1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
চুরি হওয়া ৮০% অর্থ ফেরত, বাকি ২০% ফেরাতে মামলা চলছে: গভর্নর আহসান মনসুর - bdtelegraph24.com
বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৪৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ডিজিটাল খিচুড়ি চ্যালেঞ্জের আয়োজনে জবি শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ আনসার ও ভিডিপি সদস্য-সদস্যাদের মাঝে ফলজ ও ঔষধি গাছের চাঁরা বিতরণ নরসিংদীতে অনুমোদনহীন ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ১ লাখ টাকা জরিমানা শিক্ষক সংকটে পহরচাঁদা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ব্যাহত পাঠদান যশোরের অভয়নগরে ভৈরব নদে গোসলে নেমে শিশু নিখোঁজ সুন্দরবনে সশস্ত্র হামলার পাঁচ দিন পরেও নিখোঁজ ২১ জেলে, চলছে ড্রোন তল্লাশি লোহাগাড়ায় রাতের আঁধারে পাহাড় কেটে মাটি পাচার, অতিষ্ঠ এলাকাবাসী চট্টগ্রামের মানুষ আগে জান্নাতে যাবে: ওয়াজে আতাউল বারীর বক্তব্য নিয়ে বিতর্ক মাগুরায় ২৩৫ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারে বিদ্যুৎ বিল ৫০৬ কোটি ৮৩ লাখ ১১ হাজার ৫৯৩ টাকা রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ, আলোচনা করলেন সাম্প্রতিক সফর নিয়ে

চুরি হওয়া ৮০% অর্থ ফেরত, বাকি ২০% ফেরাতে মামলা চলছে: গভর্নর আহসান মনসুর

  • সর্বশেষ আপডেট : শনিবার, ১১ জানুয়ারী, ২০২৫
  • ২৩১ জন খবরটি পড়েছেন
গভর্নর আহসান মনসুর
ছবিঃ গভর্নর আহসান মনসুর

স্টাফ রিপোর্টার

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

ঢাকা, ১১ জানুয়ারি ২০২৫: বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে সাইবার হ্যাকিংয়ের মাধ্যমে চুরি হওয়া অর্থের ৮০ শতাংশ ফেরত আনা হয়েছে, জানিয়েছেন ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর। শনিবার (১১ জানুয়ারি) রাজধানীর একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত ‘ব্র্যান্ডিং বাংলাদেশ’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে তিনি এ তথ্য দেন।

গভর্নর মনসুর বলেন, “বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে চুরি হওয়া অর্থের ৮০ শতাংশ ইতোমধ্যেই ফেরত আনা হয়েছে। বাকি অর্থ ফিরিয়ে আনার জন্য মামলা চলছে এবং আমরা আশাবাদী, মামলা জিতে বাকী অর্থও ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে।”

তিনি আরও জানান, সুশাসনের উন্নতির ফলে বর্তমানে দেশের অর্থপাচার বন্ধ হয়ে গেছে এবং রাজনৈতিক অস্থিরতা সত্ত্বেও রেমিট্যান্স প্রবাহ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

চট্টগ্রামের একটি প্রতিষ্ঠান বিদেশে প্রায় ২০ বিলিয়ন ডলার পাচার করেছে, যা উদ্ধারের জন্য কাজ চলছে। বিদেশি সংস্থাগুলোর সহযোগিতাও পাওয়া যাচ্ছে। অর্থ পাচার বিরোধী কর্মকাণ্ডে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (এফবিআই) সহ অন্যান্য বিদেশি সংস্থাগুলোর সঙ্গে আলোচনা চলছে এবং পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনতে বিদেশি আইনজীবী নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে।

রেমিট্যান্স প্রসঙ্গে, গভর্নর জানান, ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স আনতে সরকার আড়াই শতাংশ প্রণোদনা দেওয়ায় প্রতি বছর ৭ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হচ্ছে। গত ৫ মাসে রেমিট্যান্স বেড়েছে ৩০০ কোটি ডলার, এবং রপ্তানি বেড়েছে ২৫০ কোটি ডলার। তবে, সৌদি আরবের পরিবর্তে দুবাই থেকে বাংলাদেশে রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধি পাওয়ায় গভর্নর একে আশঙ্কাজনক হিসেবে উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, “দুবাইয়ের কিছু প্রতিষ্ঠান মুদ্রা বিনিময় হার ম্যানিপুলেট করার চেষ্টা করছে, যা আমাদের জন্য উদ্বেগজনক।”

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar