1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
রাজশাহীর তানোরে পরিত্যক্ত নলকূপের গর্তে পড়ে ১৮ ঘণ্টা ধরে আটকা শিশু, উদ্ধারকাজ চলমান - bdtelegraph24.com
বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৫২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
জকসুর উদ্যোগে চালু হলো রক্তদাতা খোঁজার অ্যাপ ‘JnURedDrop’ নতুন পে-স্কেলেই বেতন পাবেন এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা: শিক্ষা সচিব ঢাবির শেখ মুজিবুর রহমান হলের গেট থেকে ‘শহীদ ওসমান হাদি’ নাম অপসারণ উজ্জয়িনীর শাহী মসজিদ: ৬৩৬ বছরের পুরনো স্থাপনা ও রাস্তা সম্প্রসারণ নিয়ে বিতর্ক শৈলকুপায় ভেজাল সয়াবিন তেল বিক্রির দায়ে ব্যবসায়ীকে জরিমানা রংপুরে বাড়িতে নকল সয়াবিন তেল তৈরির কারখানা, ব্যবসায়ীকে কারাদণ্ড শরীয়তপুরে ৩ আইনজীবীকে মারধর ও চেম্বার ভাঙচুর, অভিযুক্ত বিএনপি ইরাক থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার হলেও তেল আয়ের নিয়ন্ত্রণে ওয়াশিংটন ফেনী সফর: দেড় হাজার কোটি টাকার প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী ডিজিটাল খিচুড়ি চ্যালেঞ্জের আয়োজনে জবি শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ

রাজশাহীর তানোরে পরিত্যক্ত নলকূপের গর্তে পড়ে ১৮ ঘণ্টা ধরে আটকা শিশু, উদ্ধারকাজ চলমান

  • সর্বশেষ আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ১৭৮ জন খবরটি পড়েছেন

মনোয়ার হোসেন, রাজশাহী প্রতিনিধি

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

সর্বশেষ

  • সারারাত ধরে চলছে উদ্ধারকাজ, এখনো শেষ হয়নি অভিযান।
  • শিশুটি পরিত্যক্ত নলকূপের ৩০ ফুট গভীরে আটকা পড়ার পর ১০ ঘন্টার বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও উদ্ধারকাজ শেষ হয়নি।
  • রাত ১১টা ৫০ মিনিট পর্যন্ত সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য মতে ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা আটকে পড়া গর্তের সমান্তরালে ২৫ ফুট গর্ত করতে সক্ষম হয়েছেন।
  • আরও ২-৩ ঘন্টা লাগবে উদ্ধারকাজ শেষ হতে, শিশুটির বেঁচে থাকার সম্ভাবনা ক্ষীণ।

রাজশাহীর তানোর উপজেলায় পরিত্যক্ত একটি গভীর নলকূপের প্রায় ৩০ ফুট নিচে পড়ে যাওয়া দুই বছরের শিশু সাজিদকে উদ্ধারে দীর্ঘ ১০ ঘণ্টা পরও সফল হতে পারেনি উদ্ধারকারী দল। রাত ১০টা ৫০ মিনিট পর্যন্ত ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা মাটির নিচে প্রায় ১৮ থেকে ২০ ফুট পর্যন্ত খনন কাজ করতে সক্ষম হয়েছেন।

তানোর ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তা আব্দুর রউফ জানান, ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট শিশুটিকে উদ্ধারের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। “শিশুটিকে সুস্থ ও অক্ষত অবস্থায় উদ্ধারের সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হচ্ছে। বিকেল ৫টা ৩০ মিনিট থেকে একটি এক্সক্যাভেটর গর্তের পাশেই সমান্তরাল আরেকটি পথ খুঁড়ছে এবং দুটি ট্র্যাক্টর মাটি সরাচ্ছে। শিশুটিকে বাঁচিয়ে রাখতে গর্তের ভেতরে নিয়মিত অক্সিজেন সরবরাহ করা হচ্ছে,” বলেন তিনি।

কীভাবে ঘটল দুর্ঘটনা?

পুলিশ জানায়, দুপুরের দিকে মাটি বোঝাই একটি ট্রলি হঠাৎ দেবে যায়। এ দৃশ্য দেখতে স্থানীয় বাসিন্দা রুনা খাতুন তার দুই বছরের ছেলে সাজিদকে নিয়ে মাঠে যান। হাঁটার সময় হঠাৎ সাজিদ ‘মা’ বলে চিৎকার করে ওঠে। পেছনে ফিরে রুনা খাতুন বুঝতে পারেন, ছেলে গর্তে পড়ে গেছে। কিছুক্ষণ পর গর্তের গভীর থেকে শিশুটির ক্ষীণ কণ্ঠে ‘মা, মা’ ডাক শুনতে পান তিনি।

রুনা খাতুন বলেন, “গর্তটির মুখ খড় দিয়ে ঢাকা ছিল। আমরা কেউই লুকানো গর্তটি দেখতে পাইনি।”

পুরনো গর্ত বৃষ্টিতে আবার খুলে যায়

স্থানীয়রা জানান, কোয়েলহাট গ্রামে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর অনেক নিচে নেমে যাওয়ায় এক বাসিন্দা পানির স্তর পরীক্ষা করতে গর্তটি করেছিলেন। পরে সেটি ভরাট করে দেওয়া হলেও বর্ষার পানিতে মাটি ধসে পড়ে পুরনো গর্তটি আবার বের হয়ে আসে।

উদ্ধার অভিযানে স্থানীয়দের সহায়তা

তানোর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিনুজ্জামান বলেন, দুপুর ১টার দিকে শিশুটি খুব সরু পরিত্যক্ত গর্তে পড়ে গেলে সংবাদ পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে এসে স্থানীয়দের সহযোগিতায় খনন কাজ শুরু করে।
তিনি আরও জানান, ভিড় নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ দড়ি দিয়ে পুরো এলাকা ঘিরে রেখেছে, যাতে উদ্ধারকাজ ব্যাহত না হয়।

এদিকে আশপাশের গ্রাম থেকে এসে শত শত মানুষ উদ্ধার অভিযান দেখছেন এবং শিশুটির জীবনের জন্য দোয়া করছেন। দীর্ঘ সময় ধরে টানটান উত্তেজনার মধ্যে তারা অপেক্ষা করছেন।

উদ্ধারকাজের সম্ভাব্য ঝুঁকি

উদ্ধারকর্মীরা বলছেন, এ ধরনের সরু ও গভীর গর্তে উদ্ধার অভিযান অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ও জটিল।

  • মাটিধসের আশঙ্কা:
    সমান্তরাল গর্ত খুঁড়তে গিয়ে সামান্য চাপেই মূল গর্তের দেয়াল ধসে পড়তে পারে। এতে আটকে থাকা শিশুটির ওপর মাটি চাপার ঝুঁকি থাকে এবং উদ্ধারকারীরাও বিপদে পড়তে পারেন।
  • অক্সিজেনের ঘাটতি:
    ৩০ ফুট গভীর সরু গর্তে স্বাভাবিক বাতাস প্রবেশ করতে পারে না। অক্সিজেন সরবরাহে সামান্য বিঘ্ন ঘটলেও শিশুটি চরম ঝুঁকিতে পড়তে পারে।
  • গর্তের ভেতরের অস্থিতিশীল পরিবেশ:
    পুরনো ও ভরাট করা গর্ত হওয়ায় ভেতরের মাটি ঢিলা। অতিরিক্ত যন্ত্রপাতির কম্পন বা চাপ গর্তের গঠন দুর্বল করে দিতে পারে।
  • যন্ত্রপাতির সীমাবদ্ধতা:
    এত সরু গর্তে বিশেষ উদ্ধার সরঞ্জাম সহজে ঢোকানো যায় না। দড়ি, ক্যামেরা বা পাইপ নামানোর সময় সামান্য ভুলও পরিস্থিতি খারাপ করে দিতে পারে।
  • রাতের অন্ধকারে কাজের চ্যালেঞ্জ:
    রাতে দৃশ্যমানতা কমে যায়, ফলে যান্ত্রিক খনন ধীরগতিতে হয়। উদ্ধারকারীদের প্রতিটি পদক্ষেপ অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করতে হয়।

উদ্ধার কর্মকর্তারা বলেন, “এ ধরনের অভিযানে তাড়াহুড়া করা যায় না। প্রতিটি ইঞ্চি খনন সঠিকভাবে না হলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।”

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar