ফাতেমা আক্তার তোয়া।
দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।
বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসে (বিইউপি) ‘পরিবর্তনশীল উদার আন্তর্জাতিক ব্যবস্থায় অর্থনৈতিক জাতীয়তাবাদের উত্থান’ থিম কে সামনে রেখে অনুষ্ঠিত হয়েছে তিন দিনব্যাপী ‘বিইউপি ইন্টারন্যাশনাল মডেল ইউনাইটেড নেশনস কনফারেন্স–২০২৬’ (BUPIMUN 2026)। গত ১৫ থেকে ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত আয়োজিত এ সম্মেলনের সমাপনী অনুষ্ঠান ১৭ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাধীনতা অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়।
বিইউপির ফ্যাকাল্টি অব সিকিউরিটি অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ (এফএসএসএস) এবং বিইউপি গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্স কাউন্সিলের তত্ত্বাবধানে সম্মেলনটি আয়োজন করা হয়।
শিক্ষার্থীদের মধ্যে আন্তর্জাতিক কূটনীতি সম্পর্কে ধারণা তৈরি, নেতৃত্বের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং বৈশ্বিক বিভিন্ন বিষয়ে যুক্তিনির্ভর আলোচনার সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে এ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, সম্মেলনে বিইউপিসহ দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ৫৪৭ জন শিক্ষার্থী ও প্রতিনিধি অংশ নেন। এ ছাড়া ৪০ জন নির্বাহী বোর্ড সদস্য বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। শ্রেষ্ঠ প্রতিনিধি দল হিসেবে বিবেচিত হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
জাতিসংঘের কার্যক্রমের আদলে আয়োজিত এ সম্মেলনে অংশগ্রহণকারীরা আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে আলোচনা, কূটনৈতিক আলোচনা-পর্যালোচনা এবং পারস্পরিক মতবিনিময়ের সুযোগ পান।
BUPIMUN এর মহাসচিব মাহাজাদ আলভি চৌধুরী বলেন,“BUPIMUN 2026 এমন একটি বিশ্বের প্রতিচ্ছবি, যেখানে জাতীয় স্বার্থ ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার ভারসাম্য নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত হচ্ছে। পরিবর্তনশীল উদার আন্তর্জাতিক ব্যবস্থায় অর্থনৈতিক জাতীয়তাবাদের উত্থান এমন চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে, যা একক দৃষ্টিকোণ থেকে বোঝা সম্ভব নয়। BUPIMUN-এর মাধ্যমে আমরা এমন তরুণদের একত্রিত করতে চাই, যারা প্রশ্ন তুলবে, আলোচনা করবে এবং এই জটিলতাগুলোর সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হবে।” পাশাপাশি
BUPIMUN এর চিফ অব স্টাফ জিসা রাশনিয়া বলেন,
“পরিবর্তনশীল আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা শুধু সংলাপ নয়, বিভিন্ন স্বার্থকে বোঝা এবং মতপার্থক্যের মধ্য দিয়ে কাজ করার সক্ষমতাও দাবি করে। BUPIMUN তরুণ ডেলিগেটদের একটি ক্রমবর্ধমান বিভক্ত যা বিশ্বে সহযোগিতার গুরুত্ব সম্পর্কে আরও গভীর উপলব্ধি নিয়ে ফিরে যাবে।”
সম্মেলনটি শিক্ষার্থীদের মধ্যে বৈশ্বিক সহযোগিতা, পারস্পরিক বোঝাপড়া এবং আন্তর্জাতিক সমস্যা সমাধানে গঠনমূলক ভূমিকা রাখার মানসিকতা তৈরিতে ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।