1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
লোহাগাড়ায় দফাদার জহির উদ্দীনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, মিথ্যা মামলা ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ - bdtelegraph24.com
শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ১০:২২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
চাঁদা না পেয়ে লুটপাট: কেরানীগঞ্জ ও মিরপুরে জিম্মি ব্যবসায়ী ও প্লট মালিকরা শ্যামনগরে জিম্মিদশা থেকে যুবককে উদ্ধার করলো পুলিশ খুলনায় পুলিশ পরিদর্শককে কুপিয়ে টাকা ও মোবাইল ছিনতাই ২০২৬ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার পেলেন আইনজ্ঞ নাভি পিল্লাই টাঙ্গাইলে বিয়ের কয়েক ঘণ্টা পর বাসরঘরে বরের মৃত্যু যুক্তরাষ্ট্রের গালফ উপকূলের দিকে ধেয়ে আসছে হারিকেন ‘ইসাইয়াস’ রিয়াদ বিমানবন্দরে হুতিদের হামলা: পাইলটসহ নিহত ৩ কুমিল্লায় স্কুলছাত্রী তাজমিন হত্যা: সিএনজি চালক সুমন আটক ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পুলিশের পিকআপ খাদে, দুই আসামিসহ আহত ৫ টঙ্গীতে বাসের চাকায় পিষ্ট হয়ে নারী গার্মেন্টস শ্রমিক নিহত

লোহাগাড়ায় দফাদার জহির উদ্দীনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, মিথ্যা মামলা ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ

  • সর্বশেষ আপডেট : রবিবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ২৭০ জন খবরটি পড়েছেন

মনির আহমদ আজাদ, লোহাগাড়া (চট্টগ্রাম)।

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার আমিরাবাদ ইউপি’র ৯নং ওয়ার্ড সুখছড়ী এলাকায় কর্মরত দফাদার জহির উদ্দীনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, ঘুষ গ্রহণ, মাদকচক্রের সঙ্গে আঁতাত, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং প্রশাসনিক প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ উঠেছে। পাশাপাশি ব্যক্তিগত প্রতিহিংসার জেরে এলাকাবাসীকে ব্যবহার করে মিথ্যা মামলা দায়ের ও সামাজিক অস্থিরতা সৃষ্টির অভিযোগও পাওয়া গেছে।

এসব অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, প্রায় পাঁচ দিন পূর্বে দফাদার জহির উদ্দীন নিজের বেপরোয়া গতিতে মোটরসাইকেল চালানোর ফলে দুর্ঘটনায় আহত হন এবং স্থানীয় পল্লী চিকিৎসক বিমল থেকে প্রাথমিক সিকিৎসা নেয়।  চিকিৎসা শেষে বাড়িতে ফিরেই তিনি দুর্ঘটনার জন্য অন্য ব্যক্তিকে দায়ী করে থানায় জিডি করেন।

অভিযোগকারীর দাবি—এই দুর্ঘটনা ছিল স্বাভাবিক এবং এতে অন্য কারো সম্পৃক্ততা না থাকলেও জহির উদ্দীন পরিকল্পিতভাবে মিথ্যা অভিযোগ তুলে ব্যক্তিগত স্বার্থ ও প্রতিশোধপরায়ণতার বহিঃপ্রকাশ ঘটান। অভিযোগ মতে, জহির উদ্দীনের বিরুদ্ধে অতীতেও দুর্নীতি, ঘুষ গ্রহণ, অসাধু প্রভাব বিস্তার এবং সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অর্থ আদায়ের অভিযোগ রয়েছে। এমনকি তাঁর বিরুদ্ধে নানা অপরাধী ও স্বার্থনির্ভর গোষ্ঠীর সঙ্গে যোগসূত্র থাকার বিষয়টিও এলাকায় প্রচলিত। একাধিক সূত্রের দাবি—দফাদার জহির নিজের অবস্থান ও পরিচিতি ব্যবহার করে প্রশাসনিক দাফতরে প্রভাব খাটান এবং নানা সময়ে স্থানীয় বিরোধে পক্ষপাতমূলক ভূমিকা পালন করেন।

অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয় যে, জহির উদ্দীন ব্যক্তিগত প্রতিহিংসা ও দুর্নীতির প্রমাণ আড়াল করার উদ্দেশ্যে সামাজিক মাধ্যমে অপপ্রচারের পাশাপাশি মিথ্যা মামলা দায়েরের চেষ্টাও করেছেন। অভিযোগের অন্যতম বিষয় ছিল—ঘুষ গ্রহণের কথিত একটি অডিও-ভিডিও ফাঁস হওয়ার পর তাঁর আচরণ আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে এবং তিনি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে অপপ্রচারে লিপ্ত হন। অভিযোগকারী জানান, জহির উদ্দীন দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় বিভিন্ন রাজনৈতিক পক্ষের ছত্রচ্ছায়ায় থেকে প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। তিনি স্থানীয় পর্যায়ে কতিপয় সহচর নিয়ে থানায় ও উপজেলা প্রশাসনে প্রভাব খাটিয়ে সাধারণ মানুষের ন্যায়বিচার প্রাপ্তিতে বাধা সৃষ্টি করেন। সাম্প্রতিক সময়ে তিনি নতুন করে আরেকটি রাজনৈতিক গোষ্ঠীর সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করে প্রভাব ধরে রাখার চেষ্টা করছেন বলেও অভিযোগ ওঠে। 

এ ব্যাপারে স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, “জহিরের বিরুদ্ধে নানা সময় অনিয়ম ও হয়রানির অভিযোগ এসেছে। কিন্তু প্রশাসনিক প্রভাবের কারণে কেউ মুখ খুলতে চায় না। এলাকায় ভয়ভীতি ও বিরূপ পরিবেশ তৈরি হয়েছে। উল্লেখযোগ্যভাবে, বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ১৮১, ১৯১, ২০৩ ও ৫০০ ধারায় মিথ্যামামলা, মানহানি, বিভ্রান্তিকর অভিযোগ এবং সরকারি দায়িত্ব পালনে অসদাচরণের বিরুদ্ধে কঠোর দণ্ডের বিধান রয়েছে। একজন সরকারি কর্মচারীর ক্ষেত্রে এসব অপরাধ আরও গুরুতর হিসেবে বিবেচিত হয়। 

এদিকে, অভিযোগকারী উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে জহির উদ্দীনের বিরুদ্ধে তদন্ত, প্রশাসনিক ব্যবস্থা এবং চাকরিচ্যুতিসহ কঠোর আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনও আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar