নিজস্ব প্রতিনিধি।
দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।
মানবতার সেবা, সামাজিক সম্প্রীতি ও স্বেচ্ছাসেবামূলক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার প্রত্যয়ে সাতক্ষীরার শ্যামনগরে অনুষ্ঠিত হয়েছে স্বেচ্ছাসেবীদের মিলনমেলা। জেলেখালি ভাই ভাই সংঘের ২১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে জেলেখালি ভাই ভাই সংঘ আয়োজিত উপজেলার অর্ধশতাধিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে এ মিলনমেলার আয়োজন করা হয়। শনিবার (২৪ অক্টোবর) বিকেল ৩টায় শ্যামনগর উপজেলার মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়নের জেলেখালি ভাই ভাই সংঘের মাঠ প্রাঙ্গণে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
জেলেখালী ভাই ভাই সংঘের সভাপতি কৃষিবিদ কৃষ্ণপদ পরমান্য (সার্ভেয়ার) সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শ্যামনগর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবী অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সাইফুদ্দিন সিদ্দিকী, সাধারণ সম্পাদক জান্নাতুল নাঈম ও সাংগঠনিক সম্পাদক কে, এম হাবিবুর রহমানসহ উপজেলার অর্ধশতাধিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্যরা।
জেলেখালি ভাই ভাই সংঘের সাধারণ সম্পাদক সাধন কুমার এর সঞ্চালনায় মিলনমেলায় বিভিন্ন সংগঠনের স্বেচ্ছাসেবীরা পারস্পরিক পরিচিতি অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং মানবিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে সম্মিলিতভাবে কাজ করার গুরুত্ব তুলে ধরেন। সমাজের অসহায় সুবিধাবঞ্চিত ও বিপদগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে সংগঠনগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা ও ঐক্য গড়ে তোলার বিষয়টিও গুরুত্ব পায়।
সভাপতির বক্তব্যে কৃষিবিদ কৃষ্ণপদ পরমান্য বলেন, স্বেচ্ছাসেবা শুধু একটি কাজ নয়, এটি মানুষের প্রতি মানুষের দায়বদ্ধতা ও ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ। সমাজের অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে হলে ব্যক্তিগত উদ্যোগের পাশাপাশি সব স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। পারস্পরিক সহযোগিতা ও মানবিক মূল্যবোধের চর্চার মধ্য দিয়ে আমরা একটি সুন্দর সহমর্মী ও বৈষম্যহীন সমাজ গড়ে তুলতে পারি।
তিনি আরও বলেন জেলেখালি ভাই ভাই সংঘের ২১ বছরের পথচলা সামাজিক দায়বদ্ধতা ও মানবসেবার চেতনাকে এগিয়ে নেওয়ার একটি উপলক্ষ। ভবিষ্যতেও স্বেচ্ছাসেবীদের মধ্যে ভ্রাতৃত্ব সম্প্রীতি ও সহযোগিতার বন্ধন আরও সুদৃঢ় হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
মিলনমেলাটি স্বেচ্ছাসেবীদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং সম্মিলিতভাবে মানবিক ও সামাজিক কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে নতুন অনুপ্রেরণা জোগাবে বলে অংশগ্রহণকারীরা আশা প্রকাশ করেন।
মানবতার সেবায় ঐক্য সহযোগিতা ও ভালোবাসার বন্ধন আরও দৃঢ় হোক এমন প্রত্যাশার মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই আয়োজন স্বেচ্ছাসেবীদের মিলনমেলায় পরিণত হয়।