লক্ষ্মণ চন্দ্র মন্ডল,বাঘারপাড়া(যশোর)।
দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।
বাঘারপাড়ার খানপুর গ্রামের ১০ কিলো:দৈঘ্যের ১০ টি রাস্তার বেহাল দশা। পল্লী উন্নয়নের প্রধান অন্তরায় হয়ে দাড়িয়েছে এসব রাস্তাগুলোর অচলাবস্থা।
১০ টি রাস্তার ৪টি রাস্তা ৬নং ওয়ার্ডের সদুল্যপুরের অংশে। বাকি ৬ কিলো: মাটির রাস্তা খানপুর ৫ নং ওয়ার্ডে। এ সকল ১০ টি রাস্তা হচ্ছে ঃ ১.খানপুর গ্রামের ঘোপের বটগাছ তলা থেকে মালিপাড়ার মধ্য দিয়ে মুন্সি পাড়ার মাঝ দিয়ে ঘোষ পাড়ায় গিয়ে মিশেছে। ২. অন্য আর একটি রাস্তা হচ্ছে সাবেক চেয়ারম্যান নজির আহম্মদ এর বাড়ি থেকে সোজা দক্ষিনে বাতো কুড়ের পাড় ঘেসে ক্ষেত্রপালার বড় রাস্তায় গিয়ে মিসেছে। ৩. অন্য আর একটি রাস্তা হচ্ছে সাবেক ইউপি সদস্য জাকির মেম্ব্েরর বাড়ির পুর্ব পাশ থেকে সোজা উত্তরে চিত্রা নদীর ঘাট ভায়া পুর্বদিকে খেজের আহম্মদ মুন্সির বাড়ির পাশ দিয়ে বড় মসজিদ হয়ে দক্ষিনে রফি মুন্সির বাড়ির পাশ দিয়ে বড় রাস্তায় গিয়ে মিশেছে। ৪ .খানপুর দক্ষিন পাড়ার আনন্দ মাস্টারের পুকুর গাবি থেকে সোজা উত্তরে হরি সভার মন্দির হয়ে বিভুতির বাড়ি হয়ে সোজা উত্তরে বঙ্কিম মাস্টারের বাড়ির সামনে দিয়ে পুবের পাশের রাস্তায় গিয়ে মিলেছে। ৫. আকমল হাজির বাড়ির পাশ ঘেসে সোজা উত্তরে পাল পাড়া হয়ে.উত্তরে চিত্রানদীর ঘাটে গিয়ে মিশেছে। ৬. শিকদার পাড়া থেকে সোজা দক্ষিনে সোনাকুড় ঘেশে পুর্বদিকে বারিক মুন্সী /মুক্তিযোদ্ধা সিরাজের বাড়ি পর্যন্ত। ৭.সদুল্যপুর শিমুল তলা থেকে সোজা পুর্ব দিকে জগদীশ মন্ডলের বাড়ি হয়ে সোজা দক্ষিনে বাগানের মধ্য দিয়ে বড় রাস্তায় গিয়ে মিশেছে। ৮.সদুল্যপুর সার্বজনীন পুজা মন্দির থেকে দক্ষিনে প্রাইমারী স্কুলে যাওয়ার রাস্তা পর্যন্ত। ৯.সদুল্যপুর ধীরেন বিশ্বাসের বাড়ি থেকে সোজা দক্ষিনে শিমুল তলা হয়ে বটতলা পার হয়ে সোজা দক্ষিনে মুক্তিযোদ্ধা গোপাল দাসের বাড়ি র্পযন্ত। ১০.সদুল্যপুর বদর গাজীর বাড়ি থেকে সোজা দক্ষিনে জাঙালের বিল হয়ে দৌলতপুর গ্রাম পর্যন্ত।
এসব রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ তাদের প্রাত্যহিক কাজে নাস্তা নাবুদ হয়ে চলাচল করতে বাধ্য হতে হয়। এ সব রাস্তার দৈর্ঘ্য কোন কোনটিতে ২০০মিটার দৈর্ঘ্যের পথও রয়েছে। দীর্ঘকাল ধরে রাস্তা গুলো অচলাবস্থার কারনে গ্রামের উন্নয়ন কর্ম কান্ড মুখ থুবড়ে পড়ে আছে। এ সকল রাস্তা গুলোর অচলাবস্থার কথা স্থানীয় চেয়ারম্যান বাবলু কুমার সাহা কে জানতে চাইলে তিনি বলেন প্রতিবছর আমরা দুই/এক কিলো: করে রাস্তা পাকা করে দেয়ার অনুমোদন পেয়ে থাকি। তবে এ ডিবি থেকেও করা হয়। সময় সুযোগ হলে ধীরে ধীরে সব রাস্তার কাজ শেষ হবে বলে আমরা আশা রাখি।