ডেস্ক নিউজ।
দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।
প্রাচুর্য, সৌন্দর্য, সৌভাগ্য ও সমৃদ্ধির দেবী লক্ষ্মীর পূজা। শারদীয় দুর্গোৎসবের পর হিন্দুদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব লক্ষ্মীপূজা। হিন্দু বিশ্বাস মতে, উন্নতি আলো, জ্ঞান, সৌভাগ্য, দানশীলতা, সাহস ও সৌন্দর্যের দেবীও লক্ষ্মী।
হিন্দু পুরাণ মতে, বছরের সবচেয়ে উজ্জ্বল রাত আশ্বিনের পূর্ণিমা তিথিতে ধনসম্পদ, প্রাচুর্য, সৌন্দর্য ও সমৃদ্ধির দেবী লক্ষ্মী বিষ্ণুলোক থেকে পৃথিবীতে নেমে আসেন পূজা গ্রহণ করতে। লক্ষ্মী দেবী সন্তুষ্ট থাকলে সংসারে অর্থকষ্ট থাকবে না ও সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য বাড়বে।
আশ্বিনের এই পূর্ণিমার রাতে দেবী লক্ষ্মী এসে ঘরে ঘরে খোঁজ নিয়ে যান, কে জেগে আছে। এই রাতে যে ব্যক্তি জেগে দেবীর আরাধনা করে তার ঘরেই প্রবেশ করেন লক্ষ্মী। তাই লক্ষ্মীপূজা ভক্তদের কাছে কোজাগরি পূজাও।
পৌরাণিক কাহিনি অনুসারে, লক্ষ্মী দেবী দ্বিভুজা ও তার বাহন প্যাঁচা এবং হাতে থাকে শস্যের ভাণ্ডার। তবে বাংলার বাইরে লক্ষ্মীর চতুর্ভুজা কমলে-কামিনী মূর্তিই বেশি দেখা যায়।
লক্ষ্মীপূজা সাধারণত পারিবারিক পূজা। বাংলার হিন্দু সম্প্রদায় ঘরে ঘরে এই পূজার আয়োজন করে থাকে। তবে আজিমপুর, লালবাগের অনেক বাসিন্দা ঢাকেশ্বরী মন্দিরে যান পূজা দিতে। তেমনি ঢাকার রামকৃষ্ণ মিশন ও মঠ মন্দির, রাম-সীতা মন্দির, পঞ্চানন্দ শিব মন্দির, গৌতম মন্দির, রাধা-মাধব বিগ্রহ মন্দির, রাধা-গোবিন্দ জিও ঠাকুর মন্দিরসহ বিভিন্ন মন্দির ও পুরান ঢাকার শাঁখারিবাজার, তাঁতীবাজার, সূত্রাপুর, ফরাশগঞ্জ, লক্ষ্মীবাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় লক্ষ্মীপূজার আয়োজন করা হয়। মঙ্গলঘট ও ধানের ছড়ার সঙ্গেই গৃহস্থের আঙিনায় শোভা পায় চালের গুঁড়ার আলপনায় লক্ষ্মীর ছাপ। লক্ষ্মীর পা আঁকা হবে বহু বাড়ির প্রবেশপথে।