আবু কাওসার মাখন
রাজশাহী ব্যুরো
দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।
গাঁজা-ইয়াবা-ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধাররাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ কর্তৃক মাদকবিরোধী অভিযানে ৪ জন আটক; গাঁজা-ইয়াবা-ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উরাজশাহী মহানগরীর কর্ণহার থানার তেতুলডাঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অভিযান পরিচালনা করে ৪শ গ্রাম গাঁজাসহ ২ জন; চন্দ্রিমা থানার মুশরইল ঈদগাহ মাঠের সামনে ৫২ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ ১ জন এবং কাটাখালি থানার শ্যামপুর আবহাওয়া অফিসের সামনে চেকপোষ্টে ১শ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ ১ জন কে গ্রেপ্তার করেছে আরএমপি’র কর্ণহার, চন্দ্রিমা ও কাটাখালি থানা পুলিশ।
গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা হলো- মো: মোবারক হোসেন (২৩); মো: আনারুল ইসলাম (৫৩); মো: সোহাগ মাহমুদ (২৪) এবং মো: সম্রাট আলী (৩০)। মোবারক রাজশাহী মহানগরীর কর্ণহার থানার দর্শনপাড়া নামোপাড়া গ্রামের মো: আব্দুল ওহাবের ছেলে। আনারুল একই থানার দর্শনপাড়া চৌকিপাড়া গ্রামের মৃত লাল মোহাম্মদের ছেলে। সোহাগ মাহমুদ রাজশাহী জেলার মোহনপুর থানার খয়রা গ্রামের মো: আশরাফুল দেওয়ানের ছেলে এবং সম্রাট রাজশাহী মহানগরীর কাটাখালি থানার শ্যামপুর মোল্লাপাড়া গ্রামের মো: বাদশা আলীর ছেলে। বর্তমানে সম্রাট মতিহার থানার মৌলভী বুধপাড়া এলাকায় বসবাস করেন।
রাত পৌনে ১১টায় অফিসার ইনচার্জ মো: হাবিবুর রহমানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এসআই ইমরান হোসেন ও তার টিম কর্ণহার থানার কুপেরহাট এলাকায় দায়িত্ব পালন করাকালীন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তেতুলডাঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ থেকে গাঁজা বিক্রির প্রস্তুতিকালে মোবারক ও আনারুল নামে দুই ব্যক্তিকে আটক করেন। পরবর্তীতে তাদের দেহ তল্লাশি করে মোবারকের কাছ থেকে ৩শ গ্রাম গাঁজা ও আনারুলের কাছ থেকে ১শ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
আরএমপি মুখপাত্র জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা স্বীকার করেন যে, তারা বিক্রির উদ্দেশ্যে গাঁজা নিজের কাছে রেখেছিলেন এবং দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যাবসার সঙ্গে জড়িত। আসামি মোবারকের বিরুদ্ধে আরএমপি’র কর্ণহার থানায় ৩টি এবং আসামি আনারুলের বিরুদ্ধে একই থানায় ১টি মামলা চলমান রয়েছে।