1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
নিজ দেশে ভালোভাবে ফেরত নাহলে এই দেশে সুন্দরভাবে চলার মতো সুযোগ সুবিধা চাই - bdtelegraph24.com
বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৩৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
দৌলতপুরে দু’দল মাদক ব্যবসায়ীর মধ্যে সংঘর্ষ ও গুলি, নিহত ১ আহত ৭ অভয়নগরে ভৈরব নদে নিখোঁজের ২১ ঘণ্টা পর শিশুর মরদেহ উদ্ধার বাবাকে খাওয়ানোর সেই তুবা ফিরল স্কুলে, পাশে উপজেলা প্রশাসন ধর্ষক আর কখনো মুক্তি পাবে না: ভুক্তভোগী শিশুকে বিচারকের আবেগঘন চিঠি মহেশপুরে ট্রাক্টরের ধাক্কায় ভ্যানচালক নিহত, আহত ২ সর্বশক্তি দিয়ে আইনের সমান প্রয়োগ নিশ্চিত করবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী বাঘারপাড়ায় নাশকতা মামলায় আওয়ামী লীগের ৭ নেতা-কর্মী আটক দৌলতপুরে কৃষক কার্ডের দ্বিতীয় ধাপের পাইলটিং উদ্বোধন: ১,৭৬৯ কৃষক পেলেন সহায়তা কুষ্টিয়ায় বাস চাপায় নারী নিহত, আহত ২ মোংলায় র‍্যালি ও আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস পালিত

নিজ দেশে ভালোভাবে ফেরত নাহলে এই দেশে সুন্দরভাবে চলার মতো সুযোগ সুবিধা চাই

  • সর্বশেষ আপডেট : শুক্রবার, ২৬ আগস্ট, ২০২২
  • ২১৩ জন খবরটি পড়েছেন

ডেস্ক রিপোর্ট।।

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

জীবন বাঁচাতে ২০১৭ সালে কয়েক লাখ লোক মায়ানমার থেকে পালিয়ে এসে আশ্রয় নেয় বাংলাদেশে, যাদের মাঝে আনোয়ার শাহ’র মতো অনেক শিশুও ছিলো। এসব শিশুর অনেকেই এখন পরিপূর্ণ যুবক। বয়স আটার বছর হয়ে গেলেও ক্যাম্পে তাদের জীবন গড়ার কোন সুযোগ নেই।

গত পাঁচ বছরে তারা শুধুমাত্র ঘরের জন্য পানি আর ত্রাণ সংগ্রহ করেই কেটেছে।

বিবিসি বাংলাকে তিনি বলেন, “কাজের মধ্যে আমাদের মাত্র দুইটা কাজ, খাওয়া আর ঘুমানো। এর বাইরে আর কোন কাজ নেই।””যেহেতু আমরা ক্যাম্পের বাইরে খুব বেশি দূরে যেতে পারি না।”

মায়ানমারে থাকতে আনোয়ার শাহ চেয়েছিলেন কোরান হাফেজ হবেন, এবং একজন ধর্মীয় শিক্ষক হবেন। এই স্বপ্ন পূরণ করতে তিনি ১৫ পারা কোরান মুখস্তও করেছেন, কিন্তু রাখাইনে তাদের উপর নির্যাতন শুরু হওয়ায় পড়ালেখা বাদ দিয়ে জীবন বাঁচাতে বাংলাদেশে চলে আসতে হয় তাকে। ফলে তার আর কোরআন হাফেজ হয়ে উঠা সম্ভব হয়নি।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পেও খুব বেশি পড়ালেখার সুযোগ নেই, দিন মজুর হিসেবে কিছু আয় করার সুযোগ থাকলে বড় কোন চাকরি বা ব্যবসা করার অনুমতি নেই তাদের। আর যেহেতু পড়ালেখাও শেষ করতে পারেননি তাই জীবন নিয়ে খুব বেশি স্বপ্নও দেখেন তা তিনি। সদ্য কৈশোর পা দেওয়া আনোয়ার শাহ যৌবনে পা দিয়েই বিয়ে করে ফেলতে চান। কিন্তু বাংলাদেশি আইনে ২২ বছর বয়সের আগে ছেলেরা বিয়ে করতে পারে না, তাই বাধ্য হয়ে তাকে আরও ৪ বছর অপেক্ষা করতে হবে।

তার ভাষায়: “মায়ানমারে আমাদের লোকেরা ১৮-১৯-২০ বছর বয়সেই সংসার শুরু করে, কিন্তু এখানে নাকি ২২ বছরের আগে বিয়ে করা যায় না, সিআইসি (ক্যাম্প ইনচার্জ) জানিয়েছে আমাদের এই নিয়ম মানতে হবে।”

জীবন বাঁচাতে বাংলাদেশে পালিয়ে এলেও এখন অনেকটা হতাশায় পেয়ে বসেছে আনোয়ার শাহকে। অনেকটা হতাশা নিয়েই বলেন- “হয় আমাদের নিজেদের দেশে ভালোভাবে ফিরিয়ে নেওয়া হোক, না হয় এই দেশে সুন্দরভাবে চলতে পারার মতো সুযোগ সুবিধা করে দেওয়া হোক।”

বাংলাদেশে এসে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে থাকতে কেমন লাগে, একজন সদ্য যুবক হওয়া মানুষের জীবনটা কেমন কাটছে এসব বিষয়ে রোহিঙ্গা যুবক আনোয়ার শাহ’র সাথে কথা বলেছেন বিবিসির শাহনেওয়াজ রকি। বিবিসি থেকে নেয়া

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar