ডেস্ক রিপোর্ট।।
দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।
রাজধানী কলম্বোতে বিক্ষোভকারীদের ওপর সরকার সমর্থকদের আক্রমণের পর আন্দোলন সহিংসতায় রূপ নিয়েছে। পরিস্থিতির নিয়ন্ত্রণে পুলিশ কারফিউ জারি করেছে।
এদিকে প্রেসিডেন্টের পদত্যাগ না করা পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাবার ঘোষণা দিয়েছেন বিক্ষোভকারীরা।পরিস্থিতি সামাল দিতে দেশ জুড়ে চলা কারফিউ বুধবার পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। পরিস্থিতি শান্ত করতে সেনাবাহিনী তলব করা হয়েছে।
বিক্ষোভকারীরা এখন দেশের প্রেসিডেন্ট গোটাবায়া রাজাপাকশা, যিনি মাহিন্দার ভাই, তার পদত্যাগ দাবি করছে। তবে তিনি পদত্যাগ না করার সিদ্ধান্তে অটল রয়েছেন।
শুক্রবার থেকে দেশটিতে জরুরি অবস্থা চলছে, এর মধ্যেই দেশের বিভিন্ন জায়গায় মাহিন্দা রাজাপাকশার অনুগতদের কয়েক ডজন বাড়িঘর পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
বিদায়ী প্রধানমন্ত্রীর ছোট ভাই প্রেসিডেন্ট গোটাবায়া রাজাপাকশার জরুরি অবস্থার মাধ্যমে সেনাবাহিনীকে ব্যাপক ক্ষমতা দেয়া হয়েছে।
শ্রীলংকার সবচেয়ে ভয়াবহ অর্থনৈতিক মন্দার কারণে প্রেসিডেন্ট এবং প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ চলছে দেশটিতে।
সোমবার কলম্বোতে মাহিন্দা রাজাপাকশার সরকারি বাসভবন টেম্পল ট্রির বাইরে সরকার বিরোধী বিক্ষোভকারীদের সাথে সরকার সমর্থকদের ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। এরপর মূল যে বিক্ষোভের কেন্দ্র গ্যল ফেস গ্রিনে তা ছড়িয়ে পড়ে। সরকার সমর্থকেরা পুলিশ লাইনে হামলা চালায় এবং সরকার-বিরোধী বিক্ষোভকারীদের ওপর লাঠি-সোটা নিয়ে হামলা চালায়।

রাত বাড়ার সাথে সাথে দেশের বিভিন্ন জায়গায় রাজাপাকশার বাড়িতে, বিভিন্ন মন্ত্রী এবং সংসদ সদস্যদের বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়। মন্ত্রী সানাৎ নিশান্তার বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয় বিক্ষোভকারীরা।
এর মধ্যে হাম্বানটোটায় রাজাপাকশা পরিবারের নিজস্ব একটি বাড়ি যা একটি বিতর্কিত জাদুঘরে রূপান্তরিত করা হয়েছিল, সেটিও পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশ ও দাঙ্গা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।
সামাজিক মাধ্যমে বিভিন্ন ভিডিও ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, বাড়িগুলো ঘিরে আগুনের লেলিহান শিখা ঘিরে মানুষজন উল্লাস করছে।
প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবনের চারপাশের এলাকাতেও আগুন ধরিয়ে দেয়া হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।
বিবিসির আনবারাসন এথিরাজন জানাচ্ছেন, কলম্বোজুড়ে উত্তেজনা চলছে।
দেশটির বিমানবন্দরে যাওয়া এবং আসার সড়কগুলোতে লাঠি এবং রড নিয়ে অবরোধ সৃষ্টি করা হয়েছে। বিবিসি