1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
সড়ক দুর্ঘটনায় একমাত্র ছেলে সুদীপ্তের মৃত্যুতে শিক্ষক দম্পতি মা-বাবা বাক্রুদ্ধ - bdtelegraph24.com
শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৩৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
লোহাগাড়ায় বনাঞ্চলের পাশে শতাধিক অবৈধ করাতকল, মানা হচ্ছে না বিধিমালা পীরগঞ্জে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প; চিকিৎসাসেবায় মানুষের পাশে দুই চিকিৎসক দৌলতপুরে দু’দল মাদক ব্যবসায়ীর মধ্যে সংঘর্ষ ও গুলি, নিহত ১ আহত ৭ অভয়নগরে ভৈরব নদে নিখোঁজের ২১ ঘণ্টা পর শিশুর মরদেহ উদ্ধার বাবাকে খাওয়ানোর সেই তুবা ফিরল স্কুলে, পাশে উপজেলা প্রশাসন ধর্ষক আর কখনো মুক্তি পাবে না: ভুক্তভোগী শিশুকে বিচারকের আবেগঘন চিঠি মহেশপুরে ট্রাক্টরের ধাক্কায় ভ্যানচালক নিহত, আহত ২ সর্বশক্তি দিয়ে আইনের সমান প্রয়োগ নিশ্চিত করবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী বাঘারপাড়ায় নাশকতা মামলায় আওয়ামী লীগের ৭ নেতা-কর্মী আটক দৌলতপুরে কৃষক কার্ডের দ্বিতীয় ধাপের পাইলটিং উদ্বোধন: ১,৭৬৯ কৃষক পেলেন সহায়তা

সড়ক দুর্ঘটনায় একমাত্র ছেলে সুদীপ্তের মৃত্যুতে শিক্ষক দম্পতি মা-বাবা বাক্রুদ্ধ

  • সর্বশেষ আপডেট : শুক্রবার, ১০ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩
  • ২৯৬ জন খবরটি পড়েছেন

বাঘারপাড়া(যশোর)প্রতিনিধি।

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

শিক্ষক দম্পতির একমাত্র ছেলে সুদীপ্ত। বছর দুয়েক আগে চাকুরী নিয়েছেন স্থানীয় বাকড়ী বহুমুখী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে কম্পিউটার ল্যাব সহকারী পদে। একমাত্র বোন তমা বিশ্বাসকে বিবাহ দেওয়া হয়েছে পাশের বেনাহাটি গ্রামে। ছেলেকে বিয়ে দিতে চেয়েছিলেন বাড়ির নির্মান কাজ শেষ হলেই । কিন্তু সেই স্বপ্ন অধরাই থেকে গেল।

বৃহস্পতিবার রাতে পিকনিক থেকে বাড়ি ফেরার পথে গোপালগঞ্জের কাশিয়ানিতে সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যান যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার দোগাছি গ্রামের কুমারেশ বিশ্বাসের ছেলে ও বাকড়ী বহুমুখি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের কম্পিউটার ল্যাব সহকারী সুদীপ্ত বিশ্বাস। সুদীপ্তের বড় ভাই ১৯৮৫ সালে পানিতে ডুবে মারা যায়। এ দুর্ঘটনায় আরো দু’জন নিহত ও কমপক্ষে ৫০ জন আহত হয়েছেন।

এদিকে শুক্রবার সকালে সুদীপ্তের বাড়িতে গেলে দেখা যায়, একমাত্র ছেলেকে হারিয়ে স্কুল শিক্ষক মা মিনতি ভৌমিক বারবার ছেলের কথা বলে বিলাপ করেন আর মূর্ছা যান। স্কুল শিক্ষক বাবা কুমারেশ বিশ্বাস ছেলের শোকে অনেকটা বাক্রুদ্ধ হয়ে গেছেন। চেয়ারে বসে কি যেন ভাবছেন তিনি। কারো সাথে কথাও বলছেননা। আর একমাত্র বোন তমা বিশ্বাস ভাইয়ের শবদেহ ধরে চিৎকার করে কাঁদছেন। স্বজনদের আহাজারিতে এগারোখান বাকড়ী এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সুদীপ্তের অকাল মৃত্যুতে শুধু স্বজনরাই নয়, কেঁদেছেন প্রতিবেশীরাও, সহকর্মী ও দূরদূরান্ত থেকে আসা মানুষেরাও। শেষবারের মতো দেখতে শত শত মানুষ ভিড় জমায় তার বাড়িতে। প্রতিবেশি স্কুল শিক্ষক শান্তনু বিশ্বাস বলেন, সুদীপ্ত ছিল শান্ত প্রকৃতির। কারো সাথে বিবাদে জড়াতে দেখিনি কখনো। সবাই তাকে ভালোবাসতো।

শিক্ষকরা জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার সকালে তিনটি বাসে করে বাঘারপাড়ার বাঁকড়ি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী-শিক্ষক-অভিভাবকরা গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় পিকনিকে যায়। ফেরার পথে রাতে তাদের বহনকারী একটি বাস দুর্ঘটনায় কবলিত হয়। পিকনিকের একটি বাসকে ওভারটেক করতে গিয়ে আরেকটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারালে এই দুর্ঘটনা ঘটে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন।

শুক্রবার দুপুর ২টার দিকে বাড়ির পাশে দাদা দাদির সমাধির পাশে সুদীপ্তকে সমাহিত করা হয়।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar