1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
আসামে দুই দিনে উচ্ছেদ ১,১০০ মুসলিম পরিবার - bdtelegraph24.com
মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ১২:২১ অপরাহ্ন

আসামে দুই দিনে উচ্ছেদ ১,১০০ মুসলিম পরিবার

  • সর্বশেষ আপডেট : মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬
  • ১৮ জন খবরটি পড়েছেন

নিউজ ডেস্ক
২০ অক্টোবর ২০২৬, দুপুর ১২টা

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

ভারতের আসাম রাজ্যের তিন জেলায় দুই দিনের উচ্ছেদ অভিযানে ১,১০০টির বেশি পরিবারকে উচ্ছেদ করা হয়েছে। গত ১৭ ও ১৮ অক্টোবর নগাঁও, হোজাই ও গোলাঘাট জেলায় এই অভিযান চালায় স্থানীয় প্রশাসন। উচ্ছেদ হওয়া পরিবারগুলোর অধিকাংশই বাংলাভাষী মুসলিম বলে সরকারি কর্মকর্তা ও বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

গত ১৭ অক্টোবর কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে ৫৪৭টি পরিবারকে উচ্ছেদ করা হয়। জেলাভিত্তিক হিসাবে নগাঁওয়ে ৩৩৬টি, হোজাইয়ে ১৫২টি এবং গোলাঘাটে ৫৯টি পরিবার উচ্ছেদের শিকার হয়। পরদিন ১৮ অক্টোবর নগাঁও জেলার লুটুমারি-লংজাপ সংরক্ষিত বনাঞ্চলে আরও ৫০০ থেকে ৬০০ পরিবারের বাড়িঘর গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। অভিযানের সময় অনেক বাসিন্দা খননযন্ত্র পৌঁছানোর আগেই মালপত্র নিয়ে এলাকা ছাড়েন।

উচ্ছেদের শিকার বাসিন্দারা বনভূমির অবৈধ দখলদার হিসেবে চিহ্নিত করার সরকারি দাবির বিরোধিতা করেন। তাঁদের দাবি, পূর্বপুরুষেরা বন বিভাগের শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন এবং ব্রিটিশ আমলে প্রচলিত ‘টাউঙ্গিয়া’ ব্যবস্থার আওতায় সরকারই তাঁদের সেখানে বসতি স্থাপনের সুযোগ দিয়েছিল।

উচ্ছেদে বাড়ি হারানো আবদুল নূর বলেন, “১৯৭৪ সালে আমার পরিবারকে ওই জমি দেওয়া হয়েছিল। অভিযানে কয়েক দশক পুরোনো ১০টিরও বেশি মসজিদও ভেঙে ফেলা হয়েছে।”

উচ্ছেদের শিকার পরিবারগুলো সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে গৌহাটি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেও প্রতিকার পায়নি। গত জুন মাসে আদালত তাঁদের ৩০ দিনের মধ্যে এলাকা ছেড়ে যাওয়ার নির্দেশ দেন। আদালতের পর্যবেক্ষণে বলা হয়, সংরক্ষিত বনাঞ্চল রক্ষার জনস্বার্থ সেখানে বসবাসের ব্যক্তিগত দাবির চেয়ে বেশি গুরুত্ব বহন করে।

পুনর্বাসন নিয়ে প্রশ্ন

বনভূমি সংরক্ষণ ও সরকারি জমি পুনরুদ্ধারের যুক্তিতে এসব অভিযান পরিচালিত হচ্ছে বলে জানায় আসাম সরকার। তবে উচ্ছেদ হওয়া বাসিন্দাদের একটি অংশের দাবি, তাঁদের পরিবার দীর্ঘদিন ধরে এসব এলাকায় বসবাস করে আসছে। সরকারি সূত্রের তথ্যের ভিত্তিতে সংকলিত পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আসামে বিজেপির এক দশকের শাসনামলে সরকারি জমি থেকে প্রায় ১৯ হাজার পরিবারকে উচ্ছেদ করা হয়েছে, যার অধিকাংশই মুসলিম।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar