1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
বাঘারপাড়ায় আমন ধানে চিটা : কৃষি অফিসকে দুষলেন চাষিরা - bdtelegraph24.com
রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০২:০৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বাঘারপাড়ার আওয়ামী লীগ নেতা দিলু পাটোয়ারী আটক নবীনগর থানা প্রেসক্লাবের সভাপতি নূর মোহাম্মদ, সম্পাদক অলিউল্লাহ ভাড়া বাসা থেকে কুবি শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার, স্বামী আটক দিল্লিতে স্কুলের ভেতরে দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রীর আত্মহনন গোপালগঞ্জে পুলিশের ওপর হামলা: আহত ২, অভিযানে পুলিশ ইরান থেকে ফেরার পথে কিউবার ব্যবস্থা নেব-ট্রাম্প সাদপন্থিদের ইজতেমা ময়দান ব্যবহারের অনুমতি না দেওয়ার দাবি ওলামা-মাশায়েখদের শ্যামনগরে জেলেখালি ভাই ভাই সংঘের ২১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে স্বেচ্ছাসেবীদের মিলনমেলা খুলনায় তিন মণ ঘোড়ার মাংসসহ বিক্রেতা আটক, কারাদণ্ড পারস্য উপসাগরে মার্কিন সামরিক জাহাজ প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না: ইরান

বাঘারপাড়ায় আমন ধানে চিটা : কৃষি অফিসকে দুষলেন চাষিরা

  • সর্বশেষ আপডেট : বুধবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২২
  • ১৯৭ জন খবরটি পড়েছেন

রাকিব হোসেন বাঘারপাড়া।

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

যশোরের বাঘারপাড়ায় কৃষি অফিসের অসহযোগিতায় ও অবহেলায় ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন উপজেলার আমন চাষিরা। সার সঙ্কট এবং অফিসের সঠিক পরামর্শ না পাওয়ার অভাবে ধানে চিটা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন
আমন কৃষকেরা। আমন ধানে চিটা হওয়ায় উৎপাদন খরচ নিয়েও শংকায় তারা।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, উপজেলায় বিভিন্ন মাঠে ব্রি-৪৯, ব্রি-৮৭, ব্রি-৭৫, বিনা-১৭, হাবু, গুটি স্বর্ণ,হাইব্রিড ধানী গোল্ড ও ব্রি-৫১ জাতের ধান চাষ হয়েছে।
স্থানীয় কৃষকরা বলছেন, চাষের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পর্যাপ্ত পানি না থাকা ও সারের দাম বৃদ্ধিতে এমন ক্ষতি হয়েছে।

শেখেরবাতান গ্রামের কৃষক আমজাদ আলী জানান, জমি তৈরিথেকে শুরু করে ধান কেটে ঘরে তোল পর্যন্ত যে খরচ হবে তার অর্ধেক টাকার ধান বিক্রি হয় কি না সন্দেহ। ৩ বিঘা (৫২শতাংশ= ১বিঘা) জমিতে চাষ করেছি। সার, পানি, শ্রমিকের মুজুরিসহ ১৬ থেকে ১৭ হাজার টাকার মতো খরচ হয়েছে। এক বিঘায় ১৫-১৬ মন ধান হয়েছে। মাড়াই শেষে হিসাব করে দেখা গেছে বিঘাপ্রতি ৪ থেকে ৫ হাজার ক্ষতি হচ্ছে।

রামনগর গ্রামের কৃষক ইউনুচ আলী বলেন, ১২০ শতক জমিতে ব্রি-৪৯ জাতের ধান লাগিয়েছিলাম। ধান মাড়াই করে ৫২ মণ ধান হয়েছে । ধানে অতিরিক্ত চিটা হওয়ায় ফলন কমে গেছে। গত আমন মৌসুমে একই পরিমান জমিতে ৭৫ মণ ধান হয়েছিল।

পাইকপাড়া গ্রামের কৃষক আখতারুজ্জাামান জানান, এক বিঘা জমিতে হাবু জাতের ধান লাগিয়েছিলাম। এতে ফলন হয়েছে ২০ মণ ২০ কেজি। আবাদে খরচ হয়েছে ২০ হাজার টাকার মতো। ধানে চিটা বেশি হওয়ায় লাভ তো দূরে থাক, খরচের টাকাও উঠছে না।

তিনি আরও বলেন, আমন মৌসুমে উপজেলার কোনো কৃষি কর্মকর্তাকে মাঠে পাইনি। তাদের কোনো উপদেশ বা পরামর্শ কোনোটাই নেই। এ ছাড়াও রাসায়নিক সারের ঘাটতি ছিলো। বেশী দামেও সার পাচ্ছিলাম না। আবার বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির অজুহাতে সেচ মালিকরাও সে সময় সেচ দিতে রাজি হয়নি।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রুহুল আমীন মুঠোফোনে জানিয়েছেন, এবার আমনের ফলন ভালো। ধানে চিটা হয়েছে এমন কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তিনি এ সময় আরও যোগ করে বলেন, অফিসে আসেন। কথা হবে বলেই ফোনের সংযোগটি বিচ্ছিন্ন করে দেন।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar