1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
২০ বছর স্কুলে না গিয়েও এমপিওভুক্ত: যশোরে শিক্ষক নিয়োগে জালিয়াতির অভিযোগ - bdtelegraph24.com
রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৩৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বাড়ল ২৫২ টাকা যানজট নিরসনে বৃত্তাকার সড়ক নির্মাণকাজের গতি বাড়ানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর অক্টোবরের বেতনের সঙ্গে ৩ মাসের বকেয়া পাবেন সরকারি চাকরিজীবীরা ঢাকা জেলায় সাব-রেজিস্ট্রার বদলি হবে লটারির মাধ্যমে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম ও লোগো ব্যবহারে প্রশাসনের পূর্বানুমোদন বাধ্যতামূলক পাবনায় ৩৫৫টি মন্দিরে হবে শারদীয় দুর্গাপূজা জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ প্রমিলা কাবাডির প্রথম আসরের শিরোপা জুরাছড়ির কালিয়াকৈরে বাংলাদেশ গার্ল গাইডস্ অ্যাসোসিয়েশনের ১৩তম জাতীয় ক্যাম্প শুরু রাঙামাটিতে পুলিশের বিশেষ অভিযান: সন্ত্রাসী ও মাদক সংশ্লিষ্টতায় আটক ৯ নরসিংদী তিন উপজেলায় বাড়ছে সবজির দাম, সিন্ডেকেট কে দায় করলেন কৃষক

২০ বছর স্কুলে না গিয়েও এমপিওভুক্ত: যশোরে শিক্ষক নিয়োগে জালিয়াতির অভিযোগ

  • সর্বশেষ আপডেট : রবিবার, ১ জুন, ২০২৫
  • ১২৭ জন খবরটি পড়েছেন
ছবি-সংগৃহীত

মনিরামপুর।

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

যশোরের মনিরামপুর উপজেলার একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ২০ বছর অনুপস্থিত থেকেও এক ব্যক্তিকে শিক্ষক হিসেবে এমপিওভুক্ত করার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, ওই শিক্ষক বদরুজ্জামানকে নিয়োগ ও এমপিওভুক্ত দেখাতে একাধিক সরকারি ও বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের স্বাক্ষর জাল করা হয়েছে।

২০০৪ সালের ২৪ ডিসেম্বর বিজয়রামপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক (সমাজবিজ্ঞান) পদে বদরুজ্জামান নামে এক ব্যক্তির নিয়োগ দেখানো হয়। পরে ২০০৫ সালের ৫ জানুয়ারি তাঁর যোগদান দেখানো হয়। তবে বিদ্যালয়ের বর্তমান ও সাবেক শিক্ষকরা জানিয়েছেন, বদরুজ্জামান নামে কোনো শিক্ষককে তাঁরা কখনো দেখেননি।

বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক ইনছার আলী বলেন, “৩৭ বছরের কর্মজীবনে বদরুজ্জামান বা বাবু নামে কাউকে আমি নিয়োগ দিইনি। আমার স্বাক্ষরও জাল করা হয়েছে।” একইভাবে সাবেক সভাপতি ঝন্টু পাটোয়ারী বলেন, “আমার স্বাক্ষর কীভাবে রেজ্যুলেশনে এসেছে, তা আমার জানা নেই।”

প্রতিবাদস্বরূপ স্থানীয় জনতা বিদ্যালয়ের বর্তমান প্রধান শিক্ষক তাপস কুমার পাইনকে দুই দফা অবরুদ্ধ করে। তবে তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। একাধিকবার ফোন করলেও তিনি রিসিভ করেননি।

অভিযোগে উঠে এসেছে, বদরুজ্জামান নিজেও স্বীকার করেছেন যে, তিনি কীভাবে এমপিওভুক্ত হয়েছেন, তার উত্তর প্রধান শিক্ষক দিতে পারবেন। “কত টাকা দিয়েছি সেটিও তিনি জানেন,” বলেন তিনি।

বিষয়টি নিয়ে সাবেক ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মুফতি মুহাম্মদ ওয়াক্কাসের ছেলে রশিদ বিন ওয়াক্কাস বলেন, “বিষয়টি শুনেছি। যদি প্রমাণ হয় আমার বাবার স্বাক্ষর জাল করা হয়েছে, তাহলে আমি কঠোর ব্যবস্থা নেব।”

মনিরামপুর উপজেলার মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এ এস এম বজলুর রশিদ জানান, নিয়োগটি পুরনো হওয়ায় যাচাই করা সম্ভব হয়নি। তবে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যশোর জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মাহফুজুল হোসেন জানান, ফাইল ডিজি অফিসে ফরোয়ার্ড করা হয়েছে এবং বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হবে।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar