৩১ ডিসেম্বর ২০২৭ পর্যন্ত থাকতে হবে।
ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়, আগামী ২৪ সেপ্টেম্বরের পর হজের প্রাথমিক নিবন্ধনের সময় আর বাড়ানো হবে না। নিবন্ধন শেষ হওয়ার পর বাংলাদেশ থেকে কতসংখ্যক মানুষ হজ পালনে আগ্রহী, সেই চূড়ান্ত সংখ্যা সৌদি কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।