সাতক্ষীরা প্রতিনিধি।
দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।
শুক্রবার দুপুর পৌনে ২টার দিকে দেশের বিভিন্ন এলাকায় ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৪। উৎপত্তিস্থল ছিল সাতক্ষীরা জেলার আশাশুনি উপজেলা। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
সাতক্ষীরা আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জুলফিকার আলী রিপন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের আবহাওয়াবিদ ফারজানা সুলতানা জানিয়েছেন, কম্পনের মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৪।
সাতক্ষীরার কালীগঞ্জ উপজেলার আব্দুল হাকিম বলেন, “আমার জীবনে এমন কম্পন অনুভব কখনো হয়নি। বুক কাঁপছিল।”
আরেক বাসিন্দা আব্দুল হামিদ বলেন, “আমি মসজিদে ছিলাম। মসজিদ কেঁপে ওঠে। আমরা দৌড়ে বাইরে চলে যাই। এমন কম্পন আগে অনুভব করিনি।”
স্থানীয় প্রবীণদের দাবি, গত কয়েক দশকের মধ্যে এমন ভূমিকম্প তারা দেখেননি।
পাশের যশোর জেলাতেও তীব্র কম্পন অনুভূত হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাসিন্দারা। অ্যাডভোকেট ইদ্রিস আলী বলেন, “জুমার নামাজ চলাকালীন পুরো শহর কেঁপে ওঠে। মসজিদসহ বহুতল ভবনগুলোতে প্রবল ঝাঁকুনি অনুভূত হয়। আমার ৭০ বছরের জীবনে এমন ঝাঁকুনি আগে দেখিনি।”
ইখতেখার মাহমুদ বাবু বলেন, মসজিদ থেকে বের হয়ে মোটরসাইকেলে ওঠার সময় তিনি পায়ের নিচে মাটি কাঁপতে অনুভব করেন এবং সঙ্গে সঙ্গে নেমে যান। নূর ইসলাম জানান, কম্পন এতটাই প্রবল ছিল যে অনেকেই ভবন ধসে পড়বে ভেবে খোলা জায়গায় চলে যান।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি বলে জানানো হয়েছে। তবে স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।