1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
শ্যামনগরে ৪ চোরাকারবারী ও মানব পাচারকারীর আত্মসমর্পণ - bdtelegraph24.com
শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৩৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
চাঁদা না পেয়ে লুটপাট: কেরানীগঞ্জ ও মিরপুরে জিম্মি ব্যবসায়ী ও প্লট মালিকরা শ্যামনগরে জিম্মিদশা থেকে যুবককে উদ্ধার করলো পুলিশ খুলনায় পুলিশ পরিদর্শককে কুপিয়ে টাকা ও মোবাইল ছিনতাই ২০২৬ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার পেলেন আইনজ্ঞ নাভি পিল্লাই টাঙ্গাইলে বিয়ের কয়েক ঘণ্টা পর বাসরঘরে বরের মৃত্যু যুক্তরাষ্ট্রের গালফ উপকূলের দিকে ধেয়ে আসছে হারিকেন ‘ইসাইয়াস’ রিয়াদ বিমানবন্দরে হুতিদের হামলা: পাইলটসহ নিহত ৩ কুমিল্লায় স্কুলছাত্রী তাজমিন হত্যা: সিএনজি চালক সুমন আটক ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পুলিশের পিকআপ খাদে, দুই আসামিসহ আহত ৫ টঙ্গীতে বাসের চাকায় পিষ্ট হয়ে নারী গার্মেন্টস শ্রমিক নিহত

শ্যামনগরে ৪ চোরাকারবারী ও মানব পাচারকারীর আত্মসমর্পণ

  • সর্বশেষ আপডেট : সোমবার, ২২ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ১৩৩ জন খবরটি পড়েছেন

নিজস্ব প্রতিনিধি।
শ্যামনগর উপজেলার বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তবর্তী এলাকার চার চোরকারবারী ও মানব পাচারকারী সেনা ক্যাম্পে আত্মসমর্পণ করেছে।

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

উপজেলায় কুখ্যাত চোরাকারবারীদের গ্রেফতার করতে বিজিবি এবং সেনাবাহিনীর একটি যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে উপজেলার ভেটখালী এলাকা থেকে অপরাধীরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হলেও পরবর্তীতে ৪ জন অপরাধী দিনব্যাপী যৌথ বাহিনীর সাড়াশি অভিযান এবং গোয়েন্দা তৎপরতার ফলে রবিবার বিকালে তারা কালীগঞ্জ সেনা ক্যাম্পে আত্মসমর্পণ করেন। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য রবিবার রাতেই তাদেরকে শ্যামনগর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

সোমবার (২২ ডিসেম্বর) শ্যামনগর থানা পুলিশ চোরাকারবারিদের সাতক্ষীরা আদালতে প্রেরণ করেন।

এসব চোরাকারবারী হলো শ্যামনগর উপজেলার সাহেবখালী গ্রামের রফিকুল ইসলাম ওরফে নেদা কয়াল, পশ্চিম কৈখালীর রেজাউল ইসলাম, কৈখালী গ্রামের হাফিজুর রহমান ও পূর্ব কৈখালীর আব্দুর রহিম। তাদের বিরুদ্ধে সীমান্তপথে মানব পাচারসহ মাদকের চালান পারাপার এবং ১২/১৪ হাজার টাকার বিনিময়ে অবৈধভাবে মানব পারাপারের অভিযোগ রয়েছে। এমনকি এসব অপরাধীদের অনেকের বিরুদ্ধে সুন্দরবনে জলদস্যুদের সাথে যোগসাযশ এবং অস্ত্র গোলাবারুদ সরবরাহেরও অভিযোগ রয়েছে।

স্থানীয়রা জানায় প্রতিনিয়ত এসব অপরাধীরা কালিন্দী ও রায়মঙ্গল নদীসহ সুন্দরবনের ম্যধ দিয়ে মাদকের চালান পারাপার করতো। ইতিপূর্বে কয়েকজন আটক হলেও এসব অপরাধীরা তাদের কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছিল। তবে একসাথে চার চোরাকারবারীর আত্মসমর্পণে কিছুটা হলেও সেই প্রবনতা কমবে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এসব গ্রামবাসী আরও জানান, গুলি, আসলামসহ নৈকাটী এবং দুরমুজখালী ও গোলাখালীর হাতেগোনা আরও কয়েকজন অপরাধীকে গ্রেপ্তার করতে পারলে সুন্দরবন এবং তদসংলগ্ন কৈখালী সীমান্ত দিয়ে মানব পাচারসহ চোরাচালান একেবারে কমে যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরী হবে।

শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ খালেদুর রহমান জানান, যৌথ বাহিনী ৪জন চোরাকারবারী ও মানব পাচারকারীকে রাতে থানায় হস্তান্তর করেন। এসব অপরাধীর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। সোমবার সকালে আদালতের ম্যাধমে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar