1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
লোহাগাড়ায় আদালতের আদেশ ‘অগ্রাহ্য’?—ওয়ারেন্ট বাস্তবায়নে পুলিশের রহস্যময় নীরবতা - bdtelegraph24.com
শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ১২:২৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
চাঁদা না পেয়ে লুটপাট: কেরানীগঞ্জ ও মিরপুরে জিম্মি ব্যবসায়ী ও প্লট মালিকরা শ্যামনগরে জিম্মিদশা থেকে যুবককে উদ্ধার করলো পুলিশ খুলনায় পুলিশ পরিদর্শককে কুপিয়ে টাকা ও মোবাইল ছিনতাই ২০২৬ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার পেলেন আইনজ্ঞ নাভি পিল্লাই টাঙ্গাইলে বিয়ের কয়েক ঘণ্টা পর বাসরঘরে বরের মৃত্যু যুক্তরাষ্ট্রের গালফ উপকূলের দিকে ধেয়ে আসছে হারিকেন ‘ইসাইয়াস’ রিয়াদ বিমানবন্দরে হুতিদের হামলা: পাইলটসহ নিহত ৩ কুমিল্লায় স্কুলছাত্রী তাজমিন হত্যা: সিএনজি চালক সুমন আটক ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পুলিশের পিকআপ খাদে, দুই আসামিসহ আহত ৫ টঙ্গীতে বাসের চাকায় পিষ্ট হয়ে নারী গার্মেন্টস শ্রমিক নিহত

লোহাগাড়ায় আদালতের আদেশ ‘অগ্রাহ্য’?—ওয়ারেন্ট বাস্তবায়নে পুলিশের রহস্যময় নীরবতা

  • সর্বশেষ আপডেট : শুক্রবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ৪১৫ জন খবরটি পড়েছেন

মনির আহমদ আজাদ, লোহাগাড়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি।

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

লোহাগাড়া থানার পুলিশের কর্মকাণ্ডে সাধারণ মানুষের মাঝে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী ধরতে গিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা হয়রানি, দায়িত্ব এড়িয়ে যাওয়া এবং অসহযোগিতার যে চিত্র উঠে এসেছে, তা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর জনগণের আস্থা আরও নিচে নামিয়ে দিয়েছে।

জানা গেছে, সিআর মামলা নং–৩১৩/২০২৫-এর পাঁচ আসামির মধ্যে দুইজন নারী এবং তিনজন পুরুষ—কিন্তু ওয়ারেন্ট থাকলেও তাদের গ্রেপ্তারে পুলিশের সুস্পষ্ট অনীহা ও গড়িমসি বিচারপ্রার্থীদের হতাশ ও ক্ষুব্ধ করেছে। ভুক্তভোগীর ভাষ্য অনুযায়ী, প্রথমে থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের কাছে ওয়ারেন্ট বাস্তবায়নের আবেদন করলে তারা জানান—”নারী আসামি ধরতে ওসি ও এএসপি’র অনুমতি প্রয়োজন”। অথচ কোনো আইনেই এরূপ পূর্বানুমতির বাধ্যবাধকতা নেই।

বিষয়টি জানাতে ভুক্তভোগী সাতকানিয়া সার্কেলের এএসপি আরিফুর রহমান সিদ্দিকীর সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি স্পষ্ট বলেন—ওয়ারেন্টের আসামী গ্রেপ্তারে কোনো বাধা নেই। আইনত পুলিশই তা করবে। কিন্তু নির্দেশনা পাওয়ার পরও থানার ওসি (তদন্ত) প্রশান্ত কুমার মৌমিক দায়িত্ব নিজেদের সেকেন্ড অফিসার জাহিদের উপর চাপিয়ে দেন। পরে সেকেন্ড অফিসার ভুক্তভোগীকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসিয়ে রেখে কোর্টের ম্যাজিস্ট্রেটের মতো জেরা করেন। সবশেষে পুলিশ সদস্য স্বল্পতার অজুহাত দেখিয়ে বলেন—আপনি যান, পুলিশ পাঠাবো। কিন্তু সেই পুলিশ আর যায়নি। ফলে ৩ ডিসেম্বর লোহাগাড়া থানায় ওয়ারেন্ট পৌঁছানোর পরও কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি, যা আইনের প্রতি প্রকাশ্য অবহেলা এবং দায়িত্ব পালনে চরম গাফিলতি বলে মনে করেন স্থানীয়রা।

স্থানীয় কয়েকজন জানান, ওয়ারেন্ট থাকা সত্ত্বেও পুলিশ যখন গ্রেপ্তার অভিযান চালায় না, তখন অপরাধীরা আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে। এতে ভুক্তভোগীর ন্যায়বিচার বিঘ্নিত হয় এবং সমাজে আইনের শাসন প্রশ্নবিদ্ধ হয়। আইন বিশেষজ্ঞরা বলেন, ওয়ারেন্টেড আসামি গ্রেপ্তার করা পুলিশের বাধ্যতামূলক দায়িত্ব। সেখানে অযথা জেরা, সময়ক্ষেপণ এবং দায়িত্ব অন্যের উপর ঠেলে দেওয়া স্পষ্টভাবে দণ্ডবিধি ও পুলিশ রেগুলেশনের লঙ্ঘন। এ নিয়ে সাধারণ মানুষের প্রশ্ন—লোহাগাড়া থানা কি আইনের কাছে জবাবদিহির আওতায় নয়? ওয়ারেন্ট কি শুধু কাগজেই থাকে—বাস্তবায়ন পুলিশের ইচ্ছার উপর নির্ভর করে? এ ধরনের অনীহা ও অবহেলা শুধু ভুক্তভোগীর ক্ষতিই বাড়ায় না, বরং ন্যায়বিচারের মৌলিক ভিত্তিকে দুর্বল করে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত ও পদক্ষেপ গ্রহণ এখন সময়ের দাবি।


শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar