1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
পীরগঞ্জে পরকীয়া অপবাদে দিনভর নির্যাতনের অপমান সইতে না পেরে গৃহবধূর আত্মহত্যা - bdtelegraph24.com
শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ১১:২৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
চাঁদা না পেয়ে লুটপাট: কেরানীগঞ্জ ও মিরপুরে জিম্মি ব্যবসায়ী ও প্লট মালিকরা শ্যামনগরে জিম্মিদশা থেকে যুবককে উদ্ধার করলো পুলিশ খুলনায় পুলিশ পরিদর্শককে কুপিয়ে টাকা ও মোবাইল ছিনতাই ২০২৬ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার পেলেন আইনজ্ঞ নাভি পিল্লাই টাঙ্গাইলে বিয়ের কয়েক ঘণ্টা পর বাসরঘরে বরের মৃত্যু যুক্তরাষ্ট্রের গালফ উপকূলের দিকে ধেয়ে আসছে হারিকেন ‘ইসাইয়াস’ রিয়াদ বিমানবন্দরে হুতিদের হামলা: পাইলটসহ নিহত ৩ কুমিল্লায় স্কুলছাত্রী তাজমিন হত্যা: সিএনজি চালক সুমন আটক ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পুলিশের পিকআপ খাদে, দুই আসামিসহ আহত ৫ টঙ্গীতে বাসের চাকায় পিষ্ট হয়ে নারী গার্মেন্টস শ্রমিক নিহত

পীরগঞ্জে পরকীয়া অপবাদে দিনভর নির্যাতনের অপমান সইতে না পেরে গৃহবধূর আত্মহত্যা

  • সর্বশেষ আপডেট : রবিবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ১১৬ জন খবরটি পড়েছেন

সাকিব আহসান
প্রতিনিধি,পীরগঞ্জ, ঠাকুরগাঁও

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জে পরকীয়া অপবাদকে কেন্দ্র করে দিনভর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার গৃহবধু তৃপ্তি রায় (২৩)। নির্যাতন, অপমান ও সামাজিক লাঞ্ছনার বোঝা সইতে না পেরে শেষ পর্যন্ত তিনি আত্মহত্যার পথ বেছে নেন বলে অভিযোগ উঠেছে পরিবার ও স্থানীয়দের কাছ থেকে। ঘটনাটি ঘটেছে রবিবার সকালে উপজেলার ১১নং বৈরচুনা ইউনিয়নের দক্ষিণ দোপাইল এলাকায়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তৃপ্তি রায়ের সঙ্গে একই গ্রামের পবিত্র চন্দ্র রায়ের বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক রয়েছে এমন গুঞ্জনের জেরে শনিবার সকালে পবিত্র রায়ের স্ত্রী কিরণ মালা তাকে জোর করে বাড়িতে নিয়ে যান। সেখানে কিরণ মালা ও তার ছেলে চিরঞ্জিত রায় তাকে মারধর করেন বলে অভিযোগ। পরে বিষয়টি বিচার করার নামে বৈরচুনা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান টেলিনা সরকার হিমু ও ৪নং ওয়ার্ড সদস্য মুসলিম উদ্দীনকে ডেকে সালিশ বৈঠক বসানো হয়।

সাক্ষীদের দাবি, সালিশ বৈঠকে তৃপ্তি রায়ের ওপর আরও অপমান ও নির্যাতন নেমে আসে। চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্য তাকে থাপ্পড় মারেন এবং অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। দীর্ঘ সময় ধরে এই অপমানজনক অবস্থার পর তৃপ্তিকে তার স্বামী যতিশ চন্দ্র রায়ের বাড়িতে পাঠানো হয়। কিন্তু স্বামী তাকে গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানান। অপমানিত ও একাকী অবস্থায় রাত পেরিয়ে রবিবার সকালে নওডাঙ্গা নয়াপাড়া এলাকার একটি জাম্বুরা গাছে তার ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান স্থানীয়রা।

নিহতের স্বামী যতিশ চন্দ্র রায় বলেন, “দিনভর নির্যাতন করে আমার কাছে পাঠানো হয়। বিষয়টি মীমাংসা না হওয়া পর্যন্ত আমি তাকে বাড়িতে তুলতে চাইনি। অপমান সহ্য করতে না পেরে হয়তো ও আত্মহত্যা করেছে।”

তৃপ্তি রায়ের পিতা শিরেন চন্দ্র রায়ের বক্তব্য আরও ক্ষোভপূর্ণ। তিনি জানান, “সালিশের নামে আমার মেয়েকে নির্মমভাবে নির্যাতন করা হয়েছে। তার কোনো নিরাপত্তা ছিল না। পরে আর তাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। সকালে জামাই জানায়, মরদেহ ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া গেছে। ইতোমধ্যে থানায় এজাহার করেছি।”

অভিযুক্ত ইউপি সদস্য মুসলিম উদ্দীনের ফোন বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। আর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান টেলিনা সরকার হিমু বলেন, “এই বিষয়ে আমি কিছু বলবো না। তদন্তে যা বের হবে তাই সত্য।”

পীরগঞ্জ থানার ওসি মাজহারুল ইসলাম জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। এটি আত্মহত্যা নাকি অন্য কিছু, সবকিছুই তদন্তে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar