দৌলতপুর (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি।
কুষ্টিয়ার দৌলতপুর সীমান্তে বিএসএফ’র গুলিতে শান্ত (২২) নামে এক বাংলাদেশী যুবক নিহত হবার ৯
দিন পর লাশ ফেরত দিল বিএসএফ।
দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।
শনিবার সন্ধ্যা সাতটার দিকে বিএসএফ বিজিবির হাতে তার লাশ হস্তান্তর করেছে। শান্ত দৌলতপুর উপজেলার রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের সীমান্ত সংলগ্ন মোহাম্মদপুর ডাঙেরপাড়া গ্রামের শিপন আলীর ছেলে। গেল ৫ ডিসেম্বর) দিবাগত রাত ২টার দিকে সীমান্ত পিলার ১৫৪/৩-এস এর নিকট মোহাম্মদপুর সীমান্তের ওপারে ভারত ভূ-খন্ডে বিএসএফের গুলিবর্ষণে শান্ত মারা যায়।
বিজিবি ও স্থানীয় সূত্র জানায়, সীমান্ত এলাকার শীর্ষ অস্ত্র ও মাদক কারবারী শান্ত ঘটনার রাতে ৪-৫ জন সহযোগি নিয়ে চোরাপথে ভারতে প্রবেশ করে মাদক ও অস্ত্র পাচার করছিল। বিএসএফ কমান্ডেন্ট অধিনস্থ কাচারীপাড়া ক্যাম্পের টহল দল তাদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। বিএসএফ’র গুলিতে শান্ত গুলিবিদ্ধ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়লে তার সহযোগিরা পালিয়ে চলে আসে। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় শান্তকে উদ্ধার করে নিজ ক্যাম্পে নেয় বিএসএফ। পরে শান্তকে হাসপাতালে নিলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দু’দিন পর তার মৃত্যু হয়।
বিএসএফ’র গুলিতে শান্ত নিহত হওয়ার ঘটনা তার পরিবার বিজিবিকে জানালে শান্তর লাশ ফেরত চেয়ে বিএসএফকে পত্র দেয় বিজিবি।
বিএসএফ’র গুলিতে বাংলাদেশী নিহত হওয়ার ঘটনার বিষয়ে ৪৭ বিজিবি কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়নের সহকারী পরিচালক মো. জাকিরুল ইসলাম জানান, ঘটনাটি তদন্তে বিজিবি প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। ঘটনার রাতে সীমান্তে শান্ত সহ কয়েকজনকে লক্ষ্য করে বিএসএফ গুলি চালায়। সে সময় শান্ত গুলিবিদ্ধ হলে আহত অবস্থায় বিএসএফ তাকে হেফাজতে নেন। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় ৮ ডিসেম্বর বিএসএফের সঙ্গে বিজিবির পতাকা বৈঠক হয়। শান্তর লাশ পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে বিজিবির কাছে শনিবার সন্ধ্যা সাতটার দিকে ফেরত দেয় বলে দৌলতপুর থানার ওসি মোঃ আরিফুর রহমান নিশ্চিত করেছেন।