এ আর রাকিবুল হাসান,কুড়িগ্রাম । কুড়িগ্রাম সদরের ভোগডাঙ্গা ইউনিয়নে একই পরিবারে তিন প্রতিবন্ধী পরিবার-পরিজন নিয়ে তাদের জন্য কষ্টের শেষ নেই। এভাবেই অতিবাহিত হয়েছে ৪ থেকে ৫ যুগ। তাদের পাশে কেউ নেই। প্রতিবন্ধীদের আকুতি ভিক্ষাবৃত্তি নয় সরকারি বা বেসরকারি সংস্থা থেকে তিন ভাইয়ের তিনটি ব্যাটারি চালিত হুইল চেয়ার পেলে তারা অন্যের বাড়িতে কাজ করে জীবন-জীবিকা বাঁচাবে।
দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।
কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার ভোগডাঙ্গা ইউনিয়নের তিন নং ওয়ার্ডের চিলকির পাড় গ্রামের মৃত আব্বাস আলীর পুত্র সোলায়মান( ৬০) মুন্নাফ আলী( ৫৫) ও সামাদ আলী (৪৫) জন্মগতভাবে তারা তিন ভাই এই প্রতিবন্ধী।
জন্মগতভাবে প্রতিবন্ধী তিনজনই এরই মধ্যে সংসার জীবন গড়েছেন। বর্তমান প্রতিবন্ধী ভাতা ও অন্যের বাড়িতে বাঁশের ছাদ, বাঁশের সরঞ্জাম তৈরি করে যেটুকু উপার্জন করে তা দিয়েই মানবেতর জীবনযাপন করছেন। কিন্তু দূর-দূরান্ত গিয়ে কাজ করার জন্য যাওয়া আসা খুবই কষ্টকর। যাতায়াতের সুবিধার্থে নেই তাদের যানবাহন। এ অবস্থায় তাদের দরকার একটি ব্যাটারি চালিত হুইল চেয়ার।
জন্মগতভাবে প্রতিবন্ধী তিন ভাই বলেন অনেক কষ্টে আছি। আমাদের সংসার চালানোর জন্য নেই কোন পুঁজি। দূরদূরান্তে গিয়ে কাজ করতে পারিনা। যাতায়াতের জন্য যদি আমরা একটি ব্যাটারি চালিত হুইল চেয়ার পাইতাম।
এলাকাবাসী বলেন প্রতিবন্ধী তিন ভাইয়ের জন্য প্রয়োজন ব্যাটারি চালিত তিনটি হুইল চেয়ার। তাদের অনেক কষ্টে সংসার চলছে। সরকারি বা বেসরকারি সংস্থা সাহায্য সহযোগিতা করবে এমনটাই দাবি এলাকাবাসীর।
কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার ভোগডাঙ্গা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আলহাজ্ব সাইদুর রহমান জানান, অতি দরিদ্র প্রতিবন্ধী তিন ভাইয়ের ব্যাটারি চালিত হুইল চেয়ার খুবই জরুরী। এ অবস্থায় সরকারিভাবে সাহায্য সহযোগিতার দাবি জানান এই জনপ্রতিনিধি।