1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
শেষ কুমিরটিরও মৃত্যু, খান জাহান আলীর মাজারের ঐতিহ্য এখন ইতিহাস - bdtelegraph24.com
বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:০২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
আনসার ও ভিডিপি সদস্য-সদস্যাদের মাঝে ফলজ ও ঔষধি গাছের চাঁরা বিতরণ নরসিংদীতে অনুমোদনহীন ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ১ লাখ টাকা জরিমানা শিক্ষক সংকটে পহরচাঁদা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ব্যাহত পাঠদান যশোরের অভয়নগরে ভৈরব নদে গোসলে নেমে শিশু নিখোঁজ সুন্দরবনে সশস্ত্র হামলার পাঁচ দিন পরেও নিখোঁজ ২১ জেলে, চলছে ড্রোন তল্লাশি লোহাগাড়ায় রাতের আঁধারে পাহাড় কেটে মাটি পাচার, অতিষ্ঠ এলাকাবাসী চট্টগ্রামের মানুষ আগে জান্নাতে যাবে: ওয়াজে আতাউল বারীর বক্তব্য নিয়ে বিতর্ক মাগুরায় ২৩৫ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারে বিদ্যুৎ বিল ৫০৬ কোটি ৮৩ লাখ ১১ হাজার ৫৯৩ টাকা রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ, আলোচনা করলেন সাম্প্রতিক সফর নিয়ে বাঘারপাড়ায় ইউসিবির ‘কিউআর’ বিষয়ক মতবিনিময় সভা

শেষ কুমিরটিরও মৃত্যু, খান জাহান আলীর মাজারের ঐতিহ্য এখন ইতিহাস

  • সর্বশেষ আপডেট : সোমবার, ১০ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
  • ২৩৬ জন খবরটি পড়েছেন

বাগেরহাট প্রতিনিধি। বাগেরহাটের প্রাচীন ঐতিহ্যের সাক্ষী হজরত খান জাহান আলীর (র.) মাজার। মাজার সংলগ্ন বড় দিঘিটির প্রধান আকর্ষণ ছিল ‘কালা পাহাড়’ ও ‘ধলা পাহাড়’ নামের কুমির যুগল। কয়েক বছর ধরে কুমির দুটি মারা যাওয়ায় মাজারের ঐতিহ্য হুমকির মুখে পড়েছিল। এবার মাজারের শেষ কুমিরটিও মারা যাওয়ায় ঐতিহ্যটি পুরোপুরি বিলুপ্তির পথে।

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

স্থানীয়দের ভাষ্য, একসময় এই কুমির দুটি মাজারের ভক্তদের বিশ্বাস ও অনুভূতির প্রতীকে পরিণত হয়েছিল। বহু বছর ধরে তারা এখানে বংশ বিস্তার করে আসছিল। তবে ২০১৫ সালে ‘ধলা পাহাড়’ নামের কুমিরটির মৃত্যুর পর মাজারের ঐতিহ্য হারাতে থাকে। এরপর মাজারের শেষ কুমিরটিও ১৯ অক্টোবর ২০২৩ মারা যায়।

ঐতিহাসিক সতীশ চন্দ্র মিত্রের লেখা ‘যশোহর খুলনার ইতিহাস’ গ্রন্থ থেকে জানা যায়, খান জাহান আলী তার দিঘিতে ‘কালা পাহাড়’ (পুরুষ) ও ‘ধলা পাহাড়’ (নারী) নামে দুটি কুমির ছেড়ে লালন-পালন করতেন। খান জাহান আলীর মৃত্যুর পরও মাজারের খাদেম ও ভক্তরা এই কুমির দুটিকে খাবার দিতেন। ধীরে ধীরে এই কুমির দুটি মাজার সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে ওঠে।

তবে, ২০০৫ সালে ভারতের মাদ্রাজ থেকে আনা ৬টি কুমির এই দিঘিতে অবমুক্ত করা হলে পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটে। এরপর একে একে কুমিরগুলো মারা যেতে থাকে। সবশেষ খবর অনুযায়ী, মাজারের দিঘিতে এখন আর কোনো কুমির অবশিষ্ট নেই।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ঐতিহ্যবাহী এই দিঘির কুমির সংরক্ষণ ও বংশবিস্তারের বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া উচিত। তা না হলে, ছয়শো বছরের ঐতিহ্য খুব শীঘ্রই বিলুপ্ত হয়ে যাবে।

এদিকে, মৃত কুমিরগুলোর চামড়া প্রক্রিয়াকরণের পর ষাটগম্বুজ মসজিদ সংলগ্ন যাদুঘরে দর্শনার্থীদের জন্য সংরক্ষণের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar